হঠাৎ অস্থির চালের বাজার
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন

হঠাৎ অস্থির চালের বাজার

হঠাৎ অস্থির চালের বাজার
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান খাদ্যপণ্য চাল। দেশের আপামর মানুষ প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যে খাদ্যটি অবিচ্ছেদ্যভাবে গ্রহণ করে, তা হলো ভাত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের বাজার পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, সাধারণ মানুষের সেই মৌলিক চাহিদাটিই আজ হুমকির মুখে পড়েছে। ভরা মৌসুমেও চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতা, বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণি। প্রতিবছর বোরো মৌসুমে নতুন চাল বাজারে আসে এবং তখন চালের দাম কিছুটা কমে যায়—এটাই ছিল স্বাভাবিক চিত্র। কিন্তু এবার সে ধারার ব্যতিক্রম দেখা গেছে। রাজধানীসহ সারা দেশের বাজারে চালের দাম কেজিপ্রতি ২ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। কোথাও কোথাও এই বৃদ্ধি ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। এটি নিঃসন্দেহে অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার নতুন চাল বাজারে আসার পরও এই মূল্যবৃদ্ধি বাজার ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ত্রুটি এবং ব্যবসায়ী কারসাজিরই প্রমাণ। চালের এমন দাম বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ এবং শ্রমজীবী শ্রেণি। প্রতিদিনের ন্যূনতম খাবারের তালিকায়ও সংকট দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে। একজন রিকশাচালক জলিল মিয়া বলেন, “আমরা নিম্ন আয়ের মানুষ নিয়মিত মাছ-মাংস খেতে পারি না। চারটা ডাল-ভাত হলেই হয়। এখন সেই ভাতেই হাত দিল তারা। আমরা কি খেয়ে বাঁচবো বলেন?” এই কথাগুলোর মধ্য দিয়েই ফুটে ওঠে একজন সাধারণ নাগরিকের অসহায়ত্ব ও ক্ষোভ। চালের বাজারে মূল সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে একটি কথাই—সিন্ডিকেট। চালকল মালিক, পাইকারি ব্যবসায়ী ও কিছু কর্পোরেট মিল মালিকদের এক ধরনের অপারদর্শী সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যাত্রাবাড়ীর চাল ব্যবসায়ী রহিম হাওলাদার বলেন, “মিল মালিকদের সিন্ডিকেটের কবলে চালের বাজার। তারা যেভাবে দাম বাড়ায়, আমাদের সে দামে কিনতে হয়। বাধ্য হয়ে আমরাও বেশি দামে বিক্রি করি।” এমন মন্তব্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, খুচরা বিক্রেতারাও অনেক ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি। রাজধানীর শনিরআখড়ার বাজারে এখন খুচরা দরে মোটা চাল (২৮ চাল) বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা কেজিতে। জিরাশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭৪ থেকে ৮০ টাকা, মিনিকেট ৭৬ থেকে ৮৪ টাকা এবং কাটারিভোগ ৭০ থেকে ৭৬ টাকা কেজি। অথচ কিছুদিন আগেই সরু চালের দাম ৭৫ টাকায় নেমে এসেছিল। মিলাররা দাবি করছেন, তারা বেশি দামে ধান কিনছেন বলে চালের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল সমস্যা হচ্ছে বাজারে সরকারের কার্যকর তদারকির অভাব এবং বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ। খুচরা ও পাইকারি দোকানে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করা হলেও মূল উৎস—মিল ও মোকামে কোনো কার্যকর নজরদারি নেই। ফলে ব্যবসায়ীরা মজুত নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ধান ও চাল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম ঘাটতির পরিস্থিতি তৈরি করছেন। এতে নিত্যপণ্যের বাজারে নেমেছে চরম অস্থিরতা, যার বড় অংশের ভার এসে পড়েছে সাধারণ জনগণের ঘাড়ে। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, “ভরা মৌসুমেও চালের দাম বেড়ে যাওয়া নজিরবিহীন। মোকাম এবং আড়তগুলোতে চাল মজুত থাকা সত্ত্বেও দাম বাড়ানো হচ্ছে। কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার পর মিলার ও কর্পোরেটরা অজুহাত খাড়া করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।” তিনি আরও বলেন, “সরকার মাঝে মাঝে খুচরা ও পাইকারি বাজারে তদারকি করে ঠিকই, কিন্তু মোকাম বা মিল পর্যায়ে কোনো নজরদারি করে না। ফলে সিন্ডিকেট কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে পুরো বাজার।” ভোক্তাদের অনেকেই অভিযোগ করছেন, সরকারের খাদ্য বিভাগ বা জেলা প্রশাসন চালের বাজার তদারকিতে কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে না। খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের দায়িত্ব শুধুই চাল সংগ্রহ করা, বাজার মনিটরিং নয়। এতে করে অসাধু ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতায় কোনো লাগাম টানা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা আগের সরকারের সময়ও চালের সিন্ডিকেট নিয়ে প্রতিযোগিতা কমিশনে অভিযোগ করেছিলাম, মামলাও হয়েছে। কিন্তু আজও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারও এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সরকার চাইলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, কিন্তু করছে না। প্রতিযোগিতা কমিশনও নিষ্ক্রিয়। একটি গোষ্ঠী চালের বাজারের ৩২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে—তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে চালের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রতিবাদে জনসচেতনতা গড়ে উঠতে শুরু করেছে। ‘ভাতের পাতে স্বস্তি ফেরাও’ স্লোগানে চট্টগ্রামে নাগরিক সমাজ, খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (খানি), ক্যাব চট্টগ্রাম ও আইএসডিই বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সংগঠন মানববন্ধন করেছে। তাঁরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, বাজারে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে যদিও টিসিবি ও খাদ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে স্বল্পদামে চাল বিক্রির উদ্যোগ আছে, তবে তা অত্যন্ত সীমিত পরিসরে। অধিকাংশ ভোক্তা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখোমুখি। যে দেশে কৃষক প্রতি বছর লাখ লাখ টন ধান ফলায়, সেই দেশে চালের জন্য সাধারণ মানুষকে হাহাকার করতে হবে—এমন চিত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বাজারে যদি চালের সংকট না থাকে, তাহলে দাম কেন বাড়ছে—এই প্রশ্নের উত্তর চাইছে জনগণ। বাস্তবতা হচ্ছে, চালের দাম এখন আর ফসল ফলনের ওপর নির্ভর করে না, বরং নিয়ন্ত্রণ করছে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী। খাদ্য অধিদপ্তরের কাছে পর্যাপ্ত চাল মজুত থাকার পরও বাজারে এর সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না। এর মানে হচ্ছে, সরকারের ভিতরে কিংবা বাইরের কোনো শক্তি এই প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে এবং বাজার ব্যবস্থাপনার ঘাটতির সুযোগ নিচ্ছে। এই অবস্থায় বাজার ব্যবস্থাপনায় যে সংস্কার প্রয়োজন, তা শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়—রাজনৈতিক সদিচ্ছাও অপরিহার্য। সিন্ডিকেট ভাঙতে হলে সরকারকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উভয় স্তর থেকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। নিয়মিত মনিটরিং, মজুতকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, মিল পর্যায়ে নজরদারি এবং বাজার ব্যবস্থার ডিজিটালায়ন ছাড়া এই সমস্যা নিরসন সম্ভব নয়। অন্যথায়, চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজারেও একই ধারা অব্যাহত থাকবে, যা দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তুলবে। একটি গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রের জন্য এটা অবশ্যই গ্রহণযোগ্য নয়।

