দিল্লিতে অভিজিৎ দীপকে ফের আটক
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন

দিল্লিতে অভিজিৎ দীপকে ফের আটক

দিল্লিতে অভিজিৎ দীপকে ফের আটক
ছবি সংগৃহীত।

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-কে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উড়ানো কর্মসূচিত ঘোষণা করেছিলেন দীপকে। সেখানে যোগ দিতে যাওয়ার কয়েক মিনিট আগে তাকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।

এরআগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লির বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছিল তাকে। পরেরদিন মুক্তি পাওয়ার পর নিজের পরিবারের কাছে ছুটে যান তিনি। এরআগের দিন তার দাদি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই আন্দোলন করছে ককরোচ পার্টির তরুণ সমর্থকরা।

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তিনি ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি মানুষকে বাদ দিয়েছেন। এরমধ্যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ৭০ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। নির্বাচন শেষ পরপরই আবার তাদের নাম যোগ করা হয়।

আজ দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল মূলত ককরোচ পার্টির দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে যন্তরমন্তরে পতাকা উড়ানোর সময় গ্রেপ্তার ও পরবর্তীতে রিমান্ডে নেওয়ার প্রতিবাদে।

গত ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ককরোচ পার্টি। কিন্তু ওইদিন পুলিশ কাউকে সেখানে যেতে দেয়নি। এছাড়া অভিজিৎ, আশুতোষ এবং সৌরভকেও ওইদিন আটক করা হয়। এর পরেরদিন তারা ছাড়া পান। এরপর ১৩ অক্টোবর যন্তরমন্তরে গিয়ে পতাকা উড়ান আশুতোষ ও সৌরভ। তখনই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিজিৎকে আজ নতুন করে আটকের আগে তার দিল্লির বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানে গিয়ে তাকে জানানো হয় সেন্ট্রাল পার্কে কেউ কোনো সমাবেশ করতে পারবে না। সেখানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও যদি কেউ যান তাহলে সেটি আইন অমান্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এরপরও অভিজিৎ পতাকা নিয়ে সেন্ট্রাল পার্কে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

সূত্র : এনডিটিভি




হুথি হামলা : সৌদিতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন শুরু করল ফ্রান্স

হুথি হামলা : সৌদিতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন শুরু করল ফ্রান্স
ছবি সংগৃহীত।

ইরানের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেনি হুথি গোষ্ঠীর অব্যাহত হামলা প্রতিহত করতে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়িয়েছে ফ্রান্স। ইতোমধ্যে সৌদি আরবে নিজেদের বিভিন্ন সামরিক সম্পদ ও সক্ষমতা মোতায়েন করা শুরু করেছে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহৎ এই সামরিক শক্তি।

বহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাসকাল কনফারেক্স। সংবাদ সম্মেলনে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আপনারা জানেন যে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলা কেবল সৌদির নিরাপত্তা বা এই অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না; এর ভুক্তভোগী হতে যাচ্ছি আমরাও। জ্বালানি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মুখে পরতে হবে আমাদের।”

“তছাড়া আপনার এ-ও জানেন যে গত ২৪ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ঘোষণা দিয়েছিলেন যে ফ্রান্স সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো, বিশেষ করে ইয়ানাবু পূর্ব-পশ্চিম করিডোর রক্ষায় সহযোগিতা করবে। সেই প্রতিশ্রুত সহযোগিতার অংশ হিসেবেই সৌদিতে সামরিক সরঞ্জাম ও সক্ষমতা মোতায়েন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত মাসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছিলেন যে, তিনি সৌদি আরবে সৈন্য ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবেন, যাতে লোহিত সাগরের তীরবর্তী বন্দর শহর ইয়ানবুকে সুরক্ষিত রাখা যায়—যা জ্বালানি পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সে সময় ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন যে, এ মোতায়েনের মূল উদ্দেশ্য হবে ইরান যুদ্ধের প্রভাবকে সীমাবদ্ধ রাখা।

এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন, “আমরা এই স্থানটিকে সুরক্ষিত রাখতে সামরিক সম্পদ—অর্থাৎ সৈন্য, রাডার ব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছি।”

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ফ্রান্স কোনো সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে না। তিনি আরও জানান, সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত শুরুর পর থেকে ইউরোপে ডিজেল, অপরিশোধিত তেল এবং অন্যান্য পরিশোধিত জ্বালানি পণ্য সরবরাহের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে সৌদি আরবের লোহিত সাগরের তীরবর্তী বন্দর শহর ইয়ানবু। এর ফলে সৌদি আরব হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তাদের পণ্য রপ্তানি করতে পারছে। গত সেপ্টেম্বরে ইরাকে অবস্থিত ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীর যোদ্ধারা ড্রোন হামলার মাধ্যমে এই পাইপলাইনটির ক্ষতিসাধন করে, যার জের এটি বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়া গত সপ্তাহে হুথিদের একটি হামলায় ইয়ানাবুতে ‘ইয়াসরেফ’ নামে একটি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে সেটি বন্ধ করতে বাধ্য হয় সৌদি আরব। সৌদিতে হুথিদের ক্রমাগত হামলা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ঝাঁকুনি দিয়েছে এবং ডিজেল সরবরাহের সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে, যা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

