হাটহাজারীতে ভয়াবহ আগুনে পুড়লো ৬ বসতঘর
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

হাটহাজারীতে ভয়াবহ আগুনে পুড়লো ৬ বসতঘর

হাটহাজারীতে ভয়াবহ আগুনে পুড়লো ৬ বসতঘর
ছবি সংগৃহীত।

হাটহাজারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চার পরিবারের ছয়টি বসতঘর পুড়ে শেষ হয়ে গেছে।ভয়াবহ আগুনে ঘরের আসবাবপত্র ও মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সোমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, দুপুরের আগে হঠাৎ একটি বসতঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আগুন নেভাতে স্থানীয়রা প্রথমে চেষ্টা চালান। পরে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসে। হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এতে আশপাশের বেশ কয়েকটি বসতঘর রক্ষা পায়।

এর আগেই আগুনের তীব্রতায় প্রতিভা রানী নাথের বাড়ির ভাড়াটিয়া খোকন মজুমদার, মিলন দে ও তপু দাশের বসতঘরসহ বাড়ির মালিকের একটি স্টোররুম পুড়ে যায়। সব মিলিয়ে ছয়টি ঘর আগুনে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর আশপাশের ঘরগুলো রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
 




অবৈধ সার মজুত করে অতিরিক্ত দামে কৃষকের কাছে বিক্রি: অভিযানে অর্থদণ্ড ও সার জব্দ

অবৈধ সার মজুত করে অতিরিক্ত দামে কৃষকের কাছে বিক্রি: অভিযানে অর্থদণ্ড ও সার জব্দ
রাউজানে জব্দ করা সার কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুম কবির।

রাউজানে অনুমোদন ছাড়া সার বিক্রি, মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দ করা সার কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাউজান উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ন্যায্যমূল্যে সার বিক্রির উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাসুম কবির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মাহফুজ আলম সরকার, উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার সুশীলসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য, অভিযানে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও ৯০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছিল। সারের মধ্যে ছিল টিএসপি সার ৫৯ বস্তা, ডিএপি সার ১০ বস্তা ও এমওপি সার ২১ বস্তা; যার মূল্য প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার টাকা।




রাউজানে অতিরিক্ত দামে কৃষকের কাছে সার বিক্রির অভিযোগ: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অর্থদণ্ড ও সার জব্দ

রাউজানে অতিরিক্ত দামে কৃষকের কাছে সার বিক্রির অভিযোগ: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অর্থদণ্ড ও সার জব্দ
ছবি সংগৃহীত।

রাউজানে অনুমোদন ছাড়া সার বিক্রি, মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে কৃষকের কাছে বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের ফকিরহাটের আরফান সিকদারের দোকানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায়সহ ৯০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সারের মধ্যে রয়েছে ৫৯ বস্তা টিএসপি, ১০ বস্তা ডিএপি ও ২১ বস্তা এমওপি সার। জানা গেছে, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার সুশীল, এনএসআই কর্মকর্তা টিবলু বড়ুয়াসহ রাউজান থানা-পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

অভিযান পরিচালনা শেষে রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অনুমোদন ছাড়া সার বিক্রি, মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে কৃষকের কাছে বিক্রির অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। অর্থদণ্ডের পাশাপাশি অবৈধভাবে বিক্রির জন্য মজুত করা সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। কৃত্রিম সারসংকট ও অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি ঠেকাতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার সুশীল বলেন, এখন চাষের ভরা মৌসুম চলছে। এই অবস্থায় কিছু ডিলার নামধারী ব্যক্তি সার মজুত করেছেন এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বলে আমরা খবর পেয়েছি। এই অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের বাঁচাতে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।




ফটিকছড়িতে ডেভিড ইমনের সহযোগী ‘টেস্টার মোবারক’ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

ফটিকছড়িতে ডেভিড ইমনের সহযোগী ‘টেস্টার মোবারক’ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশি অস্ত্রসহ মোহাম্মদ মোবারক হোসেন ওরফে ‘টেস্টার মোবারক’ (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার মোবারক শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’-এর সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

শনিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফটিকছড়ি থানার পুলিশ উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার চাইল্লাতলী কাশেম চেয়ারম্যানের টিলার একটি টংঘরে অভিযান চালায়। এ সময় মোবারককে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই টংঘরে দেশি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের অন্য সদস্যরা কৌশলে গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মোবারককে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার মোবারক কাঞ্চননগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মানিকপুর টিলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার আবু তাহেরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, মোবারকের জিম্মা থেকে দুটি কাঠের বাটযুক্ত লোহার ধারালো ছোরা (তরবারি), একটি স্টিলের হাতলযুক্ত লোহার ধারালো রামদা, একটি কাঠের বাটযুক্ত ধারালো রামদা, একটি লোহার শাবল, একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের বাটযুক্ত ধারালো ছুরি, একটি কাঠের বাটযুক্ত ধারালো ধামা, একটি কাঠের বাটযুক্ত ধারালো দা, একটি এসএস পাইপ ও একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়েছে।

ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল আলম খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশি অস্ত্রসহ মোবারক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।