বোয়ালখালীতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন

বোয়ালখালীতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

বোয়ালখালীতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
ছবি সংগৃহীত।

বোয়ালখালীতে আবারও ঝটিকা মিছিল করেছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এই মিছিলের ১ মিনিট ৪১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

রবিবার (৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওয়াসিম আল ইমন তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মিছিলের ওই ভিডিওটি পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘বোয়ালখালী থানা থেকে মাত্র ৮০০ মিটার দূরত্বে বোয়ালখালীর মাটিতে ছাত্রলীগের ব্যানারে প্রথম মিছিল করলাম।’

বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ওয়াসিম আল ইমনের নেতৃত্বে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের থানা রোডের মুরাদ মুন্সির হাট এলাকায় এই মিছিলটি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, মিছিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি সংবলিত ব্যানার ব্যবহার করা হয়েছে। এ সময় তাঁরা শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ও জামায়াত-শিবিরবিরোধীসহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

এ বিষয়ে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘ফেসবুকে মিছিলের ভিডিওটি আমরা দেখেছি, তবে এটি ঠিক কোথায় হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে।’




আলীকদমে সন্দেহজনক ঘোরাফেরা, বিজিবির হাতে আটক ৭ রোহিঙ্গা শরণার্থী

আলীকদমে সন্দেহজনক ঘোরাফেরা, বিজিবির হাতে আটক ৭ রোহিঙ্গা শরণার্থী
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের আলীকদমে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় সাতজন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) জানায়, গত শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ব্যাটালিয়নের ২ নম্বর জিপি গেট সংলগ্ন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাঁদের আটক করা হয়।

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাঁরা সবাই কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। আনুমানিক দুই মাস আগে দালাল চক্রের মাধ্যমে ক্যাম্প থেকে পালিয়ে তাঁরা কাজের সন্ধানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া এলাকার ম্রোং পাড়ায় অবস্থান নেন।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া ক্যাম্পের তিনজন, ১৭ নম্বর বালুখালী ক্যাম্পের দুজন, ১৮ নম্বর বালুখালী ক্যাম্পের একজন ও ৯ নম্বর বালুখালী ক্যাম্পের একজন রয়েছেন।

পরে আজ রোববার (৮ নভেম্বর ২০২৬) রাত ২টায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁদের আলীকদম থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি (নম্বর-২১/২০২৬) প্রকাশ করা হয়েছে।




আলীকদমে বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে পালিয়ে আসা ৭ রোহিঙ্গা আটক, থানায় হস্তান্তর

আলীকদমে বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে পালিয়ে আসা ৭ রোহিঙ্গা আটক, থানায় হস্তান্তর
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের আলীকদমে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে আসা ৭ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি)। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদেরকে আলীকদম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রবিবার (৮ নভেম্বর ২০২৬) সকালে ৫৭ বিজিবি’র পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিবি জানায়, গত ৭ নভেম্বর রাত পৌনে নয়টার দিকে আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি)-এর ২ নম্বর জিপি গেট সংলগ্ন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ওই ৭ জন রোহিঙ্গার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানান, তারা সবাই বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিবন্ধিত শরণার্থী। প্রায় দুই মাস আগে তারা দালাল চক্রের সহায়তায় কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে রামু উপজেলার গর্জনিয়া এলাকার ম্রোং পাড়ায় গিয়ে আশ্রয় নেন এবং সেখানে কাজের সন্ধানে ছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, আটককৃত ৭ জনের মধ্যে কক্সবাজার জেলার ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৩ জন, ১৭ নম্বর বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ২ জন, ১৮ নম্বর বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১ জন এবং ৯ নম্বর বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১ জন সদস্য রয়েছেন।

আটককৃত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আজ রবিবার ভোর দুইটার দিকে তাদেরকে আলীকদম থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে ৫৭ বিজিবি।




২০২৭–২৮ সেশনে পুনরায় বান্দরবান জেলা জামায়াতের আমির নির্বাচিত এস এম আব্দুস সালাম আজাদ

২০২৭–২৮ সেশনে পুনরায় বান্দরবান জেলা জামায়াতের আমির নির্বাচিত এস এম আব্দুস সালাম আজাদ
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২০২৭–২০২৮ সেশনের জন্য পুনরায় বান্দরবান জেলা আমির নির্বাচিত হয়েছেন এস এম আব্দুস সালাম আজাদ। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য। তাঁর পুনর্নির্বাচনের খবরে বান্দরবানের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এস এম আব্দুস সালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ২০০৪ সালে তিনি প্রথম বান্দরবান জেলা আমিরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে বান্দরবান জেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

দীর্ঘ সাংগঠনিক জীবনে তিনি জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে দলিয় কার্যক্রম পরিচালনা ও দায়িত্ব পালন করেছেন। কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য হিসেবেও দলের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। নতুন সেশনে পুনরায় জেলা আমির নির্বাচিত হওয়ায় আগামী দুই বছর তিনি বান্দরবান জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেবেন।

রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি লেখালেখিতেও রয়েছে তাঁর সম্পৃক্ততা। ইসলামী চিন্তা, ধর্মীয় অনুশাসন, নৈতিকতা, রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘আমার নামাজ আমার জীবন’, ‘রাজনীতির রাজচক্র’, ‘আজকের প্রেক্ষাপটে উলামায়ে কেরামের ঐক্য’, ‘শিশু-কিশোর ছড়া’, ‘অমুসলিম ভাই-বোনও জামায়াতে ইসলাম করতে পারে’, ‘ভোট একটি পবিত্র আমানত’ এবং ‘আদর্শ নাগরিক সৃষ্টিতে রোজার ভূমিকা’।

এ ছাড়া তাঁর রচিত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘শেষ জানাজা’, ‘অন্তরালে’ ও ‘প্রতিশোধ’। এসব লেখায় ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও নৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক ফুটে উঠেছে। সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চার মধ্য দিয়েও তিনি তাঁর বহুমুখী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।

এদিকে তাঁর পুনর্নির্বাচনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বান্দরবানের বিভিন্ন স্তরের মানুষ ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন সেশনে তাঁর নেতৃত্বে জেলায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

পুনরায় জেলা আমির নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মময় জীবনের সফলতা কামনা করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেতাকর্মীরা।