ডিএফও-এসিএফের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া রেঞ্জার তৌহিদুর
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন

ডিএফও-এসিএফের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া রেঞ্জার তৌহিদুর

ডিএফও-এসিএফের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া রেঞ্জার তৌহিদুর
ছবি সংগৃহীত।

সিএফ রেজাউল করিম মিডিয়াকে বললেন রেঞ্জার তৌহিদুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন। অথচ তার উল্টো পথে হাটছেন সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীন। রেঞ্জার তৌহিদুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মো: জয়নাল আবেদীন বলেন  তৌহিদুর ভালো মানুষ। তার বিরুদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করছে। সে দুণীতি করতে পারে না। জানাগেছে  রেঞ্জার তোহিদুর সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীনকে মাসিক মাসোহারা দিয়ে থাকেন। এদিকে সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধেও রয়েছে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ।
অভিযোগ রয়েছে, সহকারী বন সংরক্ষক (সদর ও চট্টগ্রাম) মো: জয়নাল আবেদীন এই অবৈধ  লেনদেরে হোতা। জয়নাল আবেদীনের নামে মধুনাঘাট ব্রিজ এলাকায় প্রতিদিন আশি হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত চাঁদা তোলা হয় কাঠ ও ফার্নিচারবাহী গাড়িগুলো থেকে। এ কাজে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত রয়েছে রাসেল ও সুমন নামের দুই ব্যক্তি। 
কিছুদিন আগে রাসেল র‌্যাব চান্দগাঁওয়ের হাতে হাতে নাতে ধরা পড়ে এবং দুই মাস কারাবাস করে, জয়নাল আবেদীন  হস্তক্ষেপে জামিনে মুক্ত হয়ে এসে পুনরায় চাঁদা আদায়ের কাজে লিপ্ত হয়, সাথে নেয় সুমনকে। হাটহাজারী চেকপোস্ট থেকে প্রতিদিন টিপি ও টিপি বহির্ভূত কাঠ পরিবহনকারী গাড়িগুলোর কাছ থেকে জয়নাল আবেদীন নামে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা আদায় হয় এবং ফৌজদারহাট চেকপোস্ট থেকেও একইভাবে প্রতিদিন প্রায় সত্তর হাজার টাকা উঠানো হয় স্লিপ আকারে। পার্বত্য রাঙামাটি থেকে টিপি ভিত্তিক কাঠবাহী প্রতিটি গাড়ি থেকে ৫০০ টাকা করে আদায় করা হয় কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নেতা কাজল এর মাধ্যমে, যার অর্থ তাঁর বিকাশ নম্বরে জমা হয়, মাসিক হিসাব করলে প্রায় দুই লক্ষ টাকা আদায় হয়। বান্দরবান থেকেও টিপি অনুযায়ী কাঠবাহী প্রতিটি গাড়ি থেকে ৫০০ টাকা হারে চাঁদা নেওয়া হয় কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ল্যাডা জাহাঙ্গীর সরাসরি সহকারী বন সংরক্ষক জয়নাল আবেদীনের নিজস্ব একাউন্টে জমা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে, এবং এর পরিমাণ প্রায় তিন লক্ষ টাকা প্রতি মাসে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ পরিবহন চালকেরা প্রশাসনিক নিরাপত্তার অভাবে মুখ খুলতে সাহস পান না, অথচ প্রতিদিন বন বিভাগের নির্ধারিত কিছু কর্মকর্তা ও দালালের পকেটে যাচ্ছে কোটি টাকার অবৈধ আদায়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দাবি, সহকারী বন সংরক্ষক জয়নাল আবেদীন সহ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এদিকে  চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ইছামতি রেঞ্জে সুফল প্রকল্পসহ একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে প্রকৃত কাজ না করেই প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও ভাগাভাগির অভিযোগে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। এই দুর্নীতির মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমানের নাম। অভিযোগ অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ নিজেরা ভাগ করে নিয়েছেন তিনি এবং বন বিভাগের এক প্রভাবশালী ডিএফও। মুখ বন্ধ রাখতে ওই ডিএফওকে দেওয়া হয়েছে প্রকল্পের ৩১ শতাংশ অর্থ। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি শুধু ব্যক্তিগত দুর্নীতি নয়, বরং গোটা বন বিভাগে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের অংশ।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইছামতি রেঞ্জে সুফল প্রকল্পের আওতায় পূর্বে সৃজিত এক হাজার হেক্টর বাগানের রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন ১০০ হেক্টর বাগান সৃজনের জন্য বিপুল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে বাস্তবে এসব কাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। পুরোনো বাগানগুলো উপেক্ষায় নষ্ট হয়ে গেছে, নতুন বাগান তো চোখেই পড়ে না। অথচ নথিপত্রে দেখানো হয়েছে, সব কাজ সম্পন্ন এবং পুরো বরাদ্দ ব্যয়। অভিযুক্ত কর্মকর্তা দাবি করেছেন, সব খরচ নিয়ম মেনেই হয়েছে, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে স্থানীয়রা বলছেন—সব কিছু শুধু কাগজে-কলমেই।
আরও ভয়াবহ অভিযোগ হলো, প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে কর্মরত স্টাফদের স্বাক্ষর জাল করে তাদের নামে অর্থ উত্তোলন দেখানো হয়েছে। যারা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলার চেষ্টা করেছেন, তাদের হুমকি, বদলি ও বেতন বন্ধ করার মতো হয়রানির মধ্যে ফেলা হয়েছে। কয়েকজন ফরেস্ট গার্ড অভিযোগ করেছেন, তারা প্রতিবাদ করায় মানসিক চাপ এবং দফায় দফায় হুমকির শিকার হয়েছেন। ফলে পুরো রেঞ্জে তৈরি হয়েছে এক ধরনের আতঙ্ক ও নীরবতা। কেউ মুখ খুললেও তা গোপনে, প্রকাশ্যে নয়।
এই পরিস্থিতি বন বিভাগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সম্পূর্ণ অভাবের প্রতিচ্ছবি। শুধু একজন রেঞ্জ কর্মকর্তা নয়, বরং এই ঘটনার মাধ্যমে বন বিভাগের ভেতরে দীর্ঘদিনের পচন ধরা দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রকল্পের নামে লুটপাট হচ্ছে, অথচ মাঠ পর্যায়ে পরিবেশ ও বন রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তা উপেক্ষা করছেন বা এতে জড়িত হচ্ছেন।
এই বিষয়ে দৃষ্টি আর্কষণ করা হলে চট্টগ্রাম ডিভিশন প্রধান রেজাউল করিম বলেন এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 




বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ

বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বান্দরবান। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে যখন অনেকেই নীরব, তখন কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে নয়; বরং নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবানের একদল তরুণ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ক্যাচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ৯০টিরও বেশি দুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারের হাতে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, তারা কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বান্দরবানের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগ দেখে কয়েকজন বন্ধু ও শিক্ষার্থী নিজেদের মধ্যে অর্থ সংগ্রহ করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তারা ত্রাণসামগ্রী কিনে দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।
তাদের ভাষ্য, “এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আমরা জানি, এই সহায়তা সব মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবুও যারা অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন, তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগের সময় মানবতার কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসে, তাহলে বান্দরবানের এই সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হবে।”
তারা আরও বলেন, “আমরা কোনো সংগঠন নই এবং কারও সহযোগিতার অপেক্ষায়ও ছিলাম না। নিজেদের সাধ্যমতো অর্থ সংগ্রহ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। এটি আমাদের কার্যক্রমের শুরু মাত্র। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের সময় সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। তরুণদের এই উদ্যোগ অন্যদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উদ্যোক্তারা বান্দরবানের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে হলেও সবাই এগিয়ে এলে আরও বেশি মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।




কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত
ছবি সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (২১ জুন) সকালে দেশটির আল শাহানিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ভারতীয় এক নাগরিকও নিহত হন।

নিহত পাঁচ বাংলাদেশি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন- জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে প্রবাসীরা একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে আল শাহানিয়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ উদ্ধার করে কাতারের একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক।

তিনি বলেন, কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সহসভাপতি তাওহীদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের এলাকার পাঁচজন প্রবাসীর মৃত্যুতে পুরো কানাইঘাটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রবাসী সংগঠন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যাতে স্বজনরা শেষবারের মতো তাদের দেখতে পারেন এবং যথাযথ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করা যায়।

এদিকে, বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা আমাদের এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে কাতার দূতাবাসের শ্রম উইংকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই সংকটাপন্ন মুহূর্তে সরকার নিহতের পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে।




লামায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

লামায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা থানা পুলিশের অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত প্রধান পলাতক আসামি নাছির মাঝি (৫০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

​ সহকারী পুলিশ সুপার (লামা সার্কেল)মাসুম সরদার এবং লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামালের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থানা এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার(১২ জুন)রাতে এসআই জামিল আহমদ ও সঙ্গী ফোর্সের তৎপরতায় ০৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ০৯নং ওয়ার্ডের বনফুর বড় পাড়া বাইশখাইল্লা ঝিরি মুসলিম পাড়াস্থিত নিজ বসতঘর থেকে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

​গ্রেফতারকৃত আসামি নাছির মাঝি (৫০)ফাঁসিয়াখালী ইউপির ২৮৪নং ইয়াংছা মৌজার ০৯নং ওয়ার্ডের বাইশখাইল্ল্যা ঝিরি মুসলিম পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা ও মৃত মজু মাঝি​র ছেলে।থানা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,  আসামির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে  ১১ জুন লামা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(৪)(খ) ধারা এবং পেনাল কোডের ৫০৬(২) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয় (মামলা নং-০৫)। মামলার পর থেকেই সে পলাতক ছিল।

​লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে ইতিমধ্যেই বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা,নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে পুলিশের এমন কঠোর ও বিশেষ অভিযান সর্বদা অব্যাহত থাকবে।