গাছের ডাল কাটতে গিয়ে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন

গাছের ডাল কাটতে গিয়ে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

গাছের ডাল কাটতে গিয়ে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু
ছবি সংগৃহীত।

আনোয়ারা উপজেলায় গাছের ডাল কাটতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে সৈয়দ রফিক আহাম্মদ (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের উত্তর পরুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রফিক আহাম্মদ স্থানীয় মৃত সৈয়দ সিরাজুল হকের ছেলে। তিনি এক ছেলে ও পাঁচ মেয়ের বাবা।

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, সোমবার সকালে নিজ বাড়িতে একটি গাছের ডাল কাটতে ওঠেন রফিক আহাম্মদ। ডাল কেটে নিচে নামার সময় পা পিছলে মাটিতে পড়ে যান তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওমর ফারুক বলেন, সকালে ওই ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে সেখানে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যুর খবর জানা যায়।




আনোয়ারা গাছের ডাল কাটতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

আনোয়ারা গাছের ডাল কাটতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
ছবি সংগৃহীত।

আনোয়ারা উপজেলায় গাছের ডাল কাটতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে সৈয়দ রফিক আহাম্মদ (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের উত্তর পরুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রফিক আহাম্মদ স্থানীয় সৈয়দ মৃত্যু সিরাজুল হক পুত্র। তিনি এক ছেলে ও পাঁচ মেয়ের বাবা।

স্থানীয় বাসিন্ধা নজরুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকালে নিজ বাড়িতে একটি গাছের ডাল কাটতে ওঠেন রফিক আহাম্মদ। ডাল কেটে নিচে নামার সময় পা পিছলে মাটিতে পড়ে যান তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওমর ফারুক বলেন, সকালে ওই ব্যক্তিকে আহতাবস্থায়  হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে তাঁকে সেখানে নেওয়ার পথে মৃত্যুর খবর জানতে পারেন তিনি।




পটিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ ও বিভিন্ন দপ্তরে এমপির অভিযোগ বাক্স

পটিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ ও বিভিন্ন দপ্তরে এমপির অভিযোগ বাক্স
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি, হয়রানি ও নানা সমস্যা সম্পর্কে জানতে ইউনিয়ন পরিষদ, সরকারি দপ্তর ও স্থানীয় বাজারে অভিযোগ বাক্স বসানোর উদ্যোগ নিয়েছেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসব বাক্সে অভিযোগ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ যুক্ত করতে হবে। প্রাথমিকভাবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৬০টি অভিযোগ বাক্স বসানো হবে।

জমা পড়া অভিযোগ এক সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে পটিয়া উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে অভিযোগ বাক্সগুলো তুলে দেন এমপি এনামুল হক এনাম। বিতরণ শেষে উপজেলা নির্বাচন অফিসে একটি অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হয়।

উদ্যোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, “সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা নিতে গিয়ে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হন। অনেকেই ভয়ে বা বিভিন্ন কারণে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারেন না। তাঁদের অভিযোগ সহজে ও নির্ভয়ে জানানোর সুযোগ করে দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের জবাবদিহির আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে নিবিড়ভাবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা রয়েছে। তারই অংশ হিসেবে সরকারি অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ ও বাজারে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ৬০টি বাক্স বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব বাক্সে জমা পড়া অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে এক সপ্তাহের মধ্যে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কিছু সংবেদনশীল ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।”

অভিযোগ বাক্স বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী আবু তাহের, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মঈনুল আলম ছোটন, জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বখতিয়ার উদ্দীন বকুল, পৌরসভা বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান ও আবদুল মান্নান, যুবদল নেতা কাজী আরিফ উল্লাহ এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ওবাদুল হক রিকু প্রমুখ।

পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী আবু তাহের বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যাগুলো দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে।




আনোয়ারায় নারী ‘স্প্রে পার্টি’র কবলে যুবক, ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা নিয়ে লাপাত্তা

আনোয়ারায় নারী ‘স্প্রে পার্টি’র কবলে যুবক, ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা নিয়ে লাপাত্তা
ছবি সংগৃহীত।

নারী ‘স্প্রে পার্টি’র কবলে পড়ে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা হারিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের মো. মুসার ছেলে মো. জাবেদ উদ্দিন নয়ন (২১)। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের হাজীগাঁও এলাকার মনুমিয়ার দিঘীর পাড়ে সড়কের পাশে তাঁকে স্থানীয়রা পড়ে থাকতে দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরেন নয়ন। তিনি পেশায় একজন শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

ভুক্তভোগী নয়ন জানান, তাঁর প্রবাসী বড় ভাইয়ের পাঠানো ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা নিয়ে আনোয়ারার চাতরী চৌমুহনী এলাকা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন তিনি। অটোরিকশায় আগে থেকেই বোরকা পরা দুই নারী ও এক পুরুষ যাত্রী বসা ছিলেন। ওই ব্যক্তি পথে নেমে যাওয়ার পর চালকের কথায় পেছনের আসনে বসেন নয়ন। একপর্যায়ে দুই নারীর আচরণে সন্দেহ হলে অটোরিকশা থেকে লাফ দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় ওই নারীরা তাঁকে টেনে ধরে মুখে স্প্রে করেন। পরে তাঁর কাছে থাকা টাকা নিয়ে তাঁকে অচেতন অবস্থায় সড়কের পাশে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। এর পরের ঘটনা তাঁর স্পষ্ট মনে নেই।

আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার মো. মুজিবুর রহমান বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনের দায়িত্ব পালন শেষে শনিবার রাতে ফেরার পথে হাজীগাঁও এলাকার মনু মিয়ার মসজিদের কাছে সড়কের পাশে এক যুবককে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁরা তাঁকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী বলেন, শনিবার রাতে নয়নকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, চেতনানাশক কোনো পদার্থ খাওয়ানো বা স্প্রে করার কারণে তাঁর এমন অবস্থা হয়েছে। হাসপাতালে আনার সময় তাঁর শরীর কাঁপছিল।