সড়ক বিভাগের টেন্ডারে প্রভাব ও পদবাণিজ্যের অভিযোগ: ৫ আগস্টের পর মনিরের 'উত্থান' ঘিরে তোলপাড়
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন

সড়ক বিভাগের টেন্ডারে প্রভাব ও পদবাণিজ্যের অভিযোগ: ৫ আগস্টের পর মনিরের 'উত্থান' ঘিরে তোলপাড়

সড়ক বিভাগের টেন্ডারে প্রভাব ও পদবাণিজ্যের অভিযোগ: ৫ আগস্টের পর মনিরের 'উত্থান' ঘিরে তোলপাড়
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবান জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন ভূঁইয়াকে ঘিরে নানা অভিযোগ সামনে আসায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। দলীয় পদ পেতে অর্থ লেনদেন, সড়ক বিভাগের সরকারি উন্নয়নকাজের টেন্ডারে প্রভাব বিস্তার, উপজেলা পর্যায়ের কমিটি ভাঙা-গড়ায় হস্তক্ষেপ, থানায় গিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব দেখানো এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, ৫ আগস্টের পর মনির হোসেন ভূঁইয়ার রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক অবস্থানে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। একসময়ে বান্দরবান যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে রান্নার কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকা মনির অল্প সময়ের মধ্যে কীভাবে এতটা প্রভাবশালী হয়ে উঠলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। তাঁর আয়-সম্পদ ও অর্থের উৎস নিয়েও অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে।

6a9edf4a-3dc3-4a27-9c76-74707d3fd3fb
 

মনির হোসেন ভূঁইয়াকে ঘিরে অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। ২০২৫ সালের ২৪ জানুয়ারি আলীকদম উপজেলা কৃষক দলের নেতাকর্মীরা বান্দরবান জেলা কৃষক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত করা এবং জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হয়। জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বহিরাগত বলেও অভিযোগ করেন সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা। একই সময়ে লামা উপজেলা কৃষক দলের পক্ষ থেকেও সংবাদ সম্মেলন করে মনির হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ পাওয়ার ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেন হয়েছে। শুধু জেলা পর্যায়ের পদ নয়, বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিটের কমিটি গঠন ও বাতিলের ক্ষেত্রেও অর্থের বিনিময়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এদিকে সড়ক বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়নকাজের টেন্ডার নিয়েও মনিরের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে সরকারি উন্নয়নকাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হয়। নিজের নামে অথবা ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের মাধ্যমে কাজ নেওয়া কিংবা অন্যদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর প্রভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একজন রাজনৈতিক দলের জেলা পর্যায়ের নেতার বিরুদ্ধে সরকারি উন্নয়নকাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠার পরও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কেন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে না—এ প্রশ্নও তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

মনির হোসেন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন ঘটনা ও বিরোধের ক্ষেত্রে থানায় গিয়ে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং সংবাদকর্মীদের যথাযথ মর্যাদা না দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের একটি অংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

সব মিলিয়ে দলীয় পদ, সরকারি টেন্ডার, রাজনৈতিক প্রভাব এবং ৫ আগস্টের পর কথিত দ্রুত উত্থান—এসব বিষয় নিয়ে মনির হোসেন ভূঁইয়াকে ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগকারীরা তাঁর বর্তমান সম্পদ, আয়ের উৎস, টেন্ডার-সংশ্লিষ্টতা এবং দলীয় পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা বা অসত্যতা স্পষ্ট হবে।




নাইক্ষ‍্যংছড়ির বাইশফাঁড়ি বিজিবির অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ‍্যংছড়ির বাইশফাঁড়ি বিজিবির অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) নাইক্ষ‍্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ী বিওপির টহলদল কর্তৃক মালিকবিহীন ১,০০,০০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
(৬ অক্টোবর মঙ্গলবার) সকালে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ বাইশফাঁড়ী বিওপির টহল দল কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার-৩৬ হতে আনুমানিক ৪.৫ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কাস্টম নামক স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় ১,০০,০০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। উল্লেখ্য, উদ্ধারকৃত বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট এর ব্যাপারে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অধিনায়ক বলেন “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারাতেই নয়, বরং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




পাহাড়-পর্বতে ট্যুরিস্টের ভালোলাগার গল্প: মেঘ-পাহাড়ের হাতছানি, ঝরনার কলতান আর সবুজের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ পর্যটকরা

পাহাড়-পর্বতে ট্যুরিস্টের ভালোলাগার গল্প: মেঘ-পাহাড়ের হাতছানি, ঝরনার কলতান আর সবুজের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ পর্যটকরা
ছবি সংগৃহীত।

পাহাড়ের গায়ে মেঘের আলিঙ্গন, দূরে নীলচে পর্বতমালা, সবুজ বন আর পাহাড়ি ঝরনার স্বচ্ছ জলের ছন্দ—প্রকৃতির এমন অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন অসংখ্য পর্যটক। শহরের ব্যস্ততা, যানজট ও কোলাহল পেছনে ফেলে পার্বত্য অঞ্চলে সবুজ পাহাড়ে এসে অনেকেরই মনে হয়, প্রকৃতির কাছে ফিরে পাওয়ার মতো আনন্দ আর কিছুতেই নেই—সাঙ্গু পত্রিকার প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই বলছিলেন আব্দুল মান্নান নামের এক পর্যটক।

বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদে পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ তৈরি করে পাহাড়, মেঘ, ঝরনা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনযাত্রা। ভোরের আলো ফুটতেই পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের আনাগোনা, বিকেলে সূর্যের নরম আলো আর সন্ধ্যায় পাহাড়ের নীরবতা—সব মিলিয়ে পর্যটকদের মনে তৈরি হয় ভিন্ন এক অনুভূতি।

পর্যটক ইসমাইল হোসেন বলেন, পাহাড়ে এসে শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখাই নয়, এখানকার মানুষের জীবন, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তাও ভ্রমণকে আরও অর্থবহ করে তোলে। পাহাড়ি পথে হাঁটা, ঝরনার পানিতে পা ভেজানো কিংবা কোনো উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে চারপাশের বিস্তীর্ণ সবুজ দেখা—প্রতিটি মুহূর্তই যেন আলাদা গল্প হয়ে জমা হয় স্মৃতিতে।

বিশেষ করে বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে পাহাড়ের সৌন্দর্য যেন আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। পাহাড়ের গায়ে নেমে আসে মেঘের আস্তরণ। কোথাও ঝরনা হয়ে নামে পাহাড়ি জলধারা, আবার কোথাও সবুজ পাহাড়ের বুক চিরে আঁকাবাঁকা পথে ছুটে চলে পর্যটকদের গাড়ি। প্রকৃতির এই রূপ মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করতেও ব্যস্ত থাকেন অনেকে।

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে পাহাড়ে ঘুরতে আসা রাকিব ইসলাম বলেন, শহরের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যে প্রকৃতিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ খুব কম। পাহাড়ে এসে মনে হচ্ছে, কয়েক দিনের জন্য অন্য এক জগতে চলে এসেছি। এখানকার পরিবেশ ও দৃশ্য সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।

আরেক পর্যটক নাসিমা আক্তার বলেন, পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে চারপাশের মেঘ ও সবুজ প্রকৃতি দেখার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। ছবি তুলে রাখছি, কিন্তু বাস্তবে যে সৌন্দর্য দেখছি, ছবিতে তার পুরোটা ধরা যায় না।

রুমার ট্যুরিস্ট গাইড সমিতির সভাপতি মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে তিন শ পর্যটক পাহাড়ে আসেন। পাহাড়ি এলাকায় পর্যটনের সম্ভাবনা অনেক। পরিকল্পিত পর্যটন অবকাঠামো, নিরাপদ যাতায়াত, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও পরিবেশের প্রতি সম্মান রেখে পর্যটন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তবে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে পরিবেশের ক্ষতি না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পর্যটকদের ফেলে যাওয়া প্লাস্টিক ও বোতলসহ বিভিন্ন বর্জ্য পাহাড়ি পরিবেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রকৃতিকে ভালোবেসে ভ্রমণ এবং যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার বিষয়ে সচেতন হওয়ার তাগিদ রয়েছে।

এদিকে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যটকদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন স্থানে কটেজ, যাত্রীছাউনি ও রেস্টুরেন্টসহ নানা সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

পাহাড় শুধু ভ্রমণের জায়গা নয়, এটি প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের একধরনের নীরব সম্পর্ক তৈরির স্থান। পাহাড়ের নীরবতা, মেঘের ভেলা, ঝরনার শব্দ আর সবুজের মায়া অনেক পর্যটকের মনে তৈরি করে দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি। তাই ছুটির দিনে কিংবা অবসর পেলেই অনেকে আবারও ফিরে আসতে চান পাহাড়ের সেই চেনা-অচেনা সৌন্দর্যের কাছে।

প্রকৃতির এই টানেই পাহাড়ে আসা পর্যটকদের মুখে শোনা যায় একটাই কথা—পাহাড়ে এলে মন ভালো হয়ে যায়। আর সেই ভালোলাগার গল্পই বারবার মানুষকে টেনে নেয় পাহাড়-পর্বতের পথে।




থানচিতে পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৫

থানচিতে পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৫
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের থানচিতে ডিমপাহাড়-টিন্দুমুখ সড়কে একটি পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
সোমবার (০৫ অক্টোবর) বিকাল ৩.৪৫ টা সময় ডিমপাহাড় হতে টেন্ডুমুখ নৌঘাটের দিকে নামার সময় টেন্ডুমুখ নৌ চেকপোস্ট হতে আনুমানিক ৬০০ মিটার দূরে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় গাড়িতে থাকা পর্যটকদের মধ্যে ০২ জন ঘটনাস্থলেই নিহত এবং ০৫ জন আহত হন। দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়া সঙ্গে সঙ্গে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বিপিএমএস এর নেতৃত্বে অধীনস্থ টেন্ডুমুখ বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। পরবর্তীতে আহত ০৫ জনকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। নিহত দুজনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানচি থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। 
দুর্ঘটনায় উদ্ধার কার্যক্রমে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)-এর সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। আহতদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিজিবির পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিকভাবে তদারকি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।