বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদ, শিক্ষার্থী‌দের ভাঙচুর
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন

বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদ, শিক্ষার্থী‌দের ভাঙচুর

বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদ, শিক্ষার্থী‌দের ভাঙচুর
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ সচিবালয় বর্তমান জায়গা থেকে সরিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তর করার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হ‌য়ে‌ছেন শেরেবাংলা নগর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা। তারা এশিয়া আন্তর্জাতিক মেলার জন্য নির্মিত একটি গেট ও স্টল ভাঙচুর করেন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালের দিকে তারা ওই মাঠের মেলার স্থাপনা ভাঙচুর শুরু করেন তারা।

এর আগে সকা‌লে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকাস্ট্যান্ডের সামনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে গিয়ে অবস্থান নেন তারা। এ সময় মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে মেলার গেট ও স্টল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, মেলা সরিয়ে নেওয়ার জন্য মঙ্গলবার আমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। এজন্য সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে কোনও অগ্রগতি আমরা দেখিনি। আমরা আমাদের মাঠ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

এ বিষয়ে মেলার মহাজন মো. জাহাঙ্গীর ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখনই গেট সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলে দিচ্ছি। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কেউ নই। আমরা এটি সরিয়ে ফেলবো।’

উল্লেখ‌্য, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) মেলার মাঠে সচিবালয় স্থাপনের জন্য চলমান মাটির গুণাগুণ পরীক্ষার কাজ চলছিল। দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে এসে মাটি পরীক্ষাকাজের যন্ত্রাংশ এবং দুটি গাড়ি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে যান। 




বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেটরো) প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমুর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

জাপানের স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদার করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণে জেটরোর ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে উন্নত উৎপাদনশিল্প, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), অটোমোবাইল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে জাপানের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে।

বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে।

এ ছাড়া বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার জন্য জাপানের প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান। এসব উদ্যোগ জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

বৈঠকে জেটরোর প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমু বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটি বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগে জাপানি কোম্পানিগুলোর আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

বৈঠক শেষে জেটরোর প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমুর আমন্ত্রণে তার আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাতাওকা সুসুমুকে তার সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 




বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৯টি দেশের নাগরিকদের প্রতারণা ও চাপের মুখে ফেলে রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করানোর প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশনের এক প্রতিবেদনের সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মানবাধিকার কমিটির কাছে পেশ করা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে প্রলোভন ও জোরজবরদস্তির মাধ্যমে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী বিদেশি নাগরিকদের রুশ সশস্ত্র বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করেছে মস্কো। এদের বড় একটি অংশ অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া, প্রান্তিক ও কম শিক্ষাগত যোগ্যতার সুযোগ নিয়ে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিভিন্ন দেশে সক্রিয় ট্রাভেল এজেন্সি ও স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের রাশিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরই রুশ ভাষায় লেখা ডিফেন্স মিনিস্ট্রির চুক্তিপত্রে তাদের সই করতে বাধ্য করা হয়, যার ভাষা তারা বুঝতেই পারেননি। জাতিসংঘ কমিশনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা যখন বুঝতে পারেন যে তাদের রুশ সামরিক বাহিনীর হয়ে সরাসরি ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে হবে, তখন তারা হতভম্ব হয়ে যান।

কমিশন বিশ্বের ৪৮টি দেশের নাগরিকদের ওপর তথ্য অনুসন্ধান চালিয়ে ২৯টি দেশের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রতারণামূলক নিয়োগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ২৯টি দেশ হলো— বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, বেলারুশ, আজারবাইজান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, ক্যামেরুন, কলম্বিয়া, ডোমিনিকান রিপাবলিক, এল সালভাদর, ঘানা, হন্ডুরাস, জর্ডান, কেনিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, পেরু, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সোমালিয়া, তাজিকিস্তান, তিউনিসিয়া, তুরস্ক, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন এবং জিম্বাবুয়ে।

