দৈনিক সাঙ্গুতে সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় পরিবারের পাশে আসিফ ইকবাল ও সুমন
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন

দৈনিক সাঙ্গুতে সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় পরিবারের পাশে আসিফ ইকবাল ও সুমন

দৈনিক সাঙ্গুতে সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় পরিবারের পাশে আসিফ ইকবাল ও সুমন
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানে অসুস্থ স্বামী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করা এক অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি আসিফ ইকবাল ও স্থানীয় বাসিন্দা হুমায়ূন কবির সুমন। ‘দৈনিক সাঙ্গু’ পত্রিকায় পরিবারটির দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশের পর তাঁরা পৃথকভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এ সময় পরিবারটিকে স্বাবলম্বী করতে ব্যবসা পরিচালনার প্রয়োজনীয় মালামাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে স্বামী অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে থাকায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন ওই পরিবারের গৃহিণী। অন্যদিকে শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানকে দেখাশোনার পুরো দায়িত্বও তাঁর ওপর। চরম অভাব-অনটনের কারণে খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল পরিবারটির জন্য। ফলে চরম অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়েই দিন কাটছিল তাঁদের।

সম্প্রতি ‘দৈনিক সাঙ্গু’তে পরিবারটির দুর্দশার খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি মানবিক ব্যক্তিবর্গের নজরে আসে। সংবাদের ইতিবাচক প্রভাবে পিসিসিপি সভাপতি আসিফ ইকবাল পরিবারটির পাশে দাঁড়ান এবং ব্যবসা শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল ও খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেন। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা হুমায়ূন কবির সুমনও নিজ উদ্যোগে পরিবারটিকে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দেন।

পিসিসিপি সভাপতি আসিফ ইকবাল বলেন,“অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। আমরা চাই, পরিবারটি যেন নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারে এবং ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের সংসার পরিচালনা করতে পারে। সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে অসহায় পরিবারগুলোর কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব।”

স্থানীয় বাসিন্দা হুমায়ূন কবির সুমন বলেন, “আমাদের যাঁর যতটুকু সামর্থ্য আছে, তা নিয়েই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। মানুষ মানুষের জন্য। একটি পরিবার যখন চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটায়, তখন তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমাদের সামান্য সহযোগিতায় যদি তাদের কষ্ট কিছুটা কমে,সেটাই হবে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে,অসহায় পরিবারটির দুর্দশা তুলে ধরার পর মানবিক মানুষের এভাবে এগিয়ে আসা এক প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত। সংবাদমাধ্যমে মানুষের দুর্ভোগের চিত্র সঠিকভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে অসহায় পরিবারগুলো নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারে।

আসিফ ইকবাল ও হুমায়ূন কবির সুমনের এ উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তাঁদের এই সহযোগিতা পরিবারটির চলমান সংকট মোকাবিলা করে আত্মনির্ভরশীল হতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির অভিযানে উদ্ধার হওয়া ২২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস

নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির অভিযানে উদ্ধার হওয়া ২২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধারকৃত ২২ কোটি ২৯ লাখ ১৭ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।

মাদক একটি নীরব ঘাতক, যা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে সামাজিক অবক্ষয় ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। মাদকের ভয়াবহ বিস্তার দেশের সামগ্রিক মানবসম্পদের ব্যবহার ও মানোন্নয়নের ক্ষেত্রগুলোকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষায় সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), হিরোইন ও গাঁজাসহ সব ধরনের মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদকবিরোধী নির্দেশনা বাস্তবায়নে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রেখে সর্বোচ্চ আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে তারা।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালকের দিকনির্দেশনা, কক্সবাজার রিজিয়ন সদর দপ্তর এবং রামু সেক্টর সদর দপ্তরের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই মাদকবিরোধী অভিযানসমূহ পরিচালিত হয়ে আসছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অন্যান্য যেকোনো সময়ের চেয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে।

