সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
ছবি সংগৃহীত।

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া পাঁচ আসামিকে ভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাকি দুজন হলেন—ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম।

এছাড়া রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুলকে ছয় বছর, শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনকে চার বছর এবং কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ‍ও মো. নাসিরুল ইসলামের তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় আট আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন চারজন। তারা হলেন—আরশাদ, সুজন, ইমন ও নাসিরুল। তাদের আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। তবে হাবিব, আখতারুল, সুদীপ ও ইমরুল এখনও পলাতক।

চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া ওয়্যারলেস বার্তায় অধস্তনদের মারণাস্ত্র ব্যবহারে ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের নির্দেশও প্রমাণিত হয়েছে।

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের এটি প্রথম মামলা হলেও রায়ের দিক থেকে দ্বিতীয়। ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের দিন। ওই দিন পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন, শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, ইয়াকুব, রাকিব হাওলাদার, ইশমামুল হক ও মানিক মিয়া।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়। জব্দ তালিকা হিসেবে ১৯টি ভিডিও, পত্রিকার ১১টি প্রতিবেদন, দুটি অডিও, বই ও ১১টি প্রতিবেদন, ছয়টি মৃত্যুসনদ সংযুক্ত করে জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন।

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে গত ২৪ ডিসেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ২০ জানুয়ারি এ রায় ঘোষণার কথা থাকলেও প্রস্তুত না হওয়ায় নতুন তারিখ হিসেবে আজকের দিন ধার্য করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১।




সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই
ছবি সংগৃহীত।


সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)


রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাবেক স্পিকার। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ. কিউ. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠালগ্নের অন্যতম নেতা এবং দীর্ঘদিন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন জলপাইগুড়ি জেলার (বর্তমান পঞ্চগড় জেলার) তেতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মৌলভী আলী বক্স এবং মাতা বেগম ফখরুন্নেছা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর এলএলবি সম্পন্ন করেন। পরে ১৯৬০ সালে আইন পেশায় যোগ দেন এবং ১৯৬১ সালে যুক্তরাজ্যে গিয়ে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন বিষয়ে সুনামের সঙ্গে আইন পেশা পরিচালনা করেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি প্রথমে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিভিন্ন সময়ে ভূমি, শিক্ষা, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন
২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন এবং ২৫ জানুয়ারি ২০০৯ পর্যন্ত এ পদে দায়িত্ব পালন করেন। স্পিকার হিসেবে সংসদ পরিচালনায় তার নিরপেক্ষতা, সংসদীয় রীতি-নীতি অনুসরণ এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। ২০০২ সালের ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়েও তার বিশেষ আগ্রহ ছিল। তিনি আন্তর্জাতিক আইন, সমুদ্র আইন, জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে একাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি নিজ জন্মভূমি পঞ্চগড়ে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষাক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বেগম নুর আখতারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। তার দুই ছেলেই আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত এবং ব্যারিস্টার হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে আইন চর্চা করছেন।

বাংলাদেশের আইন, সংসদীয় গণতন্ত্র ও রাজনীতিতে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকারের অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনজীবী জীবনে তিনি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।




বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ

বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বান্দরবান। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে যখন অনেকেই নীরব, তখন কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে নয়; বরং নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবানের একদল তরুণ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ক্যাচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ৯০টিরও বেশি দুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারের হাতে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, তারা কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বান্দরবানের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগ দেখে কয়েকজন বন্ধু ও শিক্ষার্থী নিজেদের মধ্যে অর্থ সংগ্রহ করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তারা ত্রাণসামগ্রী কিনে দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।
তাদের ভাষ্য, “এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আমরা জানি, এই সহায়তা সব মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবুও যারা অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন, তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগের সময় মানবতার কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসে, তাহলে বান্দরবানের এই সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হবে।”
তারা আরও বলেন, “আমরা কোনো সংগঠন নই এবং কারও সহযোগিতার অপেক্ষায়ও ছিলাম না। নিজেদের সাধ্যমতো অর্থ সংগ্রহ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। এটি আমাদের কার্যক্রমের শুরু মাত্র। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের সময় সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। তরুণদের এই উদ্যোগ অন্যদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উদ্যোক্তারা বান্দরবানের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে হলেও সবাই এগিয়ে এলে আরও বেশি মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।




