রাণীনগরে ১০টি খড়ের পালায় আগুন দিল দুর্বৃত্তরা
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন

রাণীনগরে ১০টি খড়ের পালায় আগুন দিল দুর্বৃত্তরা

রাণীনগরে ১০টি খড়ের পালায় আগুন দিল দুর্বৃত্তরা
ছবি সংগৃহীত।

নওগাঁর রাণীনগরে গভীর রাতে ১০টি খড়ের পালায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার রাতোয়াল রাখালগাছিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে ভুক্তভোগী মাসুদ রানা বাদী হয়ে রাণীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে জনৈক দুর্বৃত্তরা গ্রামের বাড়ির অদূরে থাকা মাসুদ রানার তিনটি খড়ের পালাসহ প্রতিবেশী আরও চারজনের মোট ১০টি পালায় আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করলে গ্রামবাসী নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে রাণীনগর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই খড়গুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ভুক্তভোগী কৃষক মাসুদ রানা বলেন, "শত্রুতা করে কেউ গভীর রাতে আমাদের খড়ের পালায় আগুন দিয়েছে। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই সব পুড়ে যাওয়ায় আমাদের বিশাল ক্ষতি হয়ে গেল। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল লতিফ বলেন, “খড়ের পালায় আগুনের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
 




বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ

বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বান্দরবান। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে যখন অনেকেই নীরব, তখন কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে নয়; বরং নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবানের একদল তরুণ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ক্যাচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ৯০টিরও বেশি দুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারের হাতে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, তারা কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বান্দরবানের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগ দেখে কয়েকজন বন্ধু ও শিক্ষার্থী নিজেদের মধ্যে অর্থ সংগ্রহ করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তারা ত্রাণসামগ্রী কিনে দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।
তাদের ভাষ্য, “এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আমরা জানি, এই সহায়তা সব মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবুও যারা অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন, তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগের সময় মানবতার কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসে, তাহলে বান্দরবানের এই সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হবে।”
তারা আরও বলেন, “আমরা কোনো সংগঠন নই এবং কারও সহযোগিতার অপেক্ষায়ও ছিলাম না। নিজেদের সাধ্যমতো অর্থ সংগ্রহ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। এটি আমাদের কার্যক্রমের শুরু মাত্র। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের সময় সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। তরুণদের এই উদ্যোগ অন্যদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উদ্যোক্তারা বান্দরবানের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে হলেও সবাই এগিয়ে এলে আরও বেশি মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।




সংশোধনী

সংশোধনী
ছবি সংগৃহীত।


দৈনিক সাঙ্গু ফেইসবুক ফেইজে গতকাল চট্টগ্রামে কলেজ ভার্সিটির মেয়েরা জড়িয়ে পড়ছে দে/হ ব্যবসায় শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। রিপোটের শুরুতেই ইউটিউব থেকে সংগৃহিত দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার- মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম আরিফের ভয়েস ও চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মুলত সংগৃতি হয়েছে ইউটিউব থেকে । রিপোর্টটিতে তাকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার তিনি তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। আমরা তার বক্তব্যের অংশটুকু প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। ভবিষতে এই বিষয়ে আমরা আরো সর্তক হবো। বার্তা সম্পাদক




জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের পাহারাদার : ইব্রাহিম চৌধুরী

জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের পাহারাদার : ইব্রাহিম চৌধুরী
ছবি সংগৃহীত।

সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরী বলেছেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল হিন্দু-বৌদ্ধদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তাদের সহায়-সম্পত্তি দখল-বেদখলে নিয়োজিত ছিল। ভোট ব্যাংক হিসেবে প্রচার করে অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতিপক্ষে পরিণত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। এসব দলগুলোর মধ্যে ব্যতিক্রম জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত ক্ষমতায় আসলে এ দুই সম্প্রদায়সহ সবাই উন্মুক্ত বাতাসে নিজের জন্মভূমিতে স্বাধীনভাবে চলাফেরার পাশাপাশি স্বাধীন নাগরিক হিসেবে দেশের সকল অধিকার ভোগ করবে। এক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের বিশ্বস্থ পাহারাদার।


জুমাবার (২১ নভেম্বর) বিকালে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মাঝে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।


ইব্রাহিম চৌধুরী আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পর অনেক দল ক্ষমতায় আরোহণ করেছিল। তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণ অবগত রয়েছেন। এখন সময় এসেছে জামায়াতে ইসলামীকে  একবার পরীক্ষা করার। আপনাদের সুচিন্তিত ভোটের মাধ্যমে যদি জামায়াতে ইসলামী জনগণের সেবক হওয়ার সুযোগ পায় তাহলে এ দেশ ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। যেখানে থাকবে না কোন ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ড। সর্বোপরি সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে দেশের আপামর জনসাধারণ।


এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাতকানিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন, সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর রিদুয়ানুল করিম, সদর ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি হারুনুর রশিদ, সেক্রেটারি ডা. মো. আরিফ, জামায়াত নেতা আকতার কামাল, মো. আনোয়ার, মাওলানা ছাবের আহমদ, আমানুর রশিদ, কামাল উদ্দিন, হারুনুর রশিদ, আবদুল আজিজ ও মো.আশিক প্রমুখ।
....
ছবির ক্যাপশন : 
সাতকানিয়ায় হিন্দু - বৌদ্ধদের মাঝে শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে গণ সংযোগ করছেন ইব্রাহিম চৌধুরী।