সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
ছবি সংগৃহীত।

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া পাঁচ আসামিকে ভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাকি দুজন হলেন—ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম।

এছাড়া রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুলকে ছয় বছর, শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনকে চার বছর এবং কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ‍ও মো. নাসিরুল ইসলামের তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় আট আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন চারজন। তারা হলেন—আরশাদ, সুজন, ইমন ও নাসিরুল। তাদের আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। তবে হাবিব, আখতারুল, সুদীপ ও ইমরুল এখনও পলাতক।

চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া ওয়্যারলেস বার্তায় অধস্তনদের মারণাস্ত্র ব্যবহারে ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের নির্দেশও প্রমাণিত হয়েছে।

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের এটি প্রথম মামলা হলেও রায়ের দিক থেকে দ্বিতীয়। ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের দিন। ওই দিন পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন, শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, ইয়াকুব, রাকিব হাওলাদার, ইশমামুল হক ও মানিক মিয়া।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়। জব্দ তালিকা হিসেবে ১৯টি ভিডিও, পত্রিকার ১১টি প্রতিবেদন, দুটি অডিও, বই ও ১১টি প্রতিবেদন, ছয়টি মৃত্যুসনদ সংযুক্ত করে জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন।

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে গত ২৪ ডিসেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ২০ জানুয়ারি এ রায় ঘোষণার কথা থাকলেও প্রস্তুত না হওয়ায় নতুন তারিখ হিসেবে আজকের দিন ধার্য করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১।




লুটপাটে শেখ হাসিনা দেশ ধ্বংস করেছেন: খায়রুল কবির খোকন

লুটপাটে শেখ হাসিনা দেশ ধ্বংস করেছেন: খায়রুল কবির খোকন
ছবি সংগৃহীত।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গুম, খুন ও লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন। আজ রোববার বিকেলে নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের দাসপাড়া নার্সারি মাঠে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। খায়রুল কবির খোকন বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছর একটি ফ্যাসিস্ট ও অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে শহীদ জিয়ার পরিবার।"

তিনি আরও বলেন, "বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বিনা চিকিৎসায় হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। একইভাবে তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে না দিতে ১২৫টি মিথ্যা মামলাসহ নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে রাষ্ট্রকে খাদের কিনারায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।"

বক্তব্যে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে সতর্ক করে বলেন, "একটি দল জান্নাতের টিকিট বিক্রির নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। এসব অপপ্রচারে কেউ যেন পা না দেন।"

চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আল মামুন মুন্সির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা। দোয়া মাহফিলে চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আওলাদ হোসেন মোল্লা ও সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম সরকারসহ স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।




সংশোধনী

সংশোধনী
ছবি সংগৃহীত।


দৈনিক সাঙ্গু ফেইসবুক ফেইজে গতকাল চট্টগ্রামে কলেজ ভার্সিটির মেয়েরা জড়িয়ে পড়ছে দে/হ ব্যবসায় শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। রিপোটের শুরুতেই ইউটিউব থেকে সংগৃহিত দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার- মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম আরিফের ভয়েস ও চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মুলত সংগৃতি হয়েছে ইউটিউব থেকে । রিপোর্টটিতে তাকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার তিনি তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। আমরা তার বক্তব্যের অংশটুকু প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। ভবিষতে এই বিষয়ে আমরা আরো সর্তক হবো। বার্তা সম্পাদক




জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের পাহারাদার : ইব্রাহিম চৌধুরী

জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের পাহারাদার : ইব্রাহিম চৌধুরী
ছবি সংগৃহীত।

সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরী বলেছেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল হিন্দু-বৌদ্ধদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তাদের সহায়-সম্পত্তি দখল-বেদখলে নিয়োজিত ছিল। ভোট ব্যাংক হিসেবে প্রচার করে অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতিপক্ষে পরিণত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। এসব দলগুলোর মধ্যে ব্যতিক্রম জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত ক্ষমতায় আসলে এ দুই সম্প্রদায়সহ সবাই উন্মুক্ত বাতাসে নিজের জন্মভূমিতে স্বাধীনভাবে চলাফেরার পাশাপাশি স্বাধীন নাগরিক হিসেবে দেশের সকল অধিকার ভোগ করবে। এক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের বিশ্বস্থ পাহারাদার।


জুমাবার (২১ নভেম্বর) বিকালে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মাঝে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।


ইব্রাহিম চৌধুরী আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পর অনেক দল ক্ষমতায় আরোহণ করেছিল। তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণ অবগত রয়েছেন। এখন সময় এসেছে জামায়াতে ইসলামীকে  একবার পরীক্ষা করার। আপনাদের সুচিন্তিত ভোটের মাধ্যমে যদি জামায়াতে ইসলামী জনগণের সেবক হওয়ার সুযোগ পায় তাহলে এ দেশ ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। যেখানে থাকবে না কোন ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ড। সর্বোপরি সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে দেশের আপামর জনসাধারণ।


এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাতকানিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন, সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর রিদুয়ানুল করিম, সদর ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি হারুনুর রশিদ, সেক্রেটারি ডা. মো. আরিফ, জামায়াত নেতা আকতার কামাল, মো. আনোয়ার, মাওলানা ছাবের আহমদ, আমানুর রশিদ, কামাল উদ্দিন, হারুনুর রশিদ, আবদুল আজিজ ও মো.আশিক প্রমুখ।
....
ছবির ক্যাপশন : 
সাতকানিয়ায় হিন্দু - বৌদ্ধদের মাঝে শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে গণ সংযোগ করছেন ইব্রাহিম চৌধুরী।