৪৫ দিনের বাকিতে দেওয়া চেক ২২ মাসেও ক্যাশ হয়নি

৪৫ দিনের বাকিতে দেওয়া চেক ২২ মাসেও ক্যাশ হয়নি
ছবি সংগৃহীত।

৪৫ দিনের বাকিতে দেওয়া চেক ২২ মাসেও ক্যাশ হয়নি। এমনই প্রতারণা করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের ব্যবসায়ী এমএ মুছার সঙ্গে। ২০২৪ সালের মে, জুন ও জুলাইয়ে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৯ টাকার ছয়টি চেক দেওয়া হয় ব্যবসায়ী মুছাকে। সব চেকই হয় ডিসঅনার। 
জানা গেছে, কক্সবাজারের টেকনাফের ডাংগারপাড়া ও নোয়াপাড়ায় বাস্তবায়নাধীন ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে নির্মাণ সামগ্রী সরবরাহ করতে MAE @ DECL’এর সঙ্গে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি করেন মেসার্স আরিফ এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স রকি ব্রিক ফিল্ডের স্বত্বাধিকারী এমএ মুছা। 
সাব কন্ট্রাক্টর MAE @ DECL–এর পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ম্যানেজিং পার্টনার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান(জুয়েল)-এনআইডি নম্বর-৪৮২১১০৭৬৯০২৩৬, পার্টনার রফিকুল ইসলাম-এনআইডি নম্বর-৫৫৪২৪৫৬৮৬৭, পার্টনার ফারহানা হক এবং ডিরেক্টর প্রকিউরমেন্ট আবু সাইদ। 
এই কাজের মূল ঠিকাদার তানজীর আলম সিদ্দিকী, অথরাইজড পার্টনার (ডরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন লিঃ) জেভি এমএই এন্ড ডিইসিএল, জেভি। ঠিকানা- ২১-২৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ইউলসো টাওয়ার, ঢাকা-১২১২। 
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জানান- MAE @ DECL–এর পার্টনার ফারহানা হক ডরিন গ্রুপের সিইও সাব্বির খানের স্ত্রী।   
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী এমএ মুছা জানান- রাজধানী ঢাকার গুলশানের ডরিন গ্রুপের সিইও সাব্বির খান টাকা পরিশোধে গত ২২ মাসে শতাধিক তারিখ দিয়েছেন। তিনি একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখে টাকা পরিশোধের তারিখ দিলেও তা রক্ষা করেননি। সব শেষ লিখিত অঙ্গীকার ছিল চলতি সালের জানুয়ারির মধ্যে সব বকেয়া পরিশোধ করার। কিন্ত তা তিনি করেননি।

জানা গেছে, MAE @ DECL–এর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ব্যবসায়ী এম এ মুছাকে ২০২৪ সালের ৫ মে ২১ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০, ২০ মে ৩১ লাখ ১৬ হাজার ৮৬১, ১৪ জুন ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৩, ২৩ জুলাই ৪ লাখ ০৪ হাজার ৯৮৫ টাকার চেক দেওয়া হয়। এছাড়া ২ লাখ ৭৬ হাজার এবং ২১ লাখ ৩৬ হাজার ৩০০ টাকার চেক দেওয়া হয়। সব মিলে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৯ টাকার চেক পান ব্যবসায়ী মুছা। ৪৫ দিনের বাকিতে দেওয়া এ সব চেক ডিসঅনার হয়।

চুক্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে- ‘প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষের পাওনা টাকা সময়মতো পরিশোধ বা প্রদান করিতে অপারগতা প্রকাশ করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধ করিতে না চান, তা হলে দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারিবে।’