নেপালে-তিব্বতে নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ বেড়ে প্রায় ৩ হাজার
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন

নেপালে-তিব্বতে নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ বেড়ে প্রায় ৩ হাজার

নেপালে-তিব্বতে নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ বেড়ে প্রায় ৩ হাজার
ছবি সংগৃহীত।

নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী জেলা রসুয়া এবং সীমান্তের অপর পাশে চীনের তিব্বত প্রদেশের গিরং জেলায় ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল বা হড়পা বানের পর থেকে এ পর্যন্ত ৬৩৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার এসব মরদেহের মধ্যে ৬২৬ টি নেপাল এবং বাকি ৭টি তিব্বতের।

মরদেহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিখোঁজদের সংখ্যাও। কাঠমান্ডু ও বেইজিংয়ের তথ্য অনুসারে, রাসুয়া এবং গিরংয়ে এ পর্যন্ত নিখোঁজদের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ জনে। নেপালে নিখোঁজ হয়েছেন ১ হাজার ৯২৪ জন এবং গিরংয়ে ৫৫৮ জন। পানিতে ভেসে গিয়ে কিংবা বানের সঙ্গে আসা কাদা-পাথর-জঞ্জালের তলায় চাপা পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন তারা। এই নিখোঁজদের মধ্যে নেপালি ও তিব্বতিদের পাশরপাশি ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়াসহ ৩৫টি দেশের প্রায় ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক আছেন।

গত ২৬ আগস্ট বুধবার ভোতিকোশি এবং তার শাখানদী লেহন্দে নদীর একটি ব্যারিয়ার হ্রদ (তুষার,পাথর বা অন্যান্য প্রাকৃতিক বাধার কারণে পানির প্রবাহ আটকে নদীতে যে জলাধার তৈরি হয়) ভেঙে পড়ায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা দেখা দেয় নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী রাসুয়া এবং সীমান্তের অপর পাশে তিব্বতের গিরং জেলায়। লাখ লাখ ঘনমিটার পানি এবং তার সঙ্গে আসা টনকে টন কাদা, পাথর, জঞ্জালে ঢেকে যায় দুই দেশের দু’জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা।

এদিকে গতকাল শুক্রবার এক প্রতিবেদেন চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বত-নেপাল সীমান্তের কাছে নতুন একটি ব্যারিয়ার হ্রদের সন্ধান মিলেছে এবং যে কোনো সময়ে সেটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যারিয়ার হ্রদের পানির প্রভাবে ভোতিকোশি নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল সিসিটিভির প্রতিবেদনে।

শুক্রবার এ খবর প্রচারিত হওয়ার পর তিব্বত এবং নেপাল— উভয় স্থানেই উদ্ধার কাজ স্থগিত করা হয়েছিল। কিছু সময় স্থগিত থাকার পর অবশ্য ফের উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে নেপাল; তবে চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিন দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর ফের উদ্ধার তৎপরতা শুরু হবে তিব্বতে।

সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে




নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪
ছবি সংগৃহীত।

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া এখনো নিখোঁজ আছেন আরও ২ হাজার ৪৯৮ জন। রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে দেশটির সরকার সর্বশেষ আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছে।

নিখোঁজের সংখ্যা সরকারি হিসেবের চেয়ে আরও অনেক বেশি বলে জানা গেছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ৭৩৪টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। যেগুলো বন্যাকবলিত বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া গেছে।

এরমধ্যে চিতাওয়ানে সর্বোচ্চ ২৫৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর রয়েছে পূর্ব নাওয়ালপারাসি। সেখানে পাওয়া গেছে ১৮৪টি মরদেহ। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ৮২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পশ্চিম নাওয়ালপারাসিতে।

আর গোর্খায় পাওয়া গেছে ৫৮টি মরদেহ। নুয়াকোটে এ সংখ্যা ৫২। ধাধলিংয়ে ৫০, তানাহুনে ৩৬ এবং রাসুয়া থেকে ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আকস্মিক বন্যা আঘাত হানে রাসুয়া জেলায়। তবে এটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে মরদেহগুলো ভাসতে ভাসতে কয়েকশ মাইল দূরে চলে গেছে।

