জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের পাহারাদার : ইব্রাহিম চৌধুরী
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন

জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের পাহারাদার : ইব্রাহিম চৌধুরী

জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের পাহারাদার : ইব্রাহিম চৌধুরী
ছবি সংগৃহীত।

সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরী বলেছেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল হিন্দু-বৌদ্ধদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তাদের সহায়-সম্পত্তি দখল-বেদখলে নিয়োজিত ছিল। ভোট ব্যাংক হিসেবে প্রচার করে অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতিপক্ষে পরিণত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। এসব দলগুলোর মধ্যে ব্যতিক্রম জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত ক্ষমতায় আসলে এ দুই সম্প্রদায়সহ সবাই উন্মুক্ত বাতাসে নিজের জন্মভূমিতে স্বাধীনভাবে চলাফেরার পাশাপাশি স্বাধীন নাগরিক হিসেবে দেশের সকল অধিকার ভোগ করবে। এক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের বিশ্বস্থ পাহারাদার।


জুমাবার (২১ নভেম্বর) বিকালে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মাঝে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।


ইব্রাহিম চৌধুরী আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পর অনেক দল ক্ষমতায় আরোহণ করেছিল। তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণ অবগত রয়েছেন। এখন সময় এসেছে জামায়াতে ইসলামীকে  একবার পরীক্ষা করার। আপনাদের সুচিন্তিত ভোটের মাধ্যমে যদি জামায়াতে ইসলামী জনগণের সেবক হওয়ার সুযোগ পায় তাহলে এ দেশ ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। যেখানে থাকবে না কোন ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ড। সর্বোপরি সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে দেশের আপামর জনসাধারণ।


এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাতকানিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন, সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর রিদুয়ানুল করিম, সদর ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি হারুনুর রশিদ, সেক্রেটারি ডা. মো. আরিফ, জামায়াত নেতা আকতার কামাল, মো. আনোয়ার, মাওলানা ছাবের আহমদ, আমানুর রশিদ, কামাল উদ্দিন, হারুনুর রশিদ, আবদুল আজিজ ও মো.আশিক প্রমুখ।
....
ছবির ক্যাপশন : 
সাতকানিয়ায় হিন্দু - বৌদ্ধদের মাঝে শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে গণ সংযোগ করছেন ইব্রাহিম চৌধুরী।




৮০ লাখ টাকার কাপড় নিয়ে উধাও, চারদিন পর খালি ট্রাক উদ্ধার; গ্রেপ্তার ২

৮০ লাখ টাকার কাপড় নিয়ে উধাও, চারদিন পর খালি ট্রাক উদ্ধার; গ্রেপ্তার ২
ছবি সংগৃহীত।


চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডে নেওয়ার পথে প্রায় ৮০ লাখ টাকা মূল্যের ১৯৭ রোল আমদানি করা কাপড় উধাও হওয়ার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি


বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর থানার বড়পুল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবির দাবি, তারা গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানায় করা মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন মোহাম্মদ গোলাম রহমান মুন্না (৪৬) ও মোহাম্মদ আমানুল্লাহ (৬৩)। এসআরবি-৭, চট্টগ্রামের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের হালিশহর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মামলার এজাহার ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘মাইশা এন্টারপ্রাইজ, শাহরিয়ার অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড’ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য পরিবহনের কাজ করে। গত ৮ অক্টোবর বিকেল পাঁচটার দিকে প্রতিষ্ঠানটির বেতনভুক্ত চালক মো. ইয়াসিন একটি মালবাহী গাড়িতে ১৯৭ রোল আমদানি করা কাপড় নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের উদ্দেশে রওনা হন। কাপড়গুলো ইপিক গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেডের জন্য পাঠানো হচ্ছিল। এসব কাপড়ের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ লাখ টাকা।

পণ্যবাহী গাড়িটির অবস্থান জিপিআরএসের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছিল পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠানটি। ওই দিন রাত ১১টার দিকে গাড়িটির অবস্থান যাত্রাবাড়ী এলাকায় দেখতে পায় কর্তৃপক্ষ। পরে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে গাড়িটি তেজগাঁও এলাকায় রয়েছে বলে জানা যায়। নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে গাড়িটি ঢাকার দিকে চলে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়।

এরপর চালক ইয়াসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গাড়ির বৈদ্যুতিক তারের সমস্যার কথা জানান। একই সঙ্গে তার মুঠোফোন নষ্ট হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি। পরে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।


কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে গত ১২ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার মাছিমপুর এলাকায় কামারপাড়া-স্টেশন রোডে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ফটকের পাশে গাড়িটি খুঁজে পায়। তবে গাড়িতে কোনো মালামাল ছিল না।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, চালক ইয়াসিন অজ্ঞাত পরিচয় আরও চার-পাঁচজনের সঙ্গে যোগসাজশ করে কাপড়গুলো সরিয়ে অন্যত্র বিক্রি করেন। এ ঘটনায় ‘মাইশা এন্টারপ্রাইজ, শাহরিয়ার অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড’-এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে ১৩ অক্টোবর টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

এসআরবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি মুন্না ও আমানুল্লাহ চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের বড়পুল এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বিকেল পাঁচটা ৪০ মিনিটের দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের হালিশহর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
 




বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ

বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বান্দরবান। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে যখন অনেকেই নীরব, তখন কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে নয়; বরং নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবানের একদল তরুণ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ক্যাচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ৯০টিরও বেশি দুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারের হাতে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, তারা কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বান্দরবানের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগ দেখে কয়েকজন বন্ধু ও শিক্ষার্থী নিজেদের মধ্যে অর্থ সংগ্রহ করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তারা ত্রাণসামগ্রী কিনে দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।
তাদের ভাষ্য, “এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আমরা জানি, এই সহায়তা সব মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবুও যারা অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন, তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগের সময় মানবতার কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসে, তাহলে বান্দরবানের এই সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হবে।”
তারা আরও বলেন, “আমরা কোনো সংগঠন নই এবং কারও সহযোগিতার অপেক্ষায়ও ছিলাম না। নিজেদের সাধ্যমতো অর্থ সংগ্রহ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। এটি আমাদের কার্যক্রমের শুরু মাত্র। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের সময় সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। তরুণদের এই উদ্যোগ অন্যদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উদ্যোক্তারা বান্দরবানের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে হলেও সবাই এগিয়ে এলে আরও বেশি মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।




কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত
ছবি সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (২১ জুন) সকালে দেশটির আল শাহানিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ভারতীয় এক নাগরিকও নিহত হন।

নিহত পাঁচ বাংলাদেশি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন- জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে প্রবাসীরা একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে আল শাহানিয়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ উদ্ধার করে কাতারের একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক।

তিনি বলেন, কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সহসভাপতি তাওহীদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের এলাকার পাঁচজন প্রবাসীর মৃত্যুতে পুরো কানাইঘাটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রবাসী সংগঠন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যাতে স্বজনরা শেষবারের মতো তাদের দেখতে পারেন এবং যথাযথ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করা যায়।

এদিকে, বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা আমাদের এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে কাতার দূতাবাসের শ্রম উইংকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই সংকটাপন্ন মুহূর্তে সরকার নিহতের পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে।