আজ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২, ১৪ই আষাঢ় ১৪২৯

তিব্বতী বনস্ থেকে বাংলাদেশ নামের উৎপত্তি

মোঃ সরোয়ার হোসাইন লাভলু : | প্রকাশের সময় : সোমবার ২০ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:৫৫:০০ অপরাহ্ন | মতামত

বাংলাদেশ নামের পেছনে রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস। কীভাবে এ দেশের নাম বাংলাদেশ রাখা হল-এ বিষয়টিকে ইতিহাসের পরিক্রমায় বঙ্গ-বাঙ্গালাহ্-বাংলা-বাংলাদেশ ইত্যাদিতে ভাগ করে বিশ্লেষণ করেন ইতিহাসবিদরা। 

 

 

 "নূহ (আঃ) এর এক পুত্র হাম এশিয়া অঞ্চলে বংশবৃদ্ধির কাজে নিয়োজিত হন। তারই এক পুত্র হিন্দের নামানুসারে 'হিন্দুস্থান', সিন্দের নামানুসারে 'সিন্ধু', আর বঙ্গের নামানুসারে 'বঙ্গদেশ' নামের উৎপত্তি হয়।"

 

১৯৫২ সালে সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত বাংলা ভাষা থেকে বাংলা। এর পর স্বাধীন দেশের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে দেশ। এই দুটি ইতিহাস ও সংগ্রামকে এক করে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করা হয়। 

 

প্রথমত নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করছি কারণ বাংলাদেশের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন স্যারের কাছ থেকে প্রকৃত ইতিহাস জ্ঞান লাভ করতে পারার জন্য। বাংলাদেশ শব্দের উৎপত্তিগত ব্যাখ্যা দেন স্যার, স্যারের ব্যাখ্যা মোতাবেক তিব্বতি শব্দ বনস্ থেকে কিভাবে বাংলাদেশে হলো তার সঠিক তথ্য উঠে আসে যা আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে বিস্তারিত বর্ণনা করার চেষ্টা করব। 

 

স্যারের মতে, বাংলা শব্দের উৎপত্তি হয়েছে সংস্কৃত শব্দ বঙ্গ থেকে। প্রাচীন আর্যরা বঙ্গ বলে এই অঞ্চলকে অভিহিত করত। বঙ্গ শব্দটি ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, সর্বপ্রথম খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকে কৌটিল্যর রাষ্ট্র ও প্রশাসনিক সংক্রান্ত বইতে এসেছে। এরপর ঐত্যরয় আরণ্যক বইতে বঙ্গ নামটি এসেছে। রাষ্ট্রকূট রাজা তৃতীয় গোবিন্দের শিলালিপিতে প্রথম 'বঙ্গলা' শব্দটির উল্লেখ রয়েছে যেখানে ধর্মপালকে 'বঙ্গলার রাজা' বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একাদশ শতাব্দীতে বাংলা আক্রমণকারী চোল সাম্রাজ্যের রাজা প্রথম রাজেন্দ্র চোলার নথি নিশ্চিত করে যে, সে সময় গোবিন্দচন্দ্র বাংলার শাসক ছিলেন। সেই নথিতে বাংলাকে "বাঙ্গালা-দেশ" বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং বাংলার বর্ষাকালের স্পষ্ট বর্ণনাস্বরূপ লিপিবদ্ধ রয়েছে। যে,বাঙ্গালা-দেশ যেখানে কখনও বৃষ্টি থামেনা। বঙ্গ নামের কিংবদন্তি হিসেবে যুবরাজ বঙ্গের নাম থেকে এসেছে বলে। প্রাচীন রাজা বালি ও রানী সুদেঞ্চার ছয় পুত্র ছিল। তার মধ্যে এক পুত্রর নাম ছিল বঙ্গ। যুবরাজ বঙ্গকে এই অঞ্চল শাসনের দায়িত্ব প্রদান করেন। উনার শাসন আমল থেকে উনার নাম থেকে উনার নাম অনুসারে বঙ্গ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করেন।

