চুল কাটতে বের হওয়া রায়হান ফিরল এক পা হারিয়ে
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন

চুল কাটতে বের হওয়া রায়হান ফিরল এক পা হারিয়ে

চুল কাটতে বের হওয়া রায়হান ফিরল এক পা হারিয়ে
ছবি: এক পা হারানো রায়হান।

লোহাগাড়ায় নিখোঁজের সাত মাস পর এক পা হারানো অবস্থায় মো. রায়হান (১২) নামে এক শিশুর সন্ধান মিলেছে। শনিবার রাতে চুনতির ১৯ দিনব্যাপী সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল এলাকায় ভিক্ষা করার সময় স্বজনরা তাকে শনাক্ত করেন। দীর্ঘদিন পর সন্তানকে ফিরে পেলেও তার শারীরিক অবস্থা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বাবা।

রায়হান উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতগড় নোয়াপাড়া এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে। সে স্থানীয় একটি হেফজখানার শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবার ও রায়হানের ভাষ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় চুল কাটার জন্য বাবার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে স্থানীয় একটি সেলুনে যাওয়ার পথে একটি গাড়িতে ওঠে সে। পরে গাড়িটি কক্সবাজারের দিকে গেলে রায়হান সেখানে চলে যায়। সেখানে সমুদ্রসৈকতে বডি ম্যাসাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত সে। পরে এক ব্যক্তি খাবার দেওয়ার কথা বলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যায়।

রায়হানের দাবি, ঢাকায় নেওয়ার পর কমলাপুর রেলস্টেশনের কাছাকাছি একটি টিনের ঘেরা কক্ষে তাকে কথিত নানী সালমার কাছে তুলে দেওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে ভিক্ষা করতে বাধ্য করা হতো। ওই কক্ষে বিভিন্ন ধরনের ধারালো অস্ত্রও দেখেছে বলে জানায় রায়হান।

তার ভাষ্য, ভিক্ষা করে আয় কম হওয়ায় দুই-তিন মাস পর এক রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় তার একটি পা কেটে দেওয়া হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে একটি পা না থাকার বিষয়টি দেখতে পায় সে। পরে তাকে বলা হয়, ট্রেন দুর্ঘটনায় তার পা কাটা গেছে। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হলে তাকে আবার কমলাপুর রেলস্টেশনে ভিক্ষা করতে নামিয়ে দেওয়া হয়।
রায়হান বলেন, আমাকে খাবার ও টাকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। পরে ঢাকায় নিয়ে একটি জায়গায় আটকে রাখে। এরপর আমার পা কেটে দেয়। সুস্থ হওয়ার পর আমাকে ভিক্ষা করতে নামিয়ে দেয়।

প্রায় সাত মাস নিখোঁজ থাকার পর শনিবার চুনতির সীরাত মাহফিল এলাকায় ভিক্ষা করার সময় রায়হানকে দেখতে পান তার স্বজনরা। পরে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

রায়হানের বাবা নাজিম উদ্দিন বলেন, সাত মাস ধরে ছেলেকে কোথায় খুঁজিনি। অনেক জায়গায় খোঁজ করেছি। অবশেষে ছেলেকে পেলেও সুস্থ অবস্থায় পাইনি। যারা আমার ছেলের এ অবস্থা করেছে, তাদের খুঁজে বের করে বিচার চাই।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, রায়হানকে আটকে রাখার সময় তার একটি কিডনি নিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে শিশুটির পেটে অস্ত্রোপচারের মতো চিহ্ন রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে চিকিৎসা পরীক্ষা ছাড়া কিডনি অপসারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

স্থানীয়রা জানান, সাত মাস নিখোঁজ থাকার পর শিশুটিকে এক পা হারানো অবস্থায় ভিক্ষা করতে পাওয়া যাওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা, তার অবস্থান এবং পা হারানোর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে দ্রুত তদন্তের দাবি জানান তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মুহাম্মদ নুরুচ্ছফা বলেন, ছেলেটির এমন অবস্থা দেখে আমরা মর্মাহত। সে কোথায় ছিল, কারা তাকে নিয়ে গিয়েছিল এবং কীভাবে তার পা হারাল—সবকিছু তদন্ত করে বের করা দরকার।