সেপ্টেম্বর মাসে, ম্যাক্রোঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে ফ্রান্স ওই স্থানটির সুরক্ষায় রাফাল যুদ্ধবিমান মোতায়েন করতে পারে কি না, তখন তিনি জানান যে বিষয়টি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। তিনি আরও যোগ করেন যে, কিছু যুদ্ধবিমান ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চলে রয়েছে।

পারস্য উপসাগর তীরবর্তী সৌদি আরবের তেল উৎপাদন কেন্দ্র থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর পর্যন্ত ৭৫০ মাইল বিস্তৃত ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ পাইপলাইনটি যুদ্ধের সময়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধমনী হয়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী ব্যবহার না করেই সৌদি অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। আশির দশকের শুরুর দিকে, ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় যখন পারস্য উপসাগরে জাহাজ চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়েছিল, সে সময় এই পাইপলাইনটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

সূত্র : এএফপি, ফার্স্টপোস্ট




রিয়াদের বিমানবন্দরে ১৫ দিনে ২০ বার হামলা চালিয়েছে হুথিরা

রিয়াদের বিমানবন্দরে ১৫ দিনে ২০ বার হামলা চালিয়েছে হুথিরা
ছবি সংগৃহীত।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কেবল চলতি মাসেই অন্তত ২০ বার হামলা চালিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। বৃহস্পতিবার হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এই তথ্য জানিয়েছে।

ইয়েমেনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন পরিবহন কেন্দ্র ও তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে। হামলার বিবরণ তুলে ধরে রিয়াদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি বলেন, বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, তেল সুবিধা ও অবকাঠামোসহ বেসামরিক নাগরিক এবং সাধারণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হুথিদের অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

এদিকে, সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার বলেছেন, দুই পক্ষের মাঝে সংঘাত বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে গত কয়েক সপ্তাহে ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে গোষ্ঠীটি ওমানে বৈঠক করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাবলিক ডিপ্লোমেসি বিষয়ক উপমন্ত্রী ড. রায়েদ ক্রিমলি বলেন, এই সংঘাত তীব্র আকার ধারণের শুরুতে আমরা ওমানের মাসকাটে বৈঠক করার জন্য হুথিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু গোষ্ঠীটি বৈঠকের সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে হওয়া সেই যোগাযোগই ছিল আমাদের শেষ বার্তা।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বলছে, বেসামরিক অবকাঠামোতে হুথিদের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

অন্যদিকে, ইসলাম ধর্মের দ্বিতীয় পবিত্রতম শহর মদিনায় একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল মালিকি এক্সে বলেছেন, “মদিনায় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে।”

তবে সৌদি জোটের এই দাবি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে হুথি বিদ্রোহীরা। সশস্ত্র এ গোষ্ঠীর সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে বলেছেন, বৃহস্পতিবার সৌদিতে কোনো হামলা চালানো হয়নি।

সূত্র: এএফপি।
 




ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর

ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর
ছবি সংগৃহীত।

ইরানে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ হামলায় জিবিইউ-৪৩/বি ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স এয়ার ব্লাস্ট বোমা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন বাহিনী। বিশাল আকৃতির এই বোমাটি ‘মাদার অব অল বোম্বস’ বা ‘মব’ নামে বেশি পরিচিত।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে সিএনএন নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি ইরানে ফের হামলার নির্দেশ দেন— তাহলে এই বোমা ব্যবহার করবে মার্কিন বাহিনী।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষে ফের ইরানে হামলা শুরু করতে পারে মার্কিন বাহিনী।

‘মাদার অব অল বোম্বস’ বা ‘সব বোমার মা’ হলো বিশ্বের বৃহত্তম অ-পারমাণবিক বোমা। মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারে এটি ‘বিশেষ সম্পদ’। এই বোমার সম্ভাব্য ব্যবহার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনাকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়িয়ে দিতে পারে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ইস্যুর বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠক করেছেন।

একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী যখন কোনো পরিকল্পনা তৈরি করে—তারা নীতিনির্ধারকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিকল্প প্রস্তুত রাখে—যার মধ্যে সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত থাকে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, “মাটির অনেক গভীরে থাকা লক্ষ্যবস্তুগুলোর জন্য বড় বোমার প্রয়োজন হয়, আর ‘মাদার অফ অল বম্বস’ হলো সবচেয়ে বড় বোমা।”

সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং ভূগর্ভস্থ অন্যান্য স্থাপনার বিরুদ্ধে ‘মাদার অফ অল বম্বস’ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে খোদ মার্কিন বাহিনীতে। সামরিক পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের একজন সিএনএন-কে বলেছেন, ওয়াশিংটনের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে এই বোমাটি কতটা কার্যকর হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিপিএস-নির্দেশিত এই বোমাটি নয়টি সিটি ব্লকের সমান এলাকা ধ্বংস করতে সক্ষম হলেও, এটি সম্ভবত ইরানের পিকাক্স পর্বতের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস করতে সক্ষম নয়। ধারণা করা হয়, এই স্থাপনাগুলো গ্রানাইট পাথরের পুরু স্তরে সুরক্ষিত। এছাড়া ইরানের অন্যান্য পারমাণবিক স্থাপনার ক্ষেত্রেও এটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প হয়তো ‘মাদার অফ অল বম্বস’-কে একটি মনস্তাত্ত্বিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

সূত্র : আল আরাবিয়া