ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের নাকের ডগায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল, গড়ে উঠেছে মুরগির খামার

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের আওতাধীন ডুলাহাজারা বনবিটে সংরক্ষিত বনভূমি জবরদখল করে মুরগির খামারসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। বনবিট কার্যালয়ের কাছাকাছি এমন কর্মকাণ্ড চললেও সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় সচেতন মহল।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে ডুলাহাজারা রেলওয়ে স্টেশনের লাগোয়া মাদার ট্রি, গর্জন বাগান ও সামাজিক বনায়নের জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে জবরদখলের অভিযোগ রয়েছে। সেখানে বনভূমি দখল করে অবৈধ বসতি, মুরগির খামারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক স্থাপনা গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের সংশ্লিষ্টদের নীরবতার সুযোগেই সংরক্ষিত বনভূমিতে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে। বনভূমি দখলের পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে হামলা ও হয়রানির আশঙ্কায় অনেকে মুখ খুলতে সাহস পান না।
সচেতন মহলের আশঙ্কা, অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করা না হলে ধীরে ধীরে সংরক্ষিত বনভূমি সংকুচিত হবে। এতে বনজ সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের পাশাপাশি এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) কামরুল হাসান বলেন, "উক্ত জায়গায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছিল এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।"
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান ও মামলা হওয়ার পরও কীভাবে একই এলাকায় নতুন করে মুরগির খামারসহ অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে? বনভূমি রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।











