পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভায় রজভীয়া নূরীয়া কমিটির উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভায় রজভীয়া নূরীয়া কমিটির উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন

পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভায় রজভীয়া নূরীয়া কমিটির উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন
ছবি সংগৃহীত।

রজভীয়া নূরীয়া কমিটি বাংলাদেশ-এর পটিয়া উপজেলা (পূর্ব) ও পৌরসভা শাখার উপদেষ্টামণ্ডলী গঠন করা হয়েছে। সংগঠনটি একটি অরাজনৈতিক ও তরিকতভিত্তিক সংগঠন হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

রজভীয়া নূরীয়া কমিটি বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা পীরে তরিকত আল্লামা মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মু.জি.আ.)। সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক হাজী মুহাম্মদ আবুল বশর (সিআইপি) এবং প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত হয়েছেন আলহাজ জহির আহমদ সওদাগর।

উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্য সদস্যরা হলেন: অ্যাডভোকেট আব্দুর রশীদ দৌলতি (চেয়ারম্যান), কাজী মাওলানা আবু ছালেহ আঙুর, শাহজাদা মাওলানা কুতুবউদ্দীন শাহনূরী, আমির হোসাইন, নুরুল আলম সওদাগর, শফিকুল আলম বশর, মাওলানা জামাল উদ্দীন রাব্বানী, সাংবাদিক আলমগীর আলম, আয়ুব সওদাগর ও লোকমান উদ্দীন।

৩০ আগস্ট রোববার পটিয়ার স্বপ্নীল পরিবার কার্যালয়ে সংগঠনের জরুরি সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জুয়েল জানান, তরিকতের আদর্শ ও মূল্যবোধ ধারণ করে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে এই সংগঠন দেশ ও সমাজের কল্যাণে অবদান রাখবে।

নবগঠিত উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষকদের অভিনন্দন জানিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।




কক্সবাজারের কথা বলে নিয়ে আসা হয় আনোয়ারায়, যুবলীগের ব্যানার নিয়ে শিশু-কিশোরসহ গ্রেপ্তার ২৩

কক্সবাজারের কথা বলে নিয়ে আসা হয় আনোয়ারায়, যুবলীগের ব্যানার নিয়ে শিশু-কিশোরসহ গ্রেপ্তার ২৩
ছবি সংগৃহীত।

‘বড় ভাই’রা কক্সবাজারে ভ্রমণে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে দুটি মাইক্রোবাসে তুলে বিভিন্ন বয়সের ২৩ শিশু-কিশোরকে নিয়ে আসে চট্টগ্রামের আনোয়ারায়। এ সময় মিছিলের প্রস্তুতির গোপন সংবাদ পেয়ে আনোয়ারা থানা-পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড় ৮টায় উপজেলার পিএবি সড়কের বারখাইন শোলকাটা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৮ জন শিশু রয়েছে, যাদের বয়স ১৫ বছর। থানা-পুলিশ বাদী হয়ে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিসহ ৫৪ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ১৫ থেকে ১৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে। পরে রবিবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ জেলা যুবলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম এবং ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ ও কে এম পারভেজ উদ্দিনের নেতৃত্বে বাঁশখালী থেকে দুটি মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজারে ভ্রমণের কথা বলে তাদের আনোয়ারায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশ ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, পলাতক আসামিদের মদদ, অর্থায়ন ও নির্দেশনায় কতিপয় ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লাঠিসোটা, রড ও ইটের টুকরো নিয়ে ঘটনাস্থলে সমবেত হয়ে সংঘাতময় ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি, জনমনে আতঙ্ক এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেওয়ার বিষয়টি তারা স্বীকার করেছেন।

আনোয়ারা থানার ওসি জুনাইত চৌধুরী বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিল করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু-কিশোর। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের যাচাই-বাছাই করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”




লোহাগাড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বাকপ্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

লোহাগাড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বাকপ্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে শাহাবুদ্দিন নামের এক বাকপ্রতিবন্ধী যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনে লোহাগাড়া আমিরাবাদ খৈয়ারকুল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহাবুদ্দিন উপজেলার পশ্চিম আমিরাবাদ খৈয়ারকুল এলাকার আব্দুস সোবহানের ছেলে। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে রেললাইনে চলাচলের সময় কক্সবাজামুখি চলন্ত ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন শাহাবুদ্দিন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। শাহাবুদ্দিনের মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি। বিষয়টি রেলওয়ে থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
 




বাঁশখালীতে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার

বাঁশখালীতে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার
ছবি: বাঁশখালীতে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ক্লোজড হওয়া এসআই সুমন কবির মৃধা।

বাঁশখালীতে এক ক্ষুদ্র খামারির কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে রামদাস মুন্সিরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন কবির মৃধাকে ক্লোজড করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

জানা গেছে, গত ৭ জুলাই রাতে বাঁশখালীর চন্দ্রপুর গ্রামে অবস্থিত জামশেদ এক্সপ্রেস ডেইরি অ্যান্ড এগ্রো ফার্মে চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে খামারের মালিক নুরুল আলম বাদী হয়ে গত ২৬ জুলাই বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত একটি মামলা আমলে নিয়ে বাঁশখালী থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় রামদাস মুন্সিরহাট পুলিশি তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুমন কবির মৃধাকে।

ভুক্তভোগী খামারি নুরুল আলমের অভিযোগ, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন (তদন্ত রিপোর্ট) দেওয়ার কথা বলে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুমন কবির মৃধা তার কাছে ঘুষ দাবি করেন এবং একপর্যায়ে তার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ নেন।

বাঁশখালী থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নির্দেশে অভিযুক্ত এসআই-কে তাৎক্ষণিকভাবে ক্লোজড করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ক্লোজড হওয়ার পর শুক্রবার রাতেই তিনি চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে যোগদানের জন্য বাঁশখালী ছেড়ে গেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সহকারী (আনোয়ারা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তাকে তাৎক্ষণিক বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে একটি বিভাগীয় তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আরো কঠিন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।