দিল্লি ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন

দিল্লি ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য

দিল্লি ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য
ছবি সংগৃহীত।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি/সিজেপি), বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ও অন্যান্য সংগঠনের বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন প্রায় ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য অন্তত এক মাস দিল্লিতে অবস্থান করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, চলমান বিক্ষোভের পাশাপাশি সামনে উৎসবের মৌসুমের বিষয়টিকেও বিবেচনায় নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ সময় বাজার ও বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে মানুষের ভিড় বেড়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাই বিপুলসংখ্যক আধাসামরিক সদস্যের মোতায়েন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এদিকে দিল্লিতে বিক্ষোভের জন্য নতুন করে তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো—রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও সিবিডি ময়দান। এতদিন শহরের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত কেন্দ্রীয় এলাকায় অবস্থিত যন্তর মন্তর ছিল বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান। তবে এখন থেকে সেই স্বীকৃতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সূত্রের দাবি, নতুন নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত নিরীক্ষা শেষ হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের দিকে ইন্ডিয়া জোটের পদযাত্রা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দিতে আজ সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের দিকে পদযাত্রা করেন বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার নেতারা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র এ পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেন।

বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির সীমান্ত, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া জমায়েত ঠেকানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

শহরের সীমান্তবর্তী এলাকায় যানবাহনে তল্লাশি বাড়িয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি হোটেল, অতিথিশালা, লজ ও ধর্মশালায় পরিচয় যাচাইয়ের অভিযানও জোরদার করা হয়েছে।

২০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে নয়াদিল্লি জেলা

আধাসামরিক বাহিনীর পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের হাজার হাজার সদস্যকেও নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার সমন্বয়ের জন্য নয়াদিল্লি জেলাকে ২০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে।

প্রতিটি এলাকায় মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন যুগ্ম কমিশনার, উপকমিশনার ও অতিরিক্ত উপকমিশনার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা।

রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা

সোমবারের (১২ অক্টোবর) বিক্ষোভে আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কৌশল পরিবর্তন করেছে ইন্ডিয়া জোট। কর্মসূচিটিকে কেবল রাজনৈতিক প্রতিবাদ হিসেবে তুলে না ধরে ‘গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। তবে পরে কর্মসূচির বার্তায় পরিবর্তন এনে শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকেও এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা প্রস্তুতি, বিক্ষোভস্থল পরিবর্তন ও বিপুলসংখ্যক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন—সব মিলিয়ে দিল্লিতে আগামী কয়েক সপ্তাহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি




শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই

শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভেনথাম নাভি পিলাই
ছবি সংগৃহীত।

চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন মানবাধিকার কর্মী নাভেনথাম নাভি পিলাই। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার দিকে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

নোবেল কমিটি জানিয়েছে, শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টার কারণে তাকে সম্মানজনক এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

কমিটি আরও জানিয়েছে, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যাকারীরা যেন বিচারের মুখোমুখি হয় সেটি নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নাভেনথাম।

দক্ষিণ আফ্রিকায় যখন বর্ণ বৈষম্য চলছিল তখন ডারবানে ভারতীয় বংশোদ্ভূত তামিল পরিবারে জন্ম হয় নাভেনথামের। তিনি পরবর্তীতে আইনজীবী ও আইনি ক্ষেত্রে অগ্রদূত হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

তিনি সমাজে থাকা অবকাঠামোগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় বর্ণবাদবিরোধী নেলসন ম্যান্ডেলাসহ অন্যান্যদের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন জীবনের শুরুতে। এরপর বিচারক হিসেবে কাজ করেছেন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সব আদালতে।

তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের বিচারকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে কাজ করেছেন।


সম্প্রতি তিলি ফিলিস্তিনের দখলকৃত ভূখণ্ডে দখলদার ইসরায়েলের অপরাধ তদন্তে গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশনেও কাজ করেছেন।

আর বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে আছেন যেখানে গণহত্যায় অভিযুক্ত মিয়ানমারের বিচার চলছে।

