আজ মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল ২০২৪, ১৭ই বৈশাখ ১৪৩১

নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতির পিতার ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন।

মোঃ ইফসান খান ইমন, নাইক্ষ‍্যংছড়ি : | প্রকাশের সময় : রবিবার ১৭ মার্চ ২০২৪ ১০:৩৪:০০ অপরাহ্ন | পার্বত্য চট্টগ্রাম

সারাদেশে ন্যায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন করা হয়েছে।

 এবারে প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে "বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ধরে, আনব হাসি সবার ঘরে।

রবিবার (১৭ই মার্চ) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে (বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল) সকল সরকারি,আধা সরকারি, ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা কর্তৃক অংশগ্রহণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

পুস্পস্তবক অর্পণের পর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গন হতে নাইক্ষ্যংছড়ি বাজার এলাকার হয়ে পুনরায় উপজেলা প্রাঙ্গনে এসে রঙিন সাজে সজ্জিত শিশুদের উপস্থিতিতে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। 

বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মিলনায়তন সভা কক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা এবং শিশুদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন কমিটি সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ জাকারিয়া । এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলাপরিষদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ালীগের সাধারণ সম্পাদক ক্যানোওয়ান চাক,নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আব্দুল মান্নান,উপজেলা কৃষি অফিসার ইনামুল হক, উপজেলা নির্বাচন অফিসার আরমান ভুইঁয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষাঅফিসার ত্রিরতন চাকমা,দোছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মো: ইমরানপ্রমুখ। 

এছাড়া দফতরের কর্মকর্তা কর্মচারী, সাংবাদিক,শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

 

জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির কামনা করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলাধীন সকল মসজিদে বাদ জোহর সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।