পটিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ ও বিভিন্ন দপ্তরে এমপির অভিযোগ বাক্স
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন

পটিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ ও বিভিন্ন দপ্তরে এমপির অভিযোগ বাক্স

পটিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ ও বিভিন্ন দপ্তরে এমপির অভিযোগ বাক্স
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি, হয়রানি ও নানা সমস্যা সম্পর্কে জানতে ইউনিয়ন পরিষদ, সরকারি দপ্তর ও স্থানীয় বাজারে অভিযোগ বাক্স বসানোর উদ্যোগ নিয়েছেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসব বাক্সে অভিযোগ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ যুক্ত করতে হবে। প্রাথমিকভাবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৬০টি অভিযোগ বাক্স বসানো হবে।

জমা পড়া অভিযোগ এক সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে পটিয়া উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে অভিযোগ বাক্সগুলো তুলে দেন এমপি এনামুল হক এনাম। বিতরণ শেষে উপজেলা নির্বাচন অফিসে একটি অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হয়।

উদ্যোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, “সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা নিতে গিয়ে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হন। অনেকেই ভয়ে বা বিভিন্ন কারণে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারেন না। তাঁদের অভিযোগ সহজে ও নির্ভয়ে জানানোর সুযোগ করে দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের জবাবদিহির আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে নিবিড়ভাবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা রয়েছে। তারই অংশ হিসেবে সরকারি অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ ও বাজারে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ৬০টি বাক্স বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব বাক্সে জমা পড়া অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে এক সপ্তাহের মধ্যে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কিছু সংবেদনশীল ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।”

অভিযোগ বাক্স বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী আবু তাহের, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মঈনুল আলম ছোটন, জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বখতিয়ার উদ্দীন বকুল, পৌরসভা বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান ও আবদুল মান্নান, যুবদল নেতা কাজী আরিফ উল্লাহ এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ওবাদুল হক রিকু প্রমুখ।

পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী আবু তাহের বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যাগুলো দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে।




আনোয়ারায় নারী ‘স্প্রে পার্টি’র কবলে যুবক, ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা নিয়ে লাপাত্তা

আনোয়ারায় নারী ‘স্প্রে পার্টি’র কবলে যুবক, ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা নিয়ে লাপাত্তা
ছবি সংগৃহীত।

নারী ‘স্প্রে পার্টি’র কবলে পড়ে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা হারিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের মো. মুসার ছেলে মো. জাবেদ উদ্দিন নয়ন (২১)। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের হাজীগাঁও এলাকার মনুমিয়ার দিঘীর পাড়ে সড়কের পাশে তাঁকে স্থানীয়রা পড়ে থাকতে দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরেন নয়ন। তিনি পেশায় একজন শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

ভুক্তভোগী নয়ন জানান, তাঁর প্রবাসী বড় ভাইয়ের পাঠানো ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা নিয়ে আনোয়ারার চাতরী চৌমুহনী এলাকা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন তিনি। অটোরিকশায় আগে থেকেই বোরকা পরা দুই নারী ও এক পুরুষ যাত্রী বসা ছিলেন। ওই ব্যক্তি পথে নেমে যাওয়ার পর চালকের কথায় পেছনের আসনে বসেন নয়ন। একপর্যায়ে দুই নারীর আচরণে সন্দেহ হলে অটোরিকশা থেকে লাফ দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় ওই নারীরা তাঁকে টেনে ধরে মুখে স্প্রে করেন। পরে তাঁর কাছে থাকা টাকা নিয়ে তাঁকে অচেতন অবস্থায় সড়কের পাশে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। এর পরের ঘটনা তাঁর স্পষ্ট মনে নেই।

আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার মো. মুজিবুর রহমান বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনের দায়িত্ব পালন শেষে শনিবার রাতে ফেরার পথে হাজীগাঁও এলাকার মনু মিয়ার মসজিদের কাছে সড়কের পাশে এক যুবককে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁরা তাঁকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী বলেন, শনিবার রাতে নয়নকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, চেতনানাশক কোনো পদার্থ খাওয়ানো বা স্প্রে করার কারণে তাঁর এমন অবস্থা হয়েছে। হাসপাতালে আনার সময় তাঁর শরীর কাঁপছিল।




পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রীর নামে মিথ্যা অপবাদের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রীর নামে মিথ্যা অপবাদের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
ছবি সংগৃহীত।

আনোয়ারায় এক প্রবাসী স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে স্ত্রীকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ নাঈমা সুলতানা (২৮)। এতে করে নাঈমা সুলতানা নিজের ১২ বছরের সংসার ও দুই সন্তানকে রেখে বাপের বাড়ি চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের মামুরখাইন এলাকার প্রবাসী মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে ১২ বছর আগে চাতরী ইউনিয়নের নাঈমা সুলতানের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

