মাদক মামলার জামিন চাইতে গিয়ে কারাগারে চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

মাদক মামলার জামিন চাইতে গিয়ে কারাগারে চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন

মাদক মামলার জামিন চাইতে গিয়ে কারাগারে চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন
মো. সোহেল উদ্দিন সুমন

মাদক মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করতে গিয়ে জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় কারাগারে যেতে হয়েছে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার জুঁইদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সোহেল উদ্দিন সুমন প্রকাশ ‘ইয়াবা সুমন’-কে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জজকোর্টের এই মামলার রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মোহাম্মদ রবিউল। এর আগে গত সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা জজকোর্ট সুমনের জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি জানাজানি হলে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এর আগে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নে পরোয়ানাভুক্ত ও মাদক মামলার আসামিকে চেয়ারম্যান পদে প্রচারণা চালাতে দেখে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমন যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ইয়াবা ব্যবসা শুরু করেন। এরপর তাঁকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি; রাতারাতি কোটিপতির তালিকায় নাম লেখান তিনি। ২০২৪ সালের আন্দোলনের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুবাদে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থেকে বাঁচতে সুমন সম্প্রতি ঢাকার জজকোর্টে জামিন নিতে যান। মামলার শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট বিচারক আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মো. সোহেল উদ্দিন সুমন জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের মো. বদিউর আলমের পুত্র। তাঁর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এলাকায় তিনি ‘ইয়াবা সুমন’ হিসেবে বেশ পরিচিত।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার কাফরুল থানা পুলিশ সুমনকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে কারাগারে পাঠায়। পরে মামলাটিতে তিনি জামিনে মুক্ত হলেও নিয়মিত হাজিরা না দেওয়ায় আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং তিনি এতদিন পলাতক ছিলেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের প্রার্থনা করতে গেলে শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠান।

এ ঘটনায় জেলা পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, আসামির বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁকে কঠোর নিরাপত্তায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এলাকার সচেতন নাগরিক ও সাধারণ ভোটারদের অভিযোগ, একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি বা মামলার আসামি যদি জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন, তবে এলাকার সামাজিক পরিবেশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। যুবসমাজ আরও বেশি মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ার চরম আশঙ্কা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “আমরা একজন পরিচ্ছন্ন ও সৎ প্রতিনিধি চাই। কোনো অপরাধী বা মাদক কারবারিকে আমরা প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাই না।”

ঢাকা জজকোর্টের এই মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ রবিউল বলেন, “ঢাকার কাফরুল থানার একটি মাদক মামলায় পরোয়ানাভুক্ত মো. সোহেল উদ্দিন সুমন দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গত সোমবার দুপুরে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করতে আসেন। মামলার শুনানি শেষে বিচারক আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলাটি পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।”




লোহাগাড়ায় তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

লোহাগাড়ায় তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়ায় ২২ বছর বয়সী কক্সবাজারের রামুর এক তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা সড়াইয়া এলাকার হারিছ মিয়া (৩৯) ও মো. এহছান (২৬) এবং সড়াইয়া এয়াছিনপাড়া এলাকার মো. নজরুল ইসলাম (২০)। তাদের মধ্যে হারিছ মিয়া ও এহছান মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ছয় মাস আগে মোবাইল ফোনে ভুল নম্বরে যোগাযোগের মাধ্যমে ওই তরুণীর সঙ্গে এহছানের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এহছান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে লোহাগাড়ায় নিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, শনিবার (২৪ অক্টোবর) কক্সবাজারের রামু থেকে রওনা দিয়ে রাত ১১টার দিকে কেরানীহাটে পৌঁছান ওই তরুণী। সেখান থেকে এহছান তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের ফারাঙ্গা এলাকার ইলিয়াস চৌধুরীর বাগানে নিয়ে যান।

মামলার বিবরণে আরও উল্লেখ করা হয়, বাগানের ভেতরে তমিজ নামের এক ব্যক্তির থাকার জন্য নির্মিত টিনের ছাউনিযুক্ত মাটির ঘরে তরুণীকে আটকে রাখা হয়। সেখানে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে হারিছ মিয়া ও এহছান ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ২৪ অক্টোবর রাত ১টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রশান্ত কুমার ভৌমিক জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে এ ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।




সাতকানিয়ার ছদাহা আফঝল নগর হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী আগামী ৩১ অক্টোবর

সাতকানিয়ার ছদাহা আফঝল নগর হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী আগামী ৩১ অক্টোবর
ছবি সংগৃহীত।

পবিত্র কুরআনের আলোয় চারপাশ আলোকিত করতে এবং তরুণ প্রজন্মের মাঝে কুরআনের নূর ছড়িয়ে দিতে আগামী ৩১ অক্টোবর, শনিবার সকাল থেকে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘আফঝল নগর হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা’। দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন হিফজখানা থেকে কুরআনের কচি প্রাণ হাফেজরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবেন।

প্রতিযোগিতা শেষে একই দিন বিকেল ৩টায় বর্ণিল এক আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

তাহফিজুল কোরআন রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চন্দনাইশ সাতবাড়িয়া দরবারের পীর শাহ আবদুল হালিম রশিদী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন জেলা জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী। এছাড়া বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশবরেণ্য আলেমে দ্বীন অধ্যাপক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ কাদেরী এবং মাওলানা মোরশেদুল আলম।

উক্ত আয়োজনে দেশের বরণ্য ইসলামী চিন্তাবিদ, প্রখ্যাত আলোচক এবং স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন তাহফিজুল কোরআন রিসার্চ সেন্টারের সম্মানিত সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন।

কুরআনের হাফেজদের প্রতিভা বিকাশ, তাঁদের উৎসাহ প্রদান এবং দ্বীনি পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত এই মহতী অনুষ্ঠানটি সফল ও সার্থক করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমান, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিত থাকার জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।




আধুনগর খাঁনহাট বাজার উন্নয়ন কমিটি নির্বাচনে সভাপতি রাসেল, সম্পাদক করিম

আধুনগর খাঁনহাট বাজার উন্নয়ন কমিটি নির্বাচনে সভাপতি রাসেল, সম্পাদক করিম
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর খাঁনহাট বাজার উন্নয়ন কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে মাঈনুদ্দিন হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি পদে ডা. হায়াত মাহমুদ খান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রেজাউল করিম নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আধুনগর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার দুটি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রার্থীরা অংশ নেন। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মীর ইমরান হোসেন ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন। সভাপতি পদে মাঈনুদ্দিন হাসান রাসেল ২০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১৭৬ ভোট। অপর প্রার্থী মো. আবু নওশদ চৌধুরী পেয়েছেন ৩৮ ভোট।

সহ-সভাপতি পদে ডা. হায়াত মাহমুদ খান ২২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহি উদ্দিন পেয়েছেন ১৮৯ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে রেজাউল করিম ২২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খোরশেদ আলম পেয়েছেন ১৮৮ ভোট। এ ছাড়া কমিটির বিভিন্ন পদে আরও ১১ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, বাজারের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নিয়ে উন্নয়ন কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই। ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধান, বাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়াই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

নবনির্বাচিত সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান রাসেল বলেন, খাঁনহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোটাররা আমাকে যে আস্থা ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। বাজারের সার্বিক উন্নয়ন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজীদ বিন আখন্দ ও লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ।

ইউএনও মো. বায়েজীদ বিন আখন্দ বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও ভোটারদের সহযোগিতায় সুন্দর পরিবেশ বজায় থাকলে বাজারের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মীর ইমরান হোসেন। নির্বাচন কমিশনের সদস্য ছিলেন মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন ও নোমানুল হক। ভোটগ্রহণ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।