নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত সুরক্ষায় নতুন দুটি টিওবির উদ্বোধন

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অপারেশনাল কার্যক্রম আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নবনির্মিত আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা টিওবি উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সামশের উদ্দীন, বিএসপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নবনির্মিত আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা টিওবির উদ্বোধন করেন।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) কর্তৃক সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধিসহ চোরাচালান দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, অপারেশনাল কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা এবং জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার সুবিধার্থে বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৩ নম্বর ঘুমধুম ইউনিয়নের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় ‘আরচ্ছতলা টিলা’ ও ‘হাতুরানী টিলা’ নামক স্থানে নতুন দুটি টিওবি স্থাপন করা হয়।
রিজিয়ন সদর দপ্তর, কক্সবাজার ও সেক্টর সদর দপ্তর, রামুর দিকনির্দেশনায় কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) কর্তৃক আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিওবির নির্মাণকাজ দ্রুততা ও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়।
রিজিয়ন কমান্ডার এ সময় উক্ত টিওবির দায়িত্বে থাকা বিজিবির সব সদস্যকে মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কর্নেল মো. আনোয়ার-উল-আলম, এসজিপি, বিজিবিএম, পিবিজিএম, সেক্টর কমান্ডার, সেক্টর সদর দপ্তর, রামু এবং লে. কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি, অধিনায়ক, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিজিবি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এ এলাকায় বিওপিগুলো সীমান্ত থেকে বেশ দূরবর্তী হওয়ায় সীমান্তে আধিপত্য বিস্তার, চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত সুরক্ষাসহ অন্যান্য আভিযানিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় যে চ্যালেঞ্জ ছিল, সীমান্তের নিকটবর্তী টিওবি স্থাপনের মাধ্যমে তা অনেকাংশে দূর হয়েছে।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদকসহ নানা অবৈধ কার্যক্রম দমনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছে।
নবনির্মিত আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা টিওবি উদ্বোধনের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে আস্থা ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিওবির মাধ্যমে সীমান্তে বিজিবির নজরদারি আরও দক্ষ ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হবে এবং বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির কার্যক্রম অধিকতর বেগবান ও সুদৃঢ় হবে।









