রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪
ছবি সংগৃহীত।

রংপুরের মিঠাপুকুরে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাগীগঞ্জ এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার মোজাফফর রহমান (৩৫) ও গোলাপী বেগম (৪৮) এবং উলিপুর উপজেলার বাসিন্দা বাসের সহকারী আপেল মাহমুদ (২৫)। নিহত অপর একজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

বড়দরগা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার ফজরের নামাজের পর বৈরাগীগঞ্জ শাহ আমানত পেট্রোল পাম্পের বিপরীত পাশে মাজার মসজিদের সামনে মাটিভর্তি একটি ডাম্প ট্রাক দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীগামী খান এন্টারপ্রাইজের একটি যাত্রীবাহী বাস দ্রুতগতিতে এসে ট্রাকটির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের এক যাত্রী মারা যান।

দুর্ঘটনার পর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়।

বড়দরগা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে একজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ৩ জনসহ মোট ৪ জন মারা গেছেন। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও জানান তিনি।




৮০ লাখ টাকার কাপড় নিয়ে উধাও, চারদিন পর খালি ট্রাক উদ্ধার; গ্রেপ্তার ২

৮০ লাখ টাকার কাপড় নিয়ে উধাও, চারদিন পর খালি ট্রাক উদ্ধার; গ্রেপ্তার ২
ছবি সংগৃহীত।


চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডে নেওয়ার পথে প্রায় ৮০ লাখ টাকা মূল্যের ১৯৭ রোল আমদানি করা কাপড় উধাও হওয়ার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি


বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর থানার বড়পুল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবির দাবি, তারা গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানায় করা মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন মোহাম্মদ গোলাম রহমান মুন্না (৪৬) ও মোহাম্মদ আমানুল্লাহ (৬৩)। এসআরবি-৭, চট্টগ্রামের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের হালিশহর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মামলার এজাহার ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘মাইশা এন্টারপ্রাইজ, শাহরিয়ার অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড’ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য পরিবহনের কাজ করে। গত ৮ অক্টোবর বিকেল পাঁচটার দিকে প্রতিষ্ঠানটির বেতনভুক্ত চালক মো. ইয়াসিন একটি মালবাহী গাড়িতে ১৯৭ রোল আমদানি করা কাপড় নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের উদ্দেশে রওনা হন। কাপড়গুলো ইপিক গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেডের জন্য পাঠানো হচ্ছিল। এসব কাপড়ের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ লাখ টাকা।

পণ্যবাহী গাড়িটির অবস্থান জিপিআরএসের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছিল পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠানটি। ওই দিন রাত ১১টার দিকে গাড়িটির অবস্থান যাত্রাবাড়ী এলাকায় দেখতে পায় কর্তৃপক্ষ। পরে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে গাড়িটি তেজগাঁও এলাকায় রয়েছে বলে জানা যায়। নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে গাড়িটি ঢাকার দিকে চলে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়।

এরপর চালক ইয়াসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গাড়ির বৈদ্যুতিক তারের সমস্যার কথা জানান। একই সঙ্গে তার মুঠোফোন নষ্ট হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি। পরে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।


কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে গত ১২ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার মাছিমপুর এলাকায় কামারপাড়া-স্টেশন রোডে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ফটকের পাশে গাড়িটি খুঁজে পায়। তবে গাড়িতে কোনো মালামাল ছিল না।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, চালক ইয়াসিন অজ্ঞাত পরিচয় আরও চার-পাঁচজনের সঙ্গে যোগসাজশ করে কাপড়গুলো সরিয়ে অন্যত্র বিক্রি করেন। এ ঘটনায় ‘মাইশা এন্টারপ্রাইজ, শাহরিয়ার অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড’-এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে ১৩ অক্টোবর টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

এসআরবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি মুন্না ও আমানুল্লাহ চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের বড়পুল এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বিকেল পাঁচটা ৪০ মিনিটের দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের হালিশহর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
 




বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ

বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বান্দরবান। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে যখন অনেকেই নীরব, তখন কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে নয়; বরং নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবানের একদল তরুণ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ক্যাচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ৯০টিরও বেশি দুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারের হাতে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, তারা কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বান্দরবানের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগ দেখে কয়েকজন বন্ধু ও শিক্ষার্থী নিজেদের মধ্যে অর্থ সংগ্রহ করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তারা ত্রাণসামগ্রী কিনে দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।
তাদের ভাষ্য, “এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আমরা জানি, এই সহায়তা সব মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবুও যারা অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন, তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগের সময় মানবতার কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসে, তাহলে বান্দরবানের এই সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হবে।”
তারা আরও বলেন, “আমরা কোনো সংগঠন নই এবং কারও সহযোগিতার অপেক্ষায়ও ছিলাম না। নিজেদের সাধ্যমতো অর্থ সংগ্রহ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। এটি আমাদের কার্যক্রমের শুরু মাত্র। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের সময় সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। তরুণদের এই উদ্যোগ অন্যদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উদ্যোক্তারা বান্দরবানের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে হলেও সবাই এগিয়ে এলে আরও বেশি মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।




সংশোধনী

সংশোধনী
ছবি সংগৃহীত।


দৈনিক সাঙ্গু ফেইসবুক ফেইজে গতকাল চট্টগ্রামে কলেজ ভার্সিটির মেয়েরা জড়িয়ে পড়ছে দে/হ ব্যবসায় শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। রিপোটের শুরুতেই ইউটিউব থেকে সংগৃহিত দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার- মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম আরিফের ভয়েস ও চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মুলত সংগৃতি হয়েছে ইউটিউব থেকে । রিপোর্টটিতে তাকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার তিনি তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। আমরা তার বক্তব্যের অংশটুকু প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। ভবিষতে এই বিষয়ে আমরা আরো সর্তক হবো। বার্তা সম্পাদক