 

আবার অন্য বর্ণনায় তিব্বতী ভাষায় এই অঞ্চলকে বলা হতো বনস্ বা ভেজা মাটির দেশ। যেহেতু বাংলাদেশ একটি সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা দেশ এবং এ দেশের অধিকাংশ সময়ই মাটি ভেজা থাকে তাই ধারণা করা হচ্ছে এই তিব্বতি বনস্ কে বঙ্গ নামের উৎপত্তি হয়েছে। অপরদিকে আসামের বোড়ো উপজাতিরা এই অঞ্চলকে বঙ (BONG) নামে ডাকত বলে ধারণা করা হয়। সেখান থেকেও বঙ্গ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। আবার সাঁওতাল উপজাতিরা তাদের সূর্য দেবতা বঙ্গ নাম অনুসারে অঞ্চলকে বঙ্গ নামে ডাকত বলে কিছুটা প্রমাণ পাওয়া যায়।

 

সম্রাট জালাল উদ্দিন আকবরের সভাসদ ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের উদ্ধৃতি দিয়ে সৈয়দ আনোয়ার হোসেন স্যার বলেন, তিনি প্রথম তার বই "আইন-ই-আকবরী"তে উল্লেখ করেন প্রাচীনকালে এই অঞ্চলে ১০ ফুট/২০ ফুুুট বাঁশের বাঁধ নির্মাণ করা হতো। ওই বাঁশের বাঁধ থেকে বঙ্গ বলা হত। তবে এই বঙ্গ থেকে বাঙ্গালাহ্ নামের উৎপত্তি হয় বলে জানান। ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান শাসনামলে বিশেষ করে ১৩৩৬ থেকে ১৫৭৬ সাল পর্যন্ত সুলতানি আমলে এবং ১৫৭৬ সালে মোগলরা বাংলা দখল করার পর এ অঞ্চলটি বঙ্গ এর সাথে আল যুক্ত করেন তখন থেকে বাঙাল বা বাঙ্গালাহ্ নামেই পরিচিতি পায়। বঙ্গে বসবাসকারী মুসলমানরা বঙ্গ শব্দটির সঙ্গে ফার্সি আল প্রত্যয় যোগ করে। এতে নাম দাঁড়ায় 'বাঙাল' বা বাঙ্গালাহ। জমির বিভক্তি বা নদীর ওপর বাঁধ দেয়াকে আইল বলা হয়। বলা যায় যে বাঙ্গালাহ্ নামের উৎপত্তি হয় মুসলিম শাসনামলে। তবে বাংলা, বাঙাল বা দেশ-এই তিনটি শব্দের কোনোটিই বাংলা শব্দ নয়। এগুলো ফার্সি ভাষা থেকে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম বিভাগীয় প্রধান রমেশ চন্দ্র মজুমদার বলেছিলেন এই অঞ্চলে বঙ্গ নামে একটি জনপদ ছিল,ওই জনপদ থেকে বাংলা নামের উৎপত্তি হয়। আহাম্মদ হোসেন বলেন এই জনপদে বঙ্গ নামের জনগোষ্ঠি ছিল। ঐ জনগোষ্টির নাম থেকে বঙ্গ নামের উৎপত্তি হয়। ইতিহাসবিদ আহাম্মদ হোসেন বলেন এই জনপদে বঙ্গ নামের জনগোষ্ঠি ছিল। ঐ জনগোষ্টির নাম থেকে বঙ্গ নামের উৎপত্তি হয়। তবে বাঙ্গালাহ্ নামটি প্রথম কোন বিধিবদ্ধ বইতে লিপিবদ্ধ করেন দিল্লির সম্রাট ফিরোজ শাহের রাজত্বকালে সম্রাটের সভাসদ ইতিহাসবিদ জিয়াউদ্দিন বারানী (১৩৫১-১৩৮১) তাহার লিখিত তারিখ-ই-ফিরোজশাহী বইতে।

 

