জেলা-উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সমবায়ী ফটিকছড়ির চেয়ারম্যান ইকবাল চৌধুরী
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন

জেলা-উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সমবায়ী ফটিকছড়ির চেয়ারম্যান ইকবাল চৌধুরী

জেলা-উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সমবায়ী ফটিকছড়ির চেয়ারম্যান ইকবাল চৌধুরী
ছবি সংগৃহীত।

কৃষকদের স্বার্থে সঠিক পানি ব্যবস্থাপনা, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান এবং সমবায় কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখায় শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেয়েছেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির হারুয়ালছড়ি খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী। তিনি ফটিকছড়ি উপজেলা ও চট্টগ্রাম জেলা—উভয় পর্যায়েই শ্রেষ্ঠ সমবায়ী নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে ২০২৪ সালে জাতীয় পর্যায়েও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিলেন তিনি।

রোববার (৮ নভেম্বর) ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর এ অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে তাঁর পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন সমিতির ব্যবস্থাপক মো. আইয়ুব আলী।

‘করব সমবায়, গড়ব দেশ; সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সকালে উপজেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর। সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রহমত উল্লাহ।

সমিতির সভাপতি ও হারুয়ালছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, স্থানীয় দরিদ্র কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ ও সঠিক পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং সমবায়ের নিয়মনীতি অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই বারবার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে।

উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুস শহীদ ভূঁইয়া জানান, হারুয়ালছড়ি খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি হিসেবে ইকবাল হোসেন চৌধুরী এবার উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন। এ স্বীকৃতির জন্য তাঁকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

সমিতি সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে মাত্র ১৫ জন কৃষক সদস্য নিয়ে হারুয়ালছড়ি খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে সমিতির সদস্যসংখ্যা দুই হাজারের বেশি। এর কার্যক্রমের মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন প্রায় ১ হাজার ২০০ কৃষক। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে ২০১১ সালে নির্মিত রাবার ড্যামের পানি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে সমিতিটি। রাবার ড্যাম নির্মাণের আগে এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে তেমন চাষাবাদ হতো না। অল্প কিছু কৃষক নিজেদের উদ্যোগে সীমিত জমিতে চাষ করতেন। রাবার ড্যাম নির্মাণের পর খালের পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হওয়ায় কৃষিতে এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। এখন শুষ্ক মৌসুমে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষ করছেন কৃষকরা।




ফটিকছড়ির উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র চলছে: সরোয়ার আলমগীর এমপি

ফটিকছড়ির উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র চলছে: সরোয়ার আলমগীর এমপি
ছবি সংগৃহীত।

ফটিকছড়ির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর। তিনি বলেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তি আবারও এক হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তবে বিএনপি রাজপথে রয়েছে, কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হতে দেওয়া হবে না।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রবিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ফটিকছড়ি সরকারি মাঠে বিএনপির চার ইউনিটের উদ্যোগে আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সরোয়ার আলমগীর বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিদেশি চক্রান্ত ও স্বৈরাচারের হাত থেকে দেশ এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বর্তমান সময়েও যেকোনো দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে রাজনৈতিক নেতৃত্ব যখন ব্যর্থ হয়েছিল, তখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। তাঁরই সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, অন্য কোনো দেশ নয়, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই স্লোগান ধারণ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

সরোয়ার আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ফটিকছড়িতেও উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সমৃদ্ধ ফটিকছড়ি গড়তে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বৈরাচার রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে উত্তরণে সরকার দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। ফটিকছড়ির উন্নয়নে রাজপথের পরীক্ষিত নেতা সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।

ফটিকছড়ি পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোবারক হোসেন কাঞ্চনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরীর সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য দেন আহমেদ হোসেন তালুকদার, নাজিম উদ্দীন শাহীন, রফিকুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম চৌধুরী, এজাহার মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, শফিউল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

জনসভায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বিকেলে সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের নেতৃত্বে ফটিকছড়ি সদর বিবিরহাট এলাকায় একটি বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। জনসভা শেষে ঢাকা থেকে আগত শিল্পী ইতুন বাবু, শিল্পী মৌসুমিসহ একটি দল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে।




বেকারত্ব দূরীকরণে ও আধুনিক সমাজ বিনির্মাণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে — গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি

বেকারত্ব দূরীকরণে ও আধুনিক সমাজ বিনির্মাণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে — গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি
ছবি সংগৃহীত।

‘করব সমবায়, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে চট্টগ্রামের রাউজানে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার (৮ নভেম্বর) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম রাহাতুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম। মুখ্য আলোচক ছিলেন উপজেলা সমবায় অফিসার মিন্টু বড়ুয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মাসুম কবির, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার তোফাজ্জল হোসেন ফাহিম, উত্তর জেলা বিএনপি নেতা এম এ হালিম, আবু জাফর চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ফিরোজ আহমদ, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মঞ্জুরুল হক এবং গহিরা শান্তির দ্বীপ সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান আবদুর রহিম।

অধ্যাপক উজ্জ্বল মুৎসুদ্দীর সঞ্চালনায় সমবায়ীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উজ্জ্বল কান্তি দে, রঞ্জন বড়ুয়া, কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম, লায়ন ছোটন বড়ুয়া ও আশুতোষ বড়ুয়া।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহজাহান সাহিল, জেলা যুবদল নেতা রাসেল খান, বিএনপি নেতা শহীদুল আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সমবায়ী নেতৃবৃন্দ।

এর আগে জাতীয় পতাকা ও সমবায় পতাকা উত্তোলন করেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম রাহাতুল ইসলাম। এর আগে সমবায় দিবস উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।

আলোচনা সভা শেষে দুজন শ্রেষ্ঠ সমবায়ী ও পাঁচটি শ্রেষ্ঠ সমবায় সমিতির মধ্যে স্মারক প্রদান করেন প্রধান অতিথি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, সমবায়ের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করে একটি আধুনিক সমাজ বিনির্মাণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

সাংসদ আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করতে যুগোপযোগী বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। একা যে কাজ করা কঠিন, তা সমবায় সমিতি গঠনের মধ্য দিয়ে করলে কাজটি সহজ হয়ে যায়।




ফটিকছড়িতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত ২; টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ

ফটিকছড়িতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত ২; টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হেঁয়াকো বাজারে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছুরিকাঘাতে দুজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরজন ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন যুবদল নেতা নাসির উদ্দিন বিপ্লব এবং তাঁর বিরোধী পক্ষের নেতা নুরুল আমিন আজাদের অনুসারী যুবদলকর্মী ঘোষণা কবির। তবে কী নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে একটি পক্ষের অনুসারীরা টায়ার জ্বালিয়ে এক ঘণ্টা রামগড়-বারৈয়ারহাট আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৯টার দিকে হেঁয়াকো বাজারের অদূরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের দুজন ছুরিকাঘাতে আহত হন। স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ঘোষণা কবিরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আহত ঘোষণা কবিরের অবস্থা গুরুতর।

সংঘর্ষের পর দুই পক্ষের লোকজন সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, রাত ১০টার দিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরে তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে শান্ত করা হয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।