একই প্রতিবেদনে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলার মারাত্মক চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, কনকনে শীতের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যুৎ সেবা বন্ধ করে লাখ লাখ বেসামরিক মানুষকে দুর্ভোগে ফেলার এই কাজ যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের সামিল।

সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান এরিক মোসে বলেন, জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে এই আক্রমণগুলো যুদ্ধাপরাধ, কারণ এগুলো সরাসরি বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। এর ফলে বরফশীতল অন্ধকারে সাধারণ মানুষকে অমানবিক কষ্টের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে যাওয়ায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় লিফটে উঠতে না পেরে বয়স্ক মানুষেরা আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পারেননি এবং হাসপাতালের লাইফ-সাপোর্টে থাকা রোগীরা চরম জীবনঝুঁকিতে পড়েন। ২০২৫-২৬ সালের শীতে কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থান করা ২৫৫ জন ভুক্তভোগী, চিকিৎসক ও নাগরিক সংস্থার সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার মিশন জানিয়েছে, তারা এই কমিশনের প্রতিবেদনকে স্বীকার করে না এবং তাদের আনা সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও ভুয়া তথ্য নির্ভর দবলে দাবি করেছে। 




শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে মবের শিকার হবেন না: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে মবের শিকার হবেন না: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
ছবি সংগৃহীত।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন না। তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া চলবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমরা যাকে চাই, তিনি আসলেন, আপনি হ্যাপি? আমাদের তাহলে ধরে বেঁধে আনতে হলো না। উনি আসলেন, উনি আসলেন, উনি বিচারের মুখোমুখি হবেন, উনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। উনি আসার পর লিগ্যাল প্রসেসে যা যা হওয়ার তাই হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফেরার বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা নিয়ে বারবার আলোচনা হলে একই বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জল্পনা চলতে থাকবে। এ প্রসঙ্গে তিনি ডিসেম্বর ও পরবর্তী জুন মাসের উদাহরণ দিয়ে বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের পর দেশে আসতে না পারার কথা জানিয়ে আবার নতুন সময়ের কথা বলা হলে একই আলোচনা পুনরায় শুরু হবে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পর তার নিরাপত্তা ও বিচার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, তিনি কোনো মবের মুখোমুখি হবেন না এবং কোনো বেআইনি পরিস্থিতির শিকার হবেন না। তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়টি ন্যায়বিচারের মাধ্যমেই হতে হবে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে এরশাদের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নব্বইয়ের পর এরশাদ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। তিনি মন্ত্রিসভাসহ দেশে ছিলেন, জেলে থেকেছেন এবং পাঁচটি আসনে জয়ীও হয়েছেন। তার দলের ৩৫টি আসন ছিল।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়ায় যা হওয়ার, তা-ই হবে। তাকে কোনো ধরনের বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে দেওয়া হবে না।

সিপিবির কার্যালয়ে হামলা ও অপরাধ প্রতিরোধ

সিপিবির কার্যালয়ে হামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে সরকারের বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে। অনেক ঘটনা আগেই ঠেকানো হয়, যেগুলো সাধারণ মানুষ জানতে পারেন না।

তিনি বলেন, ধরুন, পুলিশেরই একটা প্রিম্পটিভলি অপরাধ বোঝার মতো একটা সংস্থা আছে। এর সাহায্যে, এর রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রচুর অপরাধ আসলে ঠেকানো হয়, আমরা হয়তো দেখেও পাই না।

বাংলাদেশের অর্থনীতি থেকে শুরু করে সব ব্যবস্থা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সময় কিছু ঘটনা ঘটতে পারে। তবে সরকার সেসব ঘটনায় ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে জল্পনা নয়

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কথা বলা হয়নি। তাই এ নিয়ে অনুমাননির্ভর আলোচনা না করাই ভালো।

তিনি বলেন, ‘না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কবে ভারতে যাবেন, এরকম কোনো রকম কোনো কথা সরকারি দিক থেকে অফিশিয়ালি হয় নাই। সুতরাং এটা নিয়ে আমাদের আসলে স্পেকুলেট না করাই ভালো হবে।’