বাঙ্গালাহ্'র স্বাধীন সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ'র (১৩৪২-১৩৫৮) শাসনামলে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাঙ্গালাহ্ শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনি বাংলার অপরূপ সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয় এবং বাঙালার মানুষকে ভালবেসে "শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" নামক উপাধি গ্রহণ করেন এবং তারপর থেকে সকল সরকারি নথিপত্র সূত্রেই বাংলাকে বাঙ্গালাহ বলা হয়েছে। এর পর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজা বাংলাকে বিভিন্ন নাম দেন। শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাও বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা ও আসামের মতো কয়েকটি প্রেসিডেন্সি নিয়ে নাম দিয়েছিলেন বঙ্গ।

ড. মোহাম্মদ হান্নান 'বাঙালির ইতিহাস' বইয়ে লিখেন ১৭৬৮-১৭৮৮ সালের মধ্যে গোলাম হোসায়ন সলীম জইদ পুরী কর্তৃক রচিত 'রিয়াজ-উস-সালাতীন' গ্রন্থ হতে 'বঙ্গ' নামের উৎপত্তি নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন। সেখানে বঙ্গ নামের ঐতিহাস প্রেক্ষাপটে মুসলিম চিন্তা-চেতনার দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। বলা হয়েছে, মহাপ্লাবন পরবর্তী সময়ে হযরত নূহ (আঃ), তার স্ত্রী, সন্তানসহ ৮০ জন নর-নারী আল্লাহর হুকুমে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েন, সেখানে বংশবৃদ্ধি শুরু করেন, এবং তাদের বংশধররাই পৃথিবীকে নতুনভাবে সাজান। "নূহ (আঃ) এর এক পুত্র হাম এশিয়া অঞ্চলে বংশবৃদ্ধির কাজে নিয়োজিত হন। তারই এক পুত্র হিন্দের নামানুসারে 'হিন্দুস্থান', সিন্দের নামানুসারে 'সিন্ধু', আর বঙ্গের নামানুসারে 'বঙ্গদেশ' নামের উৎপত্তি হয়।"

ব্রিটিশ শাসনামলে এই অঞ্চলের নাম হয় বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় গোটা বাংলায় একটি প্রশাসনিক বিভাজন হয়। বাংলার পশ্চিম অংশ হয়ে যায় পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব অংশ হয়ে যায় পূর্ববাংলা। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন অবসানের পর ১৯৪৭ সালে বঙ্গপ্রদেশ ভারত ও পাকিস্তানে বিভক্ত হল। সেই সময় পাকিস্তানিরা পূর্ববাংলার নাম দিতে চাইল পূর্ব পাকিস্তান। কিন্তু এ নিয়ে সেই সময় থেকেই বিতর্ক শুরু হয়। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় বাংলা। এর পর ১৯৫৭ সালে করাচিতে পাকিস্তানের গণপরিষদের তরুণ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান বক্তৃতা দেয়ার সময় 'পূর্ব পাকিস্তান' নামটির প্রতিবাদ করে বলেন, পূর্ববাংলা নামের একটি ইতিহাস ও ঐতিহ্য আছে।

'আর যদি পূর্ব পাকিস্তান নাম রাখতেই হয়, তা হলে বাংলার মানুষের জনমত যাচাই করতে হবে। তারা নামের এই পরিবর্তন মেনে নেবে কিনা-সে জন্য গণভোট নিতে হবে।' তার পর ১৯৬২ সালে সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে নিউক্লিয়াস নামে ছাত্রলীগের একটি গোপন সংগঠন প্রতিষ্ঠা পায়। যারা স্বাধীনতার পক্ষে চিন্তাভাবনা করত। তারা এই অঞ্চলকে বলতেন-স্বাধীন পূর্ববাংলা। এর পর ১৯৬৯ সালে শুরু হয় আইয়ুব পতন আন্দোলন। সেই সময় গণঅভ্যুত্থানে স্লোগান দেয়া হয় 'বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।' ইতিহাস অনুযায়ী-ওই প্রথম পূর্ববাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামে অভিহিত করা হয়। পরে ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন-'আমাদের স্বাধীন দেশটির নাম হবে বাংলাদেশ'। আওয়ামী লীগের নেতারা ওই বৈঠকে বিভিন্ন নাম প্রস্তাব করেন। তবে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ নামটি প্রস্তাব করলে তাতে সবাই একবাক্যে সায় দেন। এই নাম দেয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন-১৯৫২ সালে সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত বাংলা ভাষা থেকে- বাংলা। এর পর স্বাধীন দেশের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে- দেশ। এই দুটি ইতিহাস ও সংগ্রামকে এক করে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করা হয়।