আইনজীবী নওশাদ আলী বলেন, শিশুটির বক্তব্যের পাশাপাশি তার নিখোঁজ হওয়ার তথ্য, পরিবারের করা জিডি বা মামলা, চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি এবং তাকে কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে—সবকিছু তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। কিডনি অপসারণের অভিযোগ সত্য কি না, তা চিকিৎসা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

এ বিষয়ে লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রশান্ত কুমার ভৌমিক বলেন, শিশু রায়হানকে উদ্ধারের পর তার বাবা থানায় এসেছিল ছেলে পা হারানোর বিচার চাইতে। ঘটনা যেহেতু ঢাকায় ঘটনাটি তাদেরকে সেখানে গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সাত মাস আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়া একটি শিশু কীভাবে এক পা হারিয়ে ভিক্ষারত অবস্থায় ফিরে এল—এখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন রায়হানের পরিবার ও স্থানীয়রা। পাশাপাশি তাকে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে ঢাকায় নিয়ে গিয়েছিল, পা হারানোর প্রকৃত কারণ কী এবং কিডনি অপসারণের অভিযোগের কোনো সত্যতা আছে কি না, এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে এলাকায়।
 




বাঁশখালীতে পাওনা টাকা পরিশোধের পরও হয়রানি ও মিথ্যা মামলা, ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

বাঁশখালীতে পাওনা টাকা পরিশোধের পরও হয়রানি ও মিথ্যা মামলা, ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পাওনা টাকা পরিশোধের পরও খালি চেক, অলিখিত স্ট্যাম্প ও দলিলপত্র আটকে রেখে হয়রানি এবং মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উক্ত মিথ্যা মামলা ও হয়রানি থেকে বাঁচতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওলানা বোরহান উদ্দিন নামে এক ভুক্তভোগী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাঁশখালী প্রেসক্লাবে তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাইরাং এলাকার মাওলানা নজির আহমদের ছেলে মাওলানা বোরহান উদ্দিন বাঁশখালী পৌরসভার উত্তর জলদী ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হাফেজ আহমদুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান ও শের আলীর ছেলে জসিম উদ্দিনের কাছ থেকে লাভের ওপর গত ১০-০৯-২০২৫ তারিখে ৪ লাখ টাকা নেন। টাকার বিপরীতে তিনি স্বাক্ষরযুক্ত খালি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এবং স্বাক্ষরযুক্ত তারিখবিহীন দুটি ব্যাংক চেক দেন। পরে টাকা পরিশোধে দেরি হলে হাবিবুর রহমান ও জসিম উদ্দিনের কাছে জমি বিক্রির প্রস্তাব দেন মাওলানা বোরহান। কিন্তু তারা জমি কিনতে সময় চাইলে মাওলানা বোরহান অন্যজনের কাছে জমি বিক্রি করে ০৭-১০-২০২৫ তারিখে রাতে হাবিবুর রহমান ও জসিম উদ্দিনের পাওনা ৪ লাখ টাকা পরিশোধ করে দেন। এ সময় আগের কথা অনুযায়ী মাওলানা বোরহান দলিলপত্র ফেরত চাইলে পরদিন সকালে দেওয়ার কথা বলা হয়।

হয়রানির শিকার মাওলানা বোরহান উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, "সরল বিশ্বাসে আমি তাৎক্ষণিক দলিলপত্র ফেরত না নিয়ে সকালে তা আনতে গেলে তারা বেঁকে বসেন। আমার দলিলপত্র ফেরত দিতে অস্বীকার করে তারা আরও টাকা দাবি করেন।"

মাওলানা বোরহান উদ্দিন আরও বলেন, "দলিলপত্র ফেরত পেতে আমি অনেক চেষ্টা করেছি, অনুরোধ ও দৌড়ঝাঁপ করেছি। কিন্তু তারা দলিলপত্র ফেরত না দিয়ে উল্টো ১২ লাখ টাকা পাওয়ার দাবি করে আমার বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। পরে আমিও আমার স্ট্যাম্প, ব্যাংক চেক ও দলিলপত্র উদ্ধারে মামলা করেছি। কিন্তু তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আমি হয়রানির শিকার হচ্ছি।"

মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে এবং সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে মাওলানা বোরহান উদ্দিন বলেন, "আমি ন্যায়বিচার চাই, মিথ্যা মামলা ও হয়রানি থেকে মুক্তি চাই।"

অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন জানান, বোরহান জমি বিক্রির কথা বলে তাঁর কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন। তাঁর দলিলপত্র জসিমের কাছে রয়েছে। টাকা পরিশোধের পরও দলিলপত্র ফেরত না দিয়ে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা করার অভিযোগটি তিনি অস্বীকার করেন।




পটিয়ার মুজাফফরাবাদ কলেজে বৃক্ষরোপণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান

পটিয়ার মুজাফফরাবাদ কলেজে বৃক্ষরোপণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান
ছবি সংগৃহীত।

বর্তমান সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় পটিয়ার মুজাফফরাবাদ কলেজে বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আরিফুর রহমান তারেক।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাসরিন আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন অভিভাবক সদস্য মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। এতে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আরিফুর রহমান তারেক বলেন, “‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় কোথাও যাতে পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে নজর রাখতে হবে। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে সমন্বিত সচেতনতা গড়ে তুলতে পারলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।”

আলোচনা সভা শেষে কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়।




লোহাগাড়ায় ৯০ লাখ টাকার সড়ক রক্ষায় গণমাধ্যমকর্মী সাইফুলের উদ্যোগ

লোহাগাড়ায় ৯০ লাখ টাকার সড়ক রক্ষায় গণমাধ্যমকর্মী সাইফুলের উদ্যোগ
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়ায় প্রায় ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত গারাংগিয়া সড়কটি অতিরিক্ত ভারী যানবাহন ও অবৈধ দখলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সড়কটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মী সাইফুল ইসলাম।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তুলাতলী, কালু আমিন সিকদার পাড়া, উত্তর আমিরাবাদ চট্টলাপাড়া, পালপাড়া ও চৌরাস্তা মাথা এলাকার ‘বাবে দরবারে গারাংগিয়া সড়ক’টি কয়েক মাস আগে কার্পেটিং করা হয়। সাতকানিয়া-লোহাগাড়া সীমান্ত এলাকার হাজারো মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি নির্মাণের পরপরই এর ওপর দিয়ে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, পার্শ্ববর্তী ইটভাটা থেকে ৩০ টনের বেশি ধারণক্ষমতার ডাম্প ট্রাক ও ইটবাহী ট্রাক নিয়মিত চলাচল করছে। পাশাপাশি আন্তঃজেলা বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০ চাকার টাটা গাড়িতে করে অতিরিক্ত বালু পরিবহন করা হচ্ছে। এতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, সড়কের দুই পাশও বিভিন্নভাবে দখল হয়ে গেছে। স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীরা গাছের গুঁড়ি এনে রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখছেন। এসব গুঁড়ি ট্রাকে ওঠানো-নামানোর সময় সড়কের ওপর চাপ পড়ছে এবং যান চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ ছাড়া ভারী যানবাহনের হাইড্রোলিক হর্নের কারণে এলাকায় শব্দদূষণও বেড়েছে। এতে শিক্ষার্থী, পথচারী ও ছোট যানবাহনের চালকদের ভোগান্তির পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর পক্ষে গণমাধ্যমকর্মী সাইফুল ইসলাম গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি সরেজমিন তদন্ত করে সড়কটিতে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ, রাস্তার দুই পাশ দখলমুক্ত এবং সড়কটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, সরকারি অর্থে নির্মিত সড়ক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নষ্ট করতে দেওয়া হবে না। অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচল ও রাস্তার পাশে গাছের গুঁড়ি রেখে জনচলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, সড়কটি পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আগেই প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি ফের সংস্কারের প্রয়োজন হতে পারে।