উল্লেখ্য, নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিওপিসমূহ গত ১৪ আগস্ট ২০২৫ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ৭ লাখ ৪৩ হাজার ৫৮ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। জব্দকৃত এসব মাদকদ্রব্য গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ধ্বংস করা হয়। মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক, বান্দরবানের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য, নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) গত এক বছরে সর্বমোট ৭৩ কোটি ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামালসহ ৪৪ জন আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে বাংলাদেশ-মিয়ানমার স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং জনসচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে আগামী দিনগুলোতে মাদকবিরোধী অভিযানে সকলের সহযোগিতা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টা কামনা করেছেন—

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবির

পরিচালক ও অধিনায়ক

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)।




লামায় গ্রিন হিলের উদ্যোগে বিনামূল্যে মোবাইল হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

লামায় গ্রিন হিলের উদ্যোগে বিনামূল্যে মোবাইল হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার লামা পৌরসভার হরিণঝিরি পাড়ায় বন্যা-দুর্গত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গ্রিন হিলের উদ্যোগে বিনামূল্যে মোবাইল হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ক্যাম্পে ১৪২ জন সাধারণ রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ২২ জন গর্ভবতী মা-কে দেওয়া হয় মাতৃস্বাস্থ্যসেবা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) লামা পৌরসভার হরিণঝিরি পাড়ায় দিনব্যাপী এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) আর্থিক সহযোগিতা এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় ক্যাম্পটির আয়োজন করে গ্রিন হিল।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “Strengthening Maternity and Child Health Services Delivery for the Marginalized Community in Bandarban through Green Hill – Emergency Response” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো বন্যা-দুর্গত, দুর্গম ও স্বাস্থ্যসেবাবঞ্চিত এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া।

স্বাস্থ্য ক্যাম্পে সাধারণ ও অন্যান্য রোগীদের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে লামা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (সিএইচএফপি) ডা. বাপ্পি মারমা সাধারণ রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। এ ছাড়া উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সঞ্জয় দাশ, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) শামশুন নাহার লিপি এবং পরিবার কল্যাণ সহকারী (এফডব্লিউএ) চম্পা রানী রুদ্র স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে অংশ নেন।

ক্যাম্পে এসএমসিএইচএসডি প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসারসহ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের বিনামূল্যে মোবাইল হেলথ ক্যাম্প আয়োজনের ফলে দুর্গম ও বন্যা-দুর্গত এলাকার মানুষ সহজেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে গর্ভবতী মায়েদের মাতৃস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, গ্রিন হিলের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে লামা উপজেলার প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস এবং দুর্গম এলাকার মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম কার্যকর অবদান রাখবে।




লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও নৃশংসতার স্মরণে লামায় জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল

লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও নৃশংসতার স্মরণে লামায় জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল
ছবি সংগৃহীত।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে সংঘটিত লগি-বৈঠার নৃশংসতা ও রাজনৈতিক সহিংসতার প্রতিবাদ এবং উক্ত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে বান্দরবানের লামা উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (​২৮ অক্টোবর) বাদে আসর লামা উপজেলা চত্বরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, লামা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

​বিক্ষোভ সমাবেশে “২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠার নজিরবিহীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী তাণ্ডব ও নৃসংশতা ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক ও কালো অধ্যায়। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের অবিলম্বে বিচারের দাবি জানান বক্তারা।
​সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের সেই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক জঘন্যতম ও কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে রয়েছে। সেদিন প্রকাশ্যে লগি-বৈঠার মাধ্যমে যে তাণ্ডব ও নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, তার সাথে জড়িত খুনি ও অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানান তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বান্দরবান জেলা সভাপতি অধ্যাপক ফারুক আহমেদ।​এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন,​কাজী ইব্রাহীম, আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, লামা উপজেলা শাখা।​

​সমাবেশ শেষে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের আন্দোলনে নিহত শহিদদের মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে উপস্থিত নেতাকর্মীরা হাত তুলে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন।