পটিয়ায় বন্যায় কমেছে সবজি উৎপাদন, চড়া দামে বিপাকে ক্রেতারা

জলাবদ্ধতা ও বন্যায় কৃষিজমি ও সবজিখেত নষ্ট হওয়ায় পটিয়ায় বেড়েছে সবজির দাম। প্রতি কেজি শিম ৯০ টাকা, বেগুন ১০০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, করলা ৯০ টাকা এবং লাউ ও কাঁচামরিচসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
উপজেলার খরনা, কচুয়াই, শ্রীমাই ও পাহাড়ি এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে অনেক সবজিখেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে, আবার কোথাও অতিরিক্ত পানিতে গাছ নষ্ট হয়েছে। ফলে স্থানীয় বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গেছে।
হাঁইদগাঁওয়ের সবজিচাষি এনায়েত বলেন, "বন্যা ও জলাবদ্ধতায় অনেক খেত নষ্ট হয়েছে। নতুন করে চাষ করতে আবার খরচ হচ্ছে। উৎপাদন কমে যাওয়ায় কৃষক যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তেমনি বাজারে সবজির দামও বেড়েছে।"
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, স্থানীয় উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাইরে থেকে বেশি সবজি আনতে হচ্ছে। এতে পরিবহন খরচসহ অন্যান্য ব্যয় বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।
পটিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াছিন আলী বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় বিভিন্ন এলাকায় সবজি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষকদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
পটিয়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল আলম সওদাগর বলেন, "স্থানীয়ভাবে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসবে। বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।"
ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সঙ্গে সবজির দামও বাড়ায় সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা, দ্রুত পানি নিষ্কাশন এবং বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।









