ডিএফও-এসিএফের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া রেঞ্জার তৌহিদুর
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন

ডিএফও-এসিএফের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া রেঞ্জার তৌহিদুর

ডিএফও-এসিএফের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া রেঞ্জার তৌহিদুর
ছবি সংগৃহীত।

সিএফ রেজাউল করিম মিডিয়াকে বললেন রেঞ্জার তৌহিদুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন। অথচ তার উল্টো পথে হাটছেন সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীন। রেঞ্জার তৌহিদুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মো: জয়নাল আবেদীন বলেন  তৌহিদুর ভালো মানুষ। তার বিরুদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করছে। সে দুণীতি করতে পারে না। জানাগেছে  রেঞ্জার তোহিদুর সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীনকে মাসিক মাসোহারা দিয়ে থাকেন। এদিকে সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধেও রয়েছে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ।
অভিযোগ রয়েছে, সহকারী বন সংরক্ষক (সদর ও চট্টগ্রাম) মো: জয়নাল আবেদীন এই অবৈধ  লেনদেরে হোতা। জয়নাল আবেদীনের নামে মধুনাঘাট ব্রিজ এলাকায় প্রতিদিন আশি হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত চাঁদা তোলা হয় কাঠ ও ফার্নিচারবাহী গাড়িগুলো থেকে। এ কাজে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত রয়েছে রাসেল ও সুমন নামের দুই ব্যক্তি। 
কিছুদিন আগে রাসেল র‌্যাব চান্দগাঁওয়ের হাতে হাতে নাতে ধরা পড়ে এবং দুই মাস কারাবাস করে, জয়নাল আবেদীন  হস্তক্ষেপে জামিনে মুক্ত হয়ে এসে পুনরায় চাঁদা আদায়ের কাজে লিপ্ত হয়, সাথে নেয় সুমনকে। হাটহাজারী চেকপোস্ট থেকে প্রতিদিন টিপি ও টিপি বহির্ভূত কাঠ পরিবহনকারী গাড়িগুলোর কাছ থেকে জয়নাল আবেদীন নামে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা আদায় হয় এবং ফৌজদারহাট চেকপোস্ট থেকেও একইভাবে প্রতিদিন প্রায় সত্তর হাজার টাকা উঠানো হয় স্লিপ আকারে। পার্বত্য রাঙামাটি থেকে টিপি ভিত্তিক কাঠবাহী প্রতিটি গাড়ি থেকে ৫০০ টাকা করে আদায় করা হয় কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নেতা কাজল এর মাধ্যমে, যার অর্থ তাঁর বিকাশ নম্বরে জমা হয়, মাসিক হিসাব করলে প্রায় দুই লক্ষ টাকা আদায় হয়। বান্দরবান থেকেও টিপি অনুযায়ী কাঠবাহী প্রতিটি গাড়ি থেকে ৫০০ টাকা হারে চাঁদা নেওয়া হয় কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ল্যাডা জাহাঙ্গীর সরাসরি সহকারী বন সংরক্ষক জয়নাল আবেদীনের নিজস্ব একাউন্টে জমা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে, এবং এর পরিমাণ প্রায় তিন লক্ষ টাকা প্রতি মাসে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ পরিবহন চালকেরা প্রশাসনিক নিরাপত্তার অভাবে মুখ খুলতে সাহস পান না, অথচ প্রতিদিন বন বিভাগের নির্ধারিত কিছু কর্মকর্তা ও দালালের পকেটে যাচ্ছে কোটি টাকার অবৈধ আদায়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দাবি, সহকারী বন সংরক্ষক জয়নাল আবেদীন সহ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এদিকে  চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ইছামতি রেঞ্জে সুফল প্রকল্পসহ একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে প্রকৃত কাজ না করেই প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও ভাগাভাগির অভিযোগে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। এই দুর্নীতির মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমানের নাম। অভিযোগ অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ নিজেরা ভাগ করে নিয়েছেন তিনি এবং বন বিভাগের এক প্রভাবশালী ডিএফও। মুখ বন্ধ রাখতে ওই ডিএফওকে দেওয়া হয়েছে প্রকল্পের ৩১ শতাংশ অর্থ। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি শুধু ব্যক্তিগত দুর্নীতি নয়, বরং গোটা বন বিভাগে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের অংশ।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইছামতি রেঞ্জে সুফল প্রকল্পের আওতায় পূর্বে সৃজিত এক হাজার হেক্টর বাগানের রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন ১০০ হেক্টর বাগান সৃজনের জন্য বিপুল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে বাস্তবে এসব কাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। পুরোনো বাগানগুলো উপেক্ষায় নষ্ট হয়ে গেছে, নতুন বাগান তো চোখেই পড়ে না। অথচ নথিপত্রে দেখানো হয়েছে, সব কাজ সম্পন্ন এবং পুরো বরাদ্দ ব্যয়। অভিযুক্ত কর্মকর্তা দাবি করেছেন, সব খরচ নিয়ম মেনেই হয়েছে, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে স্থানীয়রা বলছেন—সব কিছু শুধু কাগজে-কলমেই।
আরও ভয়াবহ অভিযোগ হলো, প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে কর্মরত স্টাফদের স্বাক্ষর জাল করে তাদের নামে অর্থ উত্তোলন দেখানো হয়েছে। যারা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলার চেষ্টা করেছেন, তাদের হুমকি, বদলি ও বেতন বন্ধ করার মতো হয়রানির মধ্যে ফেলা হয়েছে। কয়েকজন ফরেস্ট গার্ড অভিযোগ করেছেন, তারা প্রতিবাদ করায় মানসিক চাপ এবং দফায় দফায় হুমকির শিকার হয়েছেন। ফলে পুরো রেঞ্জে তৈরি হয়েছে এক ধরনের আতঙ্ক ও নীরবতা। কেউ মুখ খুললেও তা গোপনে, প্রকাশ্যে নয়।
এই পরিস্থিতি বন বিভাগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সম্পূর্ণ অভাবের প্রতিচ্ছবি। শুধু একজন রেঞ্জ কর্মকর্তা নয়, বরং এই ঘটনার মাধ্যমে বন বিভাগের ভেতরে দীর্ঘদিনের পচন ধরা দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রকল্পের নামে লুটপাট হচ্ছে, অথচ মাঠ পর্যায়ে পরিবেশ ও বন রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তা উপেক্ষা করছেন বা এতে জড়িত হচ্ছেন।
এই বিষয়ে দৃষ্টি আর্কষণ করা হলে চট্টগ্রাম ডিভিশন প্রধান রেজাউল করিম বলেন এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 