 




সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
ছবি সংগৃহীত।

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া পাঁচ আসামিকে ভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাকি দুজন হলেন—ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম।

এছাড়া রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুলকে ছয় বছর, শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনকে চার বছর এবং কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ‍ও মো. নাসিরুল ইসলামের তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় আট আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন চারজন। তারা হলেন—আরশাদ, সুজন, ইমন ও নাসিরুল। তাদের আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। তবে হাবিব, আখতারুল, সুদীপ ও ইমরুল এখনও পলাতক।

চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া ওয়্যারলেস বার্তায় অধস্তনদের মারণাস্ত্র ব্যবহারে ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের নির্দেশও প্রমাণিত হয়েছে।

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের এটি প্রথম মামলা হলেও রায়ের দিক থেকে দ্বিতীয়। ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের দিন। ওই দিন পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন, শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, ইয়াকুব, রাকিব হাওলাদার, ইশমামুল হক ও মানিক মিয়া।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়। জব্দ তালিকা হিসেবে ১৯টি ভিডিও, পত্রিকার ১১টি প্রতিবেদন, দুটি অডিও, বই ও ১১টি প্রতিবেদন, ছয়টি মৃত্যুসনদ সংযুক্ত করে জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন।

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে গত ২৪ ডিসেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ২০ জানুয়ারি এ রায় ঘোষণার কথা থাকলেও প্রস্তুত না হওয়ায় নতুন তারিখ হিসেবে আজকের দিন ধার্য করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১।




লুটপাটে শেখ হাসিনা দেশ ধ্বংস করেছেন: খায়রুল কবির খোকন

লুটপাটে শেখ হাসিনা দেশ ধ্বংস করেছেন: খায়রুল কবির খোকন
ছবি সংগৃহীত।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গুম, খুন ও লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন। আজ রোববার বিকেলে নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের দাসপাড়া নার্সারি মাঠে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। খায়রুল কবির খোকন বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছর একটি ফ্যাসিস্ট ও অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে শহীদ জিয়ার পরিবার।"

তিনি আরও বলেন, "বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বিনা চিকিৎসায় হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। একইভাবে তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে না দিতে ১২৫টি মিথ্যা মামলাসহ নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে রাষ্ট্রকে খাদের কিনারায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।"

বক্তব্যে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে সতর্ক করে বলেন, "একটি দল জান্নাতের টিকিট বিক্রির নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। এসব অপপ্রচারে কেউ যেন পা না দেন।"

চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আল মামুন মুন্সির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা। দোয়া মাহফিলে চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আওলাদ হোসেন মোল্লা ও সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম সরকারসহ স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।




সংশোধনী

সংশোধনী
ছবি সংগৃহীত।


দৈনিক সাঙ্গু ফেইসবুক ফেইজে গতকাল চট্টগ্রামে কলেজ ভার্সিটির মেয়েরা জড়িয়ে পড়ছে দে/হ ব্যবসায় শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। রিপোটের শুরুতেই ইউটিউব থেকে সংগৃহিত দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার- মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম আরিফের ভয়েস ও চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মুলত সংগৃতি হয়েছে ইউটিউব থেকে । রিপোর্টটিতে তাকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার তিনি তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। আমরা তার বক্তব্যের অংশটুকু প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। ভবিষতে এই বিষয়ে আমরা আরো সর্তক হবো। বার্তা সম্পাদক