পুরোনো আইন দিয়ে নতুন অপরাধ মোকাবিলা সম্ভব নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন

পুরোনো আইন দিয়ে নতুন অপরাধ মোকাবিলা সম্ভব নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরোনো আইন দিয়ে নতুন অপরাধ মোকাবিলা সম্ভব নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

অপরাধের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আইনও পরিবর্তন করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, পুরোনো আইন দিয়ে নতুন ধরনের অপরাধ মোকাবিলা সবসময় সম্ভব হয় না। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী নতুন আইন প্রণয়ন ও বিদ্যমান আইন সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনলাইন ও সাইবার স্পেসে জুয়ার বিস্তারের উদাহরণ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুরোনো আইনের পাশাপাশি সময়ের চাহিদা অনুযায়ী নতুন আইন প্রণয়ন ও বিদ্যমান আইন সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে আইন দুর্বল হলে আসামিকে গ্রেপ্তারের পরও দ্রুত জামিন বা মুক্তির সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই অপরাধের ধরন ও সমাজের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করতে হবে।

জুয়া-মাদক অনেক অপরাধের মূল কারণ

বর্তমানে সংঘটিত অনেক অপরাধের পেছনে জুয়া ও মাদককে অন্যতম মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, শুধু অপরাধ সংঘটনের পর অপরাধীকে গ্রেপ্তার, বিচার ও শাস্তি দিলেই অপরাধ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার মূল কারণ খুঁজে বের করে তা মোকাবিলা করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধ দমনে শুধু অপরাধ সংঘটনের পর ব্যবস্থা নিলে হবে না, অপরাধের মূল কারণ খুঁজে বের করতে হবে। সমাজকে বিশ্লেষণ ও গবেষণা করে দেখতে হবে কেন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। অনেক গুরুতর অপরাধের পেছনে মাদকাসক্তি ও জুয়ার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

অপরাধকে একটি উপসর্গ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপরাধ হচ্ছে একটা উপসর্গ। দেখা যাচ্ছে অপরাধের কিন্তু রোগ হচ্ছে অন্য জায়গায়। অপরাধের মূল কারণ চিহ্নিত করে সেখানে ব্যবস্থা নিতে পারলে অপরাধের হার কমানো সম্ভব।

তিনি বলেন, জুয়া ও মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনা গেলে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধও কমানো সম্ভব হতে পারে।

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আধুনিক ইউনিট

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ডিজিটাল ও সাইবার স্পেসে অপরাধের বিস্তার বাড়ায় অপরাধ শনাক্তকরণে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা ও তথ্য বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে শিগগিরই আধুনিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং বিভাগীয় পর্যায়ে আধুনিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট ও ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

জেলা পর্যায়েও সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। থানা ও উপজেলা পর্যায়েও এ বিষয়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা রাখার কথা বলেন মন্ত্রী।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালনা বোর্ডের সভায়ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

ঝুঁকিতে থাকা ক্রাইম রিপোর্টারদের সহায়তার উদ্যোগ

ক্রাইম রিপোর্টিং করতে গিয়ে সাংবাদিকরা ঝুঁকির মুখে পড়লে তাদের সহায়তার জন্য সরকারি বা করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) মাধ্যমে কোনো ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা সরকারিভাবে চেষ্টা করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঝুঁকি নিয়ে ক্রাইম রিপোর্টিং করতে গিয়ে কোনো সাংবাদিক ক্ষতিগ্রস্ত বা আহত হলে তাদের সহযোগিতার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কিংবা সিএসআর প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।

ক্রাইম রিপোর্টারদের কাজের ধরন অন্য অনেক বিটের সাংবাদিকদের চেয়ে আলাদা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এটি অনেকাংশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অংশ এবং এ ধরনের সাংবাদিকতায় ঝুঁকিও রয়েছে। অপরাধের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকদেরও প্রযুক্তি ও নতুন ধরনের অপরাধ সম্পর্কে দক্ষতা বাড়াতে হবে।

ক্রাইম রিপোর্টারদের জন্য সনদের কথা

ক্রাইম রিপোর্টারদের জন্য সনদ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ঝুঁকিপূর্ণ কাজে রিপোর্টিং ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে সনদ দেওয়া যায় কি না, সেই বিষয়টি যাচাই করে দেখার কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের দায়িত্বের কথা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অপরাধ কমাতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতেও গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাংবাদিকদের রিপোর্টিংয়ে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকতে হবে। আইন প্রণয়ন, আইন প্রয়োগ, বিচারব্যবস্থা এবং সাংবাদিকদের ভূমিকা- সবকিছুর সমন্বয়ের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি ক্রাইম রিপোর্টারদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) মো. রাশেদ খাঁন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্।




গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি
ছবি সংগৃহীত।

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকে বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে, রক্তপাতের বিনিময়ে, আমাদের সন্তানদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা একটা ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে দীর্ঘকাল লড়াই করে একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছি। আমরা একটা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার একটা সুযোগ পেয়েছি। আজকে একটা নির্বাচন হয়েছে। অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে এখানে সরকার গঠন হয়েছে। এই সরকার চেষ্টা করছে অতিদ্রুততার সঙ্গে দেশকে কী করে একটা ভগ্নস্তূপ থেকে আবার জাগিয়ে তোলা যায়।

তিনি বলেন, আমি প্রায়ই আপনাদের বলতাম— আমরা যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করি, তারা অনেকটা আপনার ফিনিক্স পাখির মতো। ধ্বংস হয়ে যায়, সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