সংশোধনী

সংশোধনী
ছবি সংগৃহীত।


দৈনিক সাঙ্গু ফেইসবুক ফেইজে গতকাল চট্টগ্রামে কলেজ ভার্সিটির মেয়েরা জড়িয়ে পড়ছে দে/হ ব্যবসায় শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। রিপোটের শুরুতেই ইউটিউব থেকে সংগৃহিত দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার- মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম আরিফের ভয়েস ও চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মুলত সংগৃতি হয়েছে ইউটিউব থেকে । রিপোর্টটিতে তাকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার তিনি তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। আমরা তার বক্তব্যের অংশটুকু প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। ভবিষতে এই বিষয়ে আমরা আরো সর্তক হবো। বার্তা সম্পাদক




জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের পাহারাদার : ইব্রাহিম চৌধুরী

জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের পাহারাদার : ইব্রাহিম চৌধুরী
ছবি সংগৃহীত।

সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরী বলেছেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল হিন্দু-বৌদ্ধদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তাদের সহায়-সম্পত্তি দখল-বেদখলে নিয়োজিত ছিল। ভোট ব্যাংক হিসেবে প্রচার করে অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতিপক্ষে পরিণত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। এসব দলগুলোর মধ্যে ব্যতিক্রম জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত ক্ষমতায় আসলে এ দুই সম্প্রদায়সহ সবাই উন্মুক্ত বাতাসে নিজের জন্মভূমিতে স্বাধীনভাবে চলাফেরার পাশাপাশি স্বাধীন নাগরিক হিসেবে দেশের সকল অধিকার ভোগ করবে। এক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী হবে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সকলের বিশ্বস্থ পাহারাদার।


জুমাবার (২১ নভেম্বর) বিকালে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মাঝে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।


ইব্রাহিম চৌধুরী আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পর অনেক দল ক্ষমতায় আরোহণ করেছিল। তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণ অবগত রয়েছেন। এখন সময় এসেছে জামায়াতে ইসলামীকে  একবার পরীক্ষা করার। আপনাদের সুচিন্তিত ভোটের মাধ্যমে যদি জামায়াতে ইসলামী জনগণের সেবক হওয়ার সুযোগ পায় তাহলে এ দেশ ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। যেখানে থাকবে না কোন ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ড। সর্বোপরি সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে দেশের আপামর জনসাধারণ।


এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাতকানিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন, সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর রিদুয়ানুল করিম, সদর ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি হারুনুর রশিদ, সেক্রেটারি ডা. মো. আরিফ, জামায়াত নেতা আকতার কামাল, মো. আনোয়ার, মাওলানা ছাবের আহমদ, আমানুর রশিদ, কামাল উদ্দিন, হারুনুর রশিদ, আবদুল আজিজ ও মো.আশিক প্রমুখ।
....
ছবির ক্যাপশন : 
সাতকানিয়ায় হিন্দু - বৌদ্ধদের মাঝে শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে গণ সংযোগ করছেন ইব্রাহিম চৌধুরী।




লামায় মাটি কাটার দায়ে ১ জনের ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও স্কেভেটর জব্দ

লামায় মাটি কাটার দায়ে ১ জনের ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও স্কেভেটর জব্দ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১জন অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে গ্রেফতার করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (০৩ নভেম্বর ২০২৫ইং) দুপুরে লামার ফাঁসিয়াখালি ইউনিয়নের মালুম্যা,বগাইছড়ি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক পরিচালিত হয়। অভিযানকালে একটি সবুজ রঙের মিকসুবিশি স্কেভেটর নদীর পাশের মাটি কর্তন করা অবস্থায় পাওয়া যায়৷ এসময় সেখানে মোঃ কামাল উদ্দিন নামক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্কেভেটর দিয়ে নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে এমন জায়গা থেকে মাটি কর্তনের অভিযোগ স্বীকার করেন৷ আসামী মোঃ কামাল উদ্দিন কে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫ ধারা মোতাবেক ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন, সহকারী কমিশনার(ভূমি)রুবায়েত আহমেদ। স্থানীয়রা জানান, এখনো আওয়ামী লীগের দলীয় কিছু প্রভাবশালী লোকজন এই পরিবেশ ধ্বংসের সাথে জড়িত।জানা যায়, লামা উপজেলায় ফাঁসিয়াখালি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতা মহরম আলী, ছাত্রলীগ নেতা শাহারিয়া, যুবলীগ নেতা আলা উদ্দিন, আব্দুস শক্কুর, রমজান আলী, আবুল হোসেন, জসিম ড্রাইভার, কালু সহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় প্রভাবশালী একাদিক ব্যক্তি বেপরোয়া বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত।এছাড়া ধরাছোঁয়ার বাহিরে বালুদস্যু ভুট্টো সরেজমিনে দেখা যায়,ফাসিয়াখালী রেঞ্জের ডুলাহাজারা বিটের সংরক্ষিত বনের ভেতর চলছে পরিবেশবিধ্বংসী অপতৎপরতা। সংরক্ষিত বনে শক্তিশালী ড্রেজার ও শ্যালোমেশিন বসিয়ে তোলা হচ্ছে অবৈধবালু। আর এ বালু উত্তোলনে রয়েছেন স্থানীয় বালুদস্যু ভুট্টোর নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মাসে প্রায় কোটি টাকার বালু বিক্রি করেন কয়েকটি পয়েন্ট থেকে,বন বিভগ ও উপজেলা প্রশাসন নিরব ভুমিকায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, এই উপজেলায় সরকারিভাবে কোন বালু মহল নেই। কিন্তু থেমে নেই অবৈধ বালি উত্তোলন। ফাঁসিয়াখালি ইউনিয়নের বাগাইছড়ি খাল থেকে স্যালো মেশিন দিয়ে নিজেদের ইচ্ছামত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য হোসাইন মামুন বলেন, আগে শুধু আওয়ামী লীগের লোকজন অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত ছিল, আর এখন বিএনপি আওয়ামী লীগ মিলে এই অবৈধ বালু উত্তোলন করে। অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে কিছুদিন আগে বাগাইছড়ি থেকে ছাগল্লা ঝিরি এলাকায় যাতায়েত করার জন্য বাগাইছড়ি খালের উপর র্নিমিত বেইলী সেতু ভেঙ্গে কিছুই নাই। লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ মঈন উদ্দিন বলেন- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনাস্থল থেকে ১ জনকে আটক করা হয়, আটককৃত ১ জনকরাজা ২৫ দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।লামায় নির্বিচারে পাহাড় কাটা,পাথর ও বালু উত্তোলনে জড়িতদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না এ ব্যাপারে প্রশাসন জিরো টলারেন্সে এই অভিযান চলমান থাকবে।