এরআগে গত বছর শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো।

ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং দেশটিকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে একনায়কতন্ত্র থেকে গণতান্ত্রিক পথে নেওয়ার আন্দোলনের জন্য তাকে নোবেল দেওয়া হয় বলে জানায় নোবেল কমিটি।

২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন পাকিস্তানের মালালা ইউসুফ জাই। তার চেয়ে কম বয়সে আর কেউ নোবেলে ভূষিত হয়নি। অপরদিকে ১৯৯৫ সালে ৮৬ বছর বয়সে নোবেল পেয়েছিলেন জোসেফ রোটব্লাট।

নোবেল কমিটি বলেছে এ বছর নাভেনথামকে নোবেলে ভূষিত করে তারা বিশ্বকে মনে করিয়ে দিতে চান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন মিলে সেই সিস্টেম গড়ে তোলে যেগুলো দিয়ে আমরা অসহিংসভাবে দ্বন্দ্বের সমাধান এবং শান্তি সমুন্নত রাখতে পারি।




বাব এল মান্দেব প্রণালির পুরো নিয়ন্ত্রণ নিলো ইয়েমেনি বাহিনী

বাব এল মান্দেব প্রণালির পুরো নিয়ন্ত্রণ নিলো ইয়েমেনি বাহিনী
ছবি সংগৃহীত।

লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট বাব এল মান্দেব প্রণালির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে নিয়েছে ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী। এরসঙ্গে প্রণালিতে থাকা পেরিম দ্বীপও পুনর্দখল করেছে তারা।

ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর টানা কয়েকদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর হুথিরা প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। এর আগে এক মাস আগে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে বাব এল মান্দেব ও পেরিম দ্বীপ দখল করেছিল তারা।

এরমধ্যে ধুরাব এলাকার কাছে হুথিদের একাধিক যোদ্ধাকে আটক করেছে সরকারি বাহিনী।

ইয়েমেনের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে গত সপ্তাহে অভিযান শুরু করে ইয়েমেনি বাহিনী। তাদের লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলো পুনর্দখল করা, যেখান থেকে বাব এল মান্দেব প্রণালিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সামুদ্রিক রুট।

হুথিরা প্রণালিটি দখল করার পর সৌদি আরবের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছিল।

সরকারি বাহিনীর একটি সূত্র শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জানিয়েছে, যখন তাদের সেনারা বাব এল মান্দেব নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছিল তখন হুথিরা ব্যাপক হামলা চালিয়ে তাদের থামানোর চেষ্টা করে। এ সময় মিসাইল ও ড্রোন ছুড়ে বিদ্রোহীরা। তবে তাদের হামলা প্রতিহত করা হয় এবং অপারেশন ডন অব ইয়েমেনের অধীনে লড়াই অব্যাহত থাকে।

বাব এল মান্দেব লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করেছে। পেরিম দ্বীপটি প্রণালির ঠিক প্রবেশদ্বারে অবস্থিত। ফলে এটি সেখানকার আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: আল-আরাবিয়া




রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী
ছবি সংগৃহীত।

চলতি বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন ফরাসি ও জাপানিজ দুই বিজ্ঞানী। তারা হলেন ফরাসি রসায়নবিদ হেনরি কাগন এবং জাপানি রসায়নবিদ কেনসো সোয়াই।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রসায়নের ওই দুই নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স বলেছে, জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অরৈখিক প্রভাব এবং অসমমিত সংশ্লেষণে স্বয়ংক্রিয় অনুঘটন প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য চলতি বছর হেনরি কাগন ও কেনসো সোয়াইকে রসায়নের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো কিছু অণুর অস্তিত্ব আলাদা দুটি ভ্যারিয়েন্টে থাকে। যেগুলো একে অপরের প্রতিচ্ছবি। কিন্তু জীবদেহে একটি মাত্র প্রতিচ্ছবিই থাকে। এ ধরনের রাসায়নিক অসামঞ্জস্যতা কীভাবে তৈরি হলো, তা রসায়নবিদদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে একটি রহস্য ছিল। আর এই রহস্য ভেদ করার জন্যই এ বছর এ দুই বিজ্ঞানীকে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

