মাদকের তকমা লাগিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

মাদকের তকমা লাগিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ

মাদকের তকমা লাগিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শাহমীরপুর এলাকায় একটি মাদকবিরোধী সমাবেশকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মানহানির উদ্দেশ্যে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে স্থানীয় সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য মো. ওমর উদ্দিন ও মোহাম্মদ করিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্থানীয়রা। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের শাহমীরপুর মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয়দের ব্যানারে এ আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন স্থানীয় ওমর উদ্দিন, জিয়াউল করিম, হাবিবুর রহমান, রেজাউল হক তানজীম, ফরহাদুল ইসলাম প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ রেজা প্রকাশ মেম্বার বলেন, ‘গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে এলাকায় মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এলাকার মানিক, ওসমান ও মারুফ আমাকে চাপ প্রয়োগ করেন, যেন মো. ওমর উদ্দিন ও মোহাম্মদ করিমের বিরুদ্ধে কথা বলি। আমি বাধ্য হয়ে বলি যে তাঁরা মাদকের সঙ্গে জড়িত। আসলে এসব কাজে তাঁরা দু'জন কখনো জড়িত ছিলেন না। আমার দেওয়া ওই বক্তব্যটি মিথ্যা।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে এবং যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করার জন্য সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে একটি মাদকবিরোধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে এবং মাদকবিরোধী এই সামাজিক আন্দোলনকে পণ্ড করার উদ্দেশ্যে সভাটি সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে সচেতন এলাকাবাসীর সম্মান ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারা স্পষ্ট করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই অবস্থান কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়; বরং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও তরুণ প্রজন্মকে বাঁচানোর জন্য। একটি পক্ষ আমাদের এই শুভ উদ্যোগকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

এ সময় এলাকাবাসীর পক্ষে মাদকবিরোধী সমাবেশ নিয়ে সত্য বিকৃত করে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়াও এলাকাকে পূর্ণাঙ্গ মাদকমুক্ত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখাসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। এ সময় তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে যেকোনো মূল্যে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।




সাতকানিয়ায় পৈত্রিক জমিতে ঘর নির্মাণে হামলা, নারীসহ আহত ৫

সাতকানিয়ায় পৈত্রিক জমিতে ঘর নির্মাণে হামলা, নারীসহ আহত ৫
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসতঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং এক নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা দাবি করেন, দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাঁদের ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০টায় সাতকানিয়ার কেরানীহাটের একটি হলরুমে উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. শাহজাহান এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মো. শাহজাহান বলেন, তাঁদের পরিবারে তিন ভাই ও দুই বোন রয়েছেন। পারিবারিকভাবে পৈত্রিক সম্পত্তি বণ্টনের পর প্রত্যেকে নিজ নিজ অংশ ভোগদখল করে আসছিলেন। প্রায় তিন মাস আগে আমরা (তিনি) নিজেদের অংশে একটি পাকা বসতঘর নির্মাণ শুরু করি। কিন্তু প্রতিপক্ষ ওই জমিতে নিজেদের অংশ রয়েছে দাবি করে শুরু থেকেই নির্মাণকাজে বাধা দিতে থাকে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সার্ভেয়ার দিয়ে জমি পরিমাপ করা হলে নির্মাণাধীন ঘরের জায়গায় প্রতিপক্ষের কোনো অংশ নেই বলে প্রমাণিত হয়। এরপরও তারা সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিল।

শাহজাহানের অভিযোগ, গতকাল মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্তরা ধারালো দা, লোহার রড, গাছের লাঠি ও বাঁশের লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে নির্মাণাধীন ঘরে প্রবেশ করে রাজমিস্ত্রি ও শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে দেয়। প্রতিবাদ করলে তারা পরিবারের সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বড় ভাই মো. ইউসুফের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে লাঠি দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়, যাতে মাথা, কপাল, কান, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। অপর ভাই শাহ আলমের পায়ে আঘাত করে হাড় ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জাহেদা বেগম বলেন, ভাইকে রক্ষা করতে গেলে তাঁকে ধারালো দা দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। পরে মারধর করে পরনের পোশাক ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করা হয় এবং গলায় থাকা প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, হামলায় তাঁর মা মোস্তফা খাতুন ও ভাগিনা মুরাদ হাসানও আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সবাইকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা নির্মাণাধীন ঘরের সেন্টারিংয়ের বাঁশ, কাঠ ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী ভাঙচুর করে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি করে। এ ছাড়া প্রায় এক টন লোহার রড, রাজমিস্ত্রির সরঞ্জাম, ইট ও কংক্রিটসহ কয়েক লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা হুমকি দিয়ে বলে—আবার ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে কিংবা থানায় বা আদালতে গেলে হত্যা, লাশ গুম এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।




পুটিবিলা আশ্রয়ণ প্রকল্প সড়কে ৩৫ বছরেও সংস্কার নেই

পুটিবিলা আশ্রয়ণ প্রকল্প সড়কে ৩৫ বছরেও সংস্কার নেই
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা আশ্রয়ণ প্রকল্প সড়কটির বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির বিভিন্ন অংশে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। বর্ষায় কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায় সড়কটি। আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে নাকাল হতে হয় পথচারীদের। বর্তমানে অনেক স্থানে যানবাহন তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দরবেশহাট ডিসি সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত হাসনাপাড়া ব্রিজ থেকে উত্তর পহরচাঁদা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার এ সড়কটি পুটিবিলা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। নোয়াপাড়া, পহরচাঁদা, হানিফার পাড়া, নতুনপাড়া, আশ্রয়ণ পাড়া, খনির পাড়া, পূর্বপাড়া ও বড়ুয়া পাড়ার মানুষ প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৩৫ বছর ধরে সড়কটি ব্যবহৃত হলেও এখনো স্থায়ীভাবে সংস্কার বা পাকাকরণ করা হয়নি। ২০২২ সালে সড়কটি এলজিইডির আইডিভুক্ত হলেও দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ শুরু হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

গত সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত। কোথাও কাদা, কোথাও ভাঙা সড়কের ওপর ছড়িয়ে রয়েছে মাটি। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো কাদাপানিতে ভরে যায়। সড়কের এমন অবস্থায় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে কাদা মাড়িয়ে চলতে গিয়ে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের ভোগান্তির শেষ থাকে না।

স্থানীয়রা জানান, এ সড়কের আশপাশে রয়েছে হাসনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গৌড়স্থান উচ্চ বিদ্যালয়, গৌড়স্থান আখতারিয়া পাড়া দাখিল মাদ্রাসা, পহরচাঁদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পহরচাঁদা এবতেদায়ী মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসাসহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বর্ষায় কাদার কারণে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে গিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা দুর্ভোগে পড়েন। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের জুতা হাতে নিয়ে কাদা মাড়িয়ে চলতে হয়।

সড়কটির দুরবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। মাঠ থেকে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে গিয়ে তাদের বাড়তি সময় ও পরিবহন খরচ গুনতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও যানবাহন যেতে না পারায় মাথায় বা কাঁধে করে কৃষিপণ্য বহন করতে হচ্ছে।

নোয়াপাড়ার বাসিন্দা কৃষক মোহাম্মদ আবু ছালেক ও মোস্তফিজুর রহমানসহ স্থানীয়রা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির একই অবস্থা। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু পরে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে বর্ষায় কাদা আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে।

তাদের অভিযোগ, সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও পাকাকরণ না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের যাতায়াতে সমস্যা সবচেয়ে বেশি। একই সঙ্গে সড়কের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নও জরুরি বলে মনে করছেন তারা। স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও পাকাকরণের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

লোহাগাড়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, পুটিবিলা আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে পহরচাঁদা পর্যন্ত সড়কটি উন্নয়নের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।
 




লোহাগাড়ায় বাসের ধাক্কায় ছিটকে পড়ল শিশু, চমেকে মৃত্যু

লোহাগাড়ায় বাসের ধাক্কায় ছিটকে পড়ল শিশু, চমেকে মৃত্যু
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়ায় মহাসড়ক পারাপারের সময় বাসের ধাক্কায় মোহাম্মদ সুরাইম (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে চুনতি ইউনিয়নের নলবনিয়া ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দারুল কোরআন ইবতেদায়ী মাদরাসা গেইট সংলগ্ন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুরাইম ওই এলাকার মোহাম্মদ বেলালের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে মাদরাসা গেইটের সামনে মহাসড়ক পার হচ্ছিল শিশু সুরাইম। এ সময় চট্টগ্রামমুখী হানিফ পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-২৯৭১) তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে শিশুটি ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে লোহাগাড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠান। পরে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুরাইমকে মৃত ঘোষণা করেন।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন বলেন, ঘটনার বিষয় শুনেছি, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।