রাউজানে অতিরিক্ত দামে কৃষকের কাছে সার বিক্রির অভিযোগ: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অর্থদণ্ড ও সার জব্দ

রাউজানে অনুমোদন ছাড়া সার বিক্রি, মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে কৃষকের কাছে বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের ফকিরহাটের আরফান সিকদারের দোকানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায়সহ ৯০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সারের মধ্যে রয়েছে ৫৯ বস্তা টিএসপি, ১০ বস্তা ডিএপি ও ২১ বস্তা এমওপি সার। জানা গেছে, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার সুশীল, এনএসআই কর্মকর্তা টিবলু বড়ুয়াসহ রাউজান থানা-পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
অভিযান পরিচালনা শেষে রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অনুমোদন ছাড়া সার বিক্রি, মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে কৃষকের কাছে বিক্রির অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। অর্থদণ্ডের পাশাপাশি অবৈধভাবে বিক্রির জন্য মজুত করা সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। কৃত্রিম সারসংকট ও অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি ঠেকাতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার সুশীল বলেন, এখন চাষের ভরা মৌসুম চলছে। এই অবস্থায় কিছু ডিলার নামধারী ব্যক্তি সার মজুত করেছেন এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বলে আমরা খবর পেয়েছি। এই অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের বাঁচাতে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।