এর পরও নথিপত্রগুলোয় পূর্ব পাকিস্তান লিখতে হলেও কেউ মুখে পূর্ব পাকিস্তান উচ্চারণ করতেন না। সবাই বলতেন পূর্ববাংলা আবার কেউ কেউ বলতেন বাংলাদেশ। সেই থেকে এই দেশকে আর কেউ পূর্ব পাকিস্তান বলেনি। সবাই বাংলাদেশ হিসেবেই মনে-প্রাণে স্বীকৃতি দিয়েছিল বলে জানান ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন স্যার। 

 

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান "বাংলাদেশ" নামটি উল্লেখ করেন। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ ইংরেজি তারিখে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামটি সাংবিধানিকভাবে প্রথম বৈধতা পায়। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর যখন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম সংবিধান প্রণীত ও গৃহীত হয়, সেই সময়ও দেশটির সাংবিধানিক নাম দেয়া হয় 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ'।

 

উনিশ শতকের সাহিত্যে অবিভক্ত বাংলাকে বলা হতো- বঙ্গদেশ বা বাংলাদেশ। বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্যে বঙ্গদেশ শব্দের উল্লেখ আছে। কাজী নজরুল ইসলাম তিরিশের দশকে তার কবিতায় বাংলাদেশ নামটি ব্যবহার করেছেন। আবার সত্যজিতের চলচ্চিত্রেও উচ্চরিত হয়েছে বাংলাদেশ নামটি। অন্যদিকে জীবনানন্দ দাস বলেছেন- রূপসী বাংলা আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাকে আখ্যায়িত করেছেন সোনার বাংলা বলে।

 

উৎপত্তিগত ব্যাখ্যা ও তথ্য এবং অন্যান্য আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বনস্,বঙ্গ, বাঙ্গালাহ্ বা বাংলা অথবা বাংলাদেশ শব্দগুলোর সাথে মুসলিমদের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

 

প্রাচীন আমল থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রামের শেষ পর্যন্ত অর্থাৎ বনস্, থেকে বঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত ইতিহাস রচনায় এই অঞ্চলের মুসলমানদের ভূমিকা অপরিসীম হলেও বনস্ হোক, বঙ্গ হোক বা বাঙ্গালাহ্ হোক অথবা বাংলাদেশ হোক ১৯৭১ সালে ১৬ ই ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সহ এই বাংলার ষ জনগণ যুদ্ধ করেছেন স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়ার জন্য। এই স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়ার ক্ষেত্রে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকল ধর্ম-বর্ণের গোত্রের জনগণের অপরিসীম ভূমিকা ছিল। সালের ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১ ইংরেজি তারিখে স্বাধীনতার ৫০ বর্ষ পূর্তি বা সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ, বাঙ্গালী জাতি, স্বাধীনতা যুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সবার মনে উজ্জীবিত হোক প্রকৃত দেশপ্রেম। 

 

কৃতজ্ঞতা: অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, সাবেক অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু চেয়ার, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস।

 

তথ্যসূত্র: 

 

১. উইকিপিডিয়া

২. বিবিসি বাংলা নিউজ

৩. দৈনিক যুগান্তর

৪. রোয়ার ডট মিড়িয়া, 

৫. ইন্টারনেট

 

লেখক:

এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, 

কার্যনির্বাহী সদস্য, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি,

চেয়ারম্যান, দিশারী যুব ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।