গণতন্ত্র রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্র পেয়েছি। গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আজকে যে বিরোধী দল আছে, সরকারি দল আছে— আমি মনে করি যে সরকারি দল, বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব হবে গণতান্ত্রিক অবস্থাকে টিকিয়ে রাখা। প্রধান দায়িত্ব হবে যে সংসদ আছে, সেই সংসদকে ফাংশনাল করা। তাকে যেন কাজ করে ঠিকমতো, সেইভাবে কাজ করার চেষ্টা করা। অন্যান্য বিষয়গুলোতে দ্বিমত থাকতে পারে। সেই দ্বিমতগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কিন্তু সমাধান করা সম্ভব।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি মনে করি যে আগামী দিনগুলোতে আমাদের যেমন আমরা অতীতে লড়াই করেছি গণতন্ত্রের জন্য, সামনের লড়াই হচ্ছে আমাদের দেশকে পুনর্গঠন করবার জন্য, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবার জন্য এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাদের জন্য একটা সত্যিকার অর্থেই একটা বাসযোগ্য আবাস যেন আমরা নির্মাণ করতে পারি। এই বিষয়গুলো আমাদেরকে সবসময় মনে রাখতে হবে। আমরা বারবার হোঁচট খেয়েছি। এই দেশের মানুষ বারবার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে, কিন্তু বারবার বাধা পেয়েছে। আজকে সেই সুযোগ এসেছে। সেই সুযোগ আমরা কখনো অবহেলায় একে না হারাই। এ কথাটা সবসময় আমাদেরকে মনে রাখতে হবে।

সিলেটের বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিলেটের কিছু সমস্যার কথা আপনারা বলেছেন। আমার মনে হয় আপনাদের মন্ত্রীবর্গ যারা আছেন, আপনাদের সদস্য যারা আছেন, তারা যথেষ্ট যোগ্য। এই বিষয়গুলো নিয়ে তারা কথা বলছেন, কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে শুনলেন যে অনেকগুলো বড় বড় কাজ ইতিমধ্যে সামনে চলে এসেছে। ইনশাআল্লাহ এই কাজগুলো এগিয়ে যাবে এবং এর মধ্যে দিয়ে আপনাদের জনগণের যে অনেক দিনের আকাঙ্ক্ষা, সে আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে নিশ্চয়ই।




স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: গুলশানে আ’লীগের মিছিলের বিষয়ে তথ্য ছিল, তবে পুলিশ আন্দাজ করতে পারেনি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: গুলশানে আ’লীগের মিছিলের বিষয়ে তথ্য ছিল, তবে পুলিশ আন্দাজ করতে পারেনি
ছবি সংগৃহীত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। তবে শুক্রবার পুলিশ হয়তো আন্দাজ করতে পারেনি যে ওই সময় ওই এলাকায় জুমার নামাজ পড়তে এসে তারা এরকম একটা কিছু করতে পারে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মাঝেমধ্যে বিভিন্ন অপতৎপরতা চালায়। এর অংশ হিসেবে ফজর নামাজের পর অল্পসংখ্যক লোক নিয়ে মিছিল করে ভিডিও ধারণের ঘটনা ঘটছে। তাদের কিছু অপতৎপরতা মাঝেমধ্যে দৃশ্যমান হয়। ফজরের নামাজের পর তারা দু-একটি মিছিল করে ভিডিও-টিডিও করে। অল্পসংখ্যক লোক নিয়ে এসব মিছিলের বিষয়টি আমরা দেখেছি।

গুলশানে মিছিলের বিষয়ে তিনি বলেন, দিনে বেলা ১১টার দিকে জুমার নামাজ আদায়ের কথা বলে সেখানে কিছু লোক জড়ো হয়েছিল। পরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সালহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের গোয়েন্দা তথ্য ছিল। কিন্তু শুক্রবার পুলিশ হয়তো আন্দাজ করতে পারেনি যে ওই সময় ওই এলাকায় জুমার নামাজ পড়তে এসে তারা এরকম একটা কিছু করতে পারে।

গুলশানের ঘটনাকে পুলিশের ব্যর্থতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেটাকে ব্যর্থতা বলার কোনো সুযোগ নাই। আমরা পরে ব্যবস্থা নিয়েছি, সেটা আপনারা জানেন।

গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কের কেএফসি-সংলগ্ন গলিতে কার্যক্রমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল করে। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে গেলে মিছিলকারীরা পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করে। এসময় দুজনকে গ্রেফতার ও পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অন্তত ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 




প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস: মঙ্গলবার রাত থেকেই সংকট দূর হয়ে গ্যাস-বিদ্যুৎ আগের অবস্থায় ফিরবে

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস: মঙ্গলবার রাত থেকেই সংকট দূর হয়ে গ্যাস-বিদ্যুৎ আগের অবস্থায় ফিরবে
ছবি সংগৃহীত।

নতুন করে তৈরি হওয়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকট আগামীকাল রাত থেকেই আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও ব্যবসায়ী ফজলুল হক।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ২০টি ব্যবসায়ী সংগঠনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ফজলুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কাল রাত থেকেই ইনশাআল্লাহ আমাদের নতুন করে যে সংকট তৈরি হয়েছে, এর আগের যে অবস্থায় আমরা ছিলাম, সেই অবস্থায় গ্যাস-বিদ্যুতের ওই অবস্থায় আমরা কাল রাতে ফিরে যেতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের মনে হয় যে, আজকের এই বৈঠকের সবচাইতে বড় প্রাপ্তি, সবচাইতে বড় স্বস্তির খবর।’