রোববার দুপুরে ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, “আমার প্রবাসী স্বামী মো. নজরুল ইসলাম (৪৩) দীর্ঘদিন বিদেশে বসবাস করলেও তিনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রাখেন, এমনকি দেশে আসার খবরটিও আমাকে জানাননি। গত ৭ সেপ্টেম্বর (সোমবার) দেশে এসে রুমের মধ্যে আমাকে আটকে রেখে পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে বাড়িতে সামাজিক বৈঠক ডাকেন। বৈঠকে আমার বড় বোনের স্বামী মনসুর আলী, বড় ভাই সাইফুল্লাহ, স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য কামরুল নাহার, দিদার হোসেনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।”

তিনি আরও বলেন, “তিনি সবার উপস্থিতিতে আমাকে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদ দেন। এ সময় এক কাপড়ে আমি ঘর থেকে সবার উপস্থিতিতে বাপের বাড়ি চলে আসি। আমার এক ছেলে ও এক মেয়েকেও সে রেখে দেয়। দেনমোহরের টাকা না দেওয়ার জন্য কিছুদিন পর আমার স্বামী আদালতে আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা করেন এবং আমি তাঁর ভাতিজাকে নিয়ে পালিয়ে গেছি বলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আমি এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।”

সামাজিক বৈঠকে থাকা ভুক্তভোগী নারীর বড় বোনের স্বামী মনসুর আলী বলেন, “সামাজিক বৈঠকে ডেকে আমাদের সকলকে অপমান করা হয়। ঘরের মধ্যে আটকে রাখা বোনকে আমরা সবার উপস্থিতিতে বাড়িতে নিয়ে আসি। এরপর তারা এসব মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। সে কারো সাথে পালিয়ে যায়নি, সামাজিক বৈঠকের মাধ্যমে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়িতে এসেছে।”

এদিকে এ বিষয়ে জানতে স্বামী নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য কামরুল নাহার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী নজরুল ও নাঈমার মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। কিছুদিন আগে নজরুলের বড় ভাই স্থানীয় ইউপি সদস্য হিসেবে আমাকে তাঁদের ঘরে ডেকে নেন। এ সময় স্বামী-স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা দুজনই সংসার করতে ইচ্ছুক নন বলে জানান। তখন নাঈমা তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাপের বাড়িতে চলে যান। এরপর কী হয়েছে তা আমরা জানি না।”




আনোয়ারায় আলোকায়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমপি নিজাম ‘মানবিক কাজে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে’

আনোয়ারায় আলোকায়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমপি নিজাম ‘মানবিক কাজে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে’
আলোকায়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন সরওয়ার জামাল নিজাম এমপি।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম বলেছেন, “মানবিক কাজে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকারের পাশাপাশি সমাজপতিরা মানুষের পাশে দাঁড়ালে যেকোনো সমস্যা সহজে সমাধান হবে। আজকের এ অনুষ্ঠানে এসে আমি খুবই আনন্দিত বোধ করছি। কারণ একজন ব্যক্তি মায়ের স্নেহ আর পিতার আদর্শ ধারণ করে পুরো গ্রাম সোলার বিদ্যুৎ দিয়ে আলোকিত করার কাজ করেছেন—এটি একটি মহৎ ও মানবিক কাজ। এসব কাজ সমাজে সবার পক্ষে সহজে করা সম্ভব হয় না। তাই ‘নেপাল-মঞ্জু ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা ব্যবসায়ী রঘুপতি সেনের এই মানবিক কাজ এলাকাবাসীর জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। চলমান বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস সংকটের মুহূর্তে পুরো গ্রামের সড়কগুলো বিদ্যুতায়ন করে তিনি অনেক বড় মহৎ কাজ করেছেন। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় ভালো কাজে খুব কম লোক এগিয়ে আসে। তাই এলাকার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।”

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের কৈনপুরা গ্রামে নেপাল-মঞ্জু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত গ্রাম আলোকায়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আসন্ন দুর্গাপূজা সম্পর্কে তিনি বলেন, “দুর্গাপূজা হবে শান্তি ও সম্প্রীতির অন্যতম মেলবন্ধন। কোনো ধরনের অপশক্তির বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং সারা দেশের ন্যায় আনোয়ারা-কর্ণফুলীতেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।”

সমাজসেবক মিহির কান্তি পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নেপাল-মঞ্জু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং কৈনপুরা বড় উঠান মহতর পাড়া এলাকার বিভিন্ন সড়ক আলোকায়ন প্রকল্পের উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক ব্যবসায়ী রঘুপতি সেন।

গ্রাম আলোকায়ন প্রকল্প সম্পর্কে রঘুপতি সেন বলেন, “আমার মা-বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিজ গ্রাম কৈনপুরাসহ চাতরী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীণ সড়কে ব্যক্তিগত অর্থায়নে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২০টি সোলার লাইট বসানো হয়েছে। এই আলোকায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে আমার এলাকার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ সুবিধা পাবেন।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি তাপস হোড়, আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল করিম চৌধুরী জকু, সাবেক চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির চৌধুরী আনচার, জেলা বিএনপি নেতা আকতার নবী, উপজেলা বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হায়দার চৌধুরী, মো. শহীদ, আবদুর রশীদ, নুরুল হুদা, অহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ সনাতনী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।