জীবনের রসায়নকে রসায়নবিদরা ‘হোমোকাইরাল’ বলেন, যা গ্রিক শব্দ “একই” এবং “হাত” থেকে এসেছে। হাতের মতো, সব অ্যামিনো অ্যাসিড দুটি আয়না রূপেই থাকে, কিন্তু এর মধ্যে কেবল একটি রূপই আপনার কোষের প্রোটিনে পাওয়া যায়। অন্যটি প্রকৃতিতে খুব একটা পাওয়া যায় না।

হোমোকাইরাল কীভাবে তৈরি হতে পারে, তা রসায়নবিদরা দীর্ঘকাল ধরে ভেবেছিলেন। যখন তারা এমন রাসায়নিক বিক্রিয়া নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন যা দুটি আয়না অণু তৈরি করতে পারে, তখন তারা টেস্টটিউবে সবসময় দুটির সমান পরিমাণই পেতেন। তবে রসায়নবিদরা কেবল একটি আয়না প্রতিবিম্ব তৈরি করার চেষ্টা করতেন; কারণ জীবন্ত প্রাণীদের সাথে মিথস্ক্রিয়া করবে এমন অণু তৈরির ক্ষেত্রে—যেমন ওষুধে—কেবল একটি প্রতিবিম্বই কাঙ্ক্ষিত ফল দেয়।

২০২৬ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার এমন আবিষ্কারগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে যা রসায়নবিদদের এমন রাসায়নিক বিক্রিয়া চালাতে সক্ষম করেছে যা হোমোকাইরাল রূপ তৈরি করে।

এক্ষেত্রে ১৯৮৬ সালে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন হেননি কাগান। তিনি রাসায়নিকের প্রতিক্রিয়া বদলে দেওয়ার নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এতে করে তিনি একটি প্রতিচ্ছবির ওপর ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ পান, যা আগে সম্ভব হিসেবে ধারণা করা হতো।

অপরদিকে কেনসো সোয়াই ১৯৯৫ সালে পরবর্তী পদক্ষেপ নেন। তিনি একটি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানান তিনি কীভাবে প্রথমবারের মতো এমন রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া ডিজাইন করেছেন যা সম্ভাব্য হোমোকাইরাল ছিল। ২০০৩ সালে তিনি এতে চূড়ান্ত সাফল্য পান। তিনি এমন একটি প্রতিক্রিয়া দেখান যেখানে সম্ভাব্য একটি প্রতিচ্ছবি তৈরি হয়েছিল। জীব ছাড়া এরআগে কেউ কখনো এই সাফল্য পাননি।

এর আগে, গত বছর রসায়নে নোবেল জেতেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন এবং ওমর এম ইয়াগি। ‘মেটাল অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক’ উদ্ভাবনের কারণে তাদের ওই বছর রসায়নে নোবেল দেওয়া হয় বলে জানায় সুইডিশ অ্যাকাডেমি।

এখন পর্যন্ত রসায়নে ১১৭ বার নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এ ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে ২০১৮ সালে ৯৭ বছর বয়সে নোবেল জেতেন জন বি গুডএনাফ। অপরদিকে ১৯৩৫ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে সম্মানজনক এ পদক জেতেন ফেদ্রিক জোলিয়ট। সব মিলিয়ে ১৯৮ জন এ রসায়নশাস্ত্রে সর্বোচ্চ সম্মানজনক এ পদক পেয়েছেন।

১৯০১ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার নোবেল। এ পুরস্কারটির নামকরণ করা হয়েছে সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নাম অনুসারে। ঊনবিংশ শতকের এই বিজ্ঞানী শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিনামাইট আবিষ্কার করে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছিলেন। তিনি উইল করে গিয়েছিলেন যে তার যাবতীয় অর্থ থেকে যেন প্রতি বছর পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্য— এই ৫টি খাতে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই পুরস্কারের নামকরণ হবে তার নামে। ১৯৬৯ সাল থেকে এই ৫ বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয় অর্থনীতিও।