অপরদিকে এখন পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৮ হাজার ১৮৬ জনকে। জীবিতদের উদ্ধারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে হেলিকপ্টার। বন্যার কারণে কিছু কিছু জায়গা এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে চারদিন পার হলেও সেখানে এখনো পায়ে হেঁটে বা গাড়িতে করে উদ্ধারকারীরা যেতে পারেননি। সেসব স্থানে যাওয়ার একমাত্র উপায় হলো হেলিকপ্টার।

এদিকে গতকাল নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানান, এখন পর্যন্ত উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর মধ্যে মাত্র ২০টি শনাক্ত করা হয়েছে। যেহেতু মর্গে আর স্থান নেই এবং মরদেহগুলো রাখার জন্য পর্যাপ্ত ফ্রিজারও নেই; তাই এগুলো এখন সমাহিত করা হবে। এরআগে মরদেহগুলো থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করে রাখা হবে। যেন পরবর্তীতে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা তাদের শনাক্ত করতে পারে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট




নেপালে বন্যা : এক সেকেন্ডে ১৬৫ ফুট পথ পেরিয়েছে কাদা-পাথরের স্রোত

নেপালে বন্যা : এক সেকেন্ডে ১৬৫ ফুট পথ পেরিয়েছে কাদা-পাথরের স্রোত
ছবি সংগৃহীত।

নেপালে বিধ্বসী আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানের জন্য অনেকেই ভূমিকম্পকে দায়ী করেছেন; তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সাভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্প নয়, তুষারধসের কারণেই ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা এসেছিল নেপালের ভোটেকোশী নদীতে।

পরে উপগ্রহচিত্রেও এই বক্তব্যের প্রমাণ মেলে। দেখা যায় হিমালয়ের অন্যতম পর্বতশৃঙ্গ ল্যাংট্যাং লিরুঙের নিকটবর্তী জায়গা থেকে নীচে নেমে এসেছে হিমবাহের একাংশ।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইউএসজিএসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৫১২৭ মিটার উচ্চতায় হিমবাহটির একাংশ ভেঙে গিয়েছিল। ঢালু পথে বেশ কিছুটা গড়িয়ে আসার পর কয়েকশো মিটার উচ্চতা থেকে তুষার, কাদামাটি এসে পড়ে দুই পর্বতের মধ্যবর্তী সঙ্কীর্ণ উপত্যকায়। তার পর পর্বতের ঢাল বরাবর ওই তুষার এবং কাদা-পাথরের স্রোত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।

চীন সরকারের অন্যতম ভূতত্ত্ববিদ গুয়ো জাও চ্যাং জানিয়েছেন, তুষার এবং কাদা-পাথরের স্রোত প্রতি সেকেন্ডে ১৬৫ ফুট (৫০ মিটার) দূরত্ব পাড়ি দিয়েছে।এই ভাবে প্রায় ২০ কিলোমিটার জায়গা কার্যত চোখের নিমেষে তুষার আর কাদা-পাথরের স্রোতে বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এত অল্প সময়ে দুর্যোগ নেমে আসায় কিছু বুঝে উঠতে পারেনি সাধারণ লোকজন।

উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচে নেমে তুষার এবং কাদা-পাথরের স্রোত লিন্দেখোলা নদীতে গিয়ে মেশে। এই নদী নেপাল এবং চিনের সীমান্তবর্তী এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। লিন্দেখোলার খাত ধরে এগিয়ে তিব্বতের গিরং বন্দরের কাছে পৌঁছে যায় এই কাদা-পাথরের স্রোত। কাদা-পাথরের স্রোত নদীর দু’কূল ছাপিয়ে বাড়িঘর, রাস্তা, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, জনবসতি ভাঙতে ভাঙতে এগিয়ে যায়।

কাদা-পাথরের স্রোত ভোতেকোশী এবং ত্রিশূলী নদীর খাত বরাবর ১০০ কিলোমিটার নীচে, প্রায় নেপাল-ভারত সীমান্তের কাছে নেমে আসে। হিমবাহটি ভেঙেছিল ৫২০০ মিটার উচ্চতায়। কাদা-পাথরের স্রোত ৪৫০০ মিটার নীচে নেমে আসে।

ধসে পড়া হিমবাহ থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে নেপালের তিমুরে শহর। এই শহরের কিছুটা আগেই ভোতেকোশী নদী এসে ত্রিশূলী নদীতে মিশেছে। এই পথ ধরেই কাদা-পাথরের স্রোত পৌঁছোয় ৫ কিলোমিটার দূরের স্যাপ্রুবেসীতে। তার পর সেখান থেকে আরও কিছুটা এগিয়ে হাকুবেসিতে। কাদা-পাথরমিশ্রিত ঘোলা পানিতে তখন ভাসছে আসবাবপত্রের ভাঙা টুকরো, গাছের শুকনো ডাল, বাড়ির ভাঙা অ্যাসবেসটস, গ্যাস সিলিন্ডার ইত্যাদি।


কাদা-পাথরের স্রোত সেখানেই থামেনি। তীব্র বেগে এগিয়ে চলে হিমবাহ থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে থাকা বেত্রীবতীতে। সেখান থেকে ত্রিশূলী বাজার— সেতু, জনপদ ভাঙতে ভাঙতে ভয়াবহ গতিতে নেমে আসছে কাদা-পাথরের স্রোত। তখনও স্থানীয়েরা এই আকস্মিক বানের বিষয়ে কিছুই জানেন না।

সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, কাদা-পাথরের স্রোত আছড়ে পড়ছে ত্রিশূলী বাজারে। দোকানবাজারে ভিড় জমানো মানুষ দ্রুতগতিতে পালানোর চেষ্টা করছেন। আর তাদের ঠিক পিছনেই খয়েরি বর্ণের কাদা-পাথরের স্রোত গোটা এলাকাকে ঢেকে দিচ্ছে।

এর পর নিম্ন অববাহিকা বরাবর আরও নেমে এসে এই স্রোত পৌঁছোয় দেবীঘাটে। তখন অবশ্য তার গতি কিছুটা কমেছে। আরও ধ্বংসাবশেষ জমা হয়েছে তাতে। তার পর হিমবাহ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে কোলতারপুরে এসে ক্ষান্ত হয় এই কাদা-পাথরের স্রোত।

নেপালের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন জানিয়েছে, হড়পা বানের কারণে ভোটেকোশি এবং ত্রিশূলী নদীতে এসে জমেছিল বিপুল পরিমাণ তুষার গলা পানি, বড় পাথর, কাদামাটি ইত্যাদি। এর ফলে ওই দুই নদীতে দ্রুত জলস্তর বৃদ্ধি হতে থাকে। গলচি এলাকায় মাত্র আধ ঘণ্টার মধ্যে নদীর জলস্তর ৯ মিটার বেড়ে যায়। নদীখাত ছাপিয়ে অববাহিকা এলাকায় থাকা বাড়িঘর, দোকানবাজার— সব কিছু মুহূর্তের মধ্যে ভেসে যায়।

বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে। দ্রুত গলছে হিমালয়ের হিমবাহগুলো। এর ফলেই বুধবার নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী এলাকার ওই পর্বতশৃঙ্গের কাছে হিমবাহের একাংশ ভেঙে পড়ে বলে মনে করা হচ্ছে।
 




সৌদি, তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর পাকিস্তানের

সৌদি, তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর পাকিস্তানের
ছবি সংগৃহীত।

সৌদি ও কুয়েতের সঙ্গে ‘মক্কা জোট’ এবার মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের আরেক দেশ কুয়েতের সঙ্গেও প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান। গতকাল বৃহস্পতিবার হয়েছে এ চুক্তি স্বাক্ষর।

প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য গতকাল কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ আল সাবাহ ইসলামাবাদ এসেছিলেন। সেখানে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফের সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন তিনি।

কুয়েতের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এ চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিরক্ষা ও সামরিক খাতে দু’দেশের সহযোগিতার মাত্রা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করা।”

পাকিস্তান এবং কুয়েত— উভয় দেশই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালিত করেছে ইরান। ইরানের এসব হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুয়েত।

অন্যদিকে এ যুদ্ধের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যেস্থতাকারীর ভূমিকায় আছে পাকিস্তান।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব এবং তুরস্কের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা জোটের সদস্য হয়েছে পাকিস্তান। সৌদির মক্কায় এ জোটের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল বলে সংবাদমাধ্যমে এটি পরিচিতি পায় ‘মক্কা জোট’ নামে। সৌদি আরবের অর্থায়ন, তুরস্কের উন্নত সামরিক প্রযুক্তি ও ড্রোন এবং পাকিস্তানের সামরিক জনবল ও পরমাণু অস্ত্র মক্কা জোটের প্রধান শক্তি।

মক্কা জোটের সদস্য হওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যেই কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান।

সূত্র : দ্য ন্যাশনাল