কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ: বান্দরবানে বির্তকিত জমিতে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনে ভুমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব

বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক মাঝের পাড়া উপজাতীয় উধ্যুসীত আবাসিক এলাকার মত বির্তকিত জমিতে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনে ভুমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করেছে জেলা প্রশাসন। এই বির্তকিত ভুমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব দিতে সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে ঘুষ দিয়েছে কোটি টাকার বেশী।
জানা যায়,সারা দেশে ২৩ টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্পের আওতায় বান্দরবান পার্বত্য জেলায় সুয়ালক ইউনিয়নের মাঝের পাড়া জনবসতিপুর্ন এলাকায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য জমি অধিগ্রহনের প্রস্তাব করা হয়। উক্ত জমি অধিগ্রহনের আপত্তি জানিয়ে এলাকাবাসী শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব, কারিগরি বোর্ড চেয়ারম্যান, প্রকল্প পরিচালক , জেলা প্রশাসক ও ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন করেন।
আবেদনে তারা বলেন, একটি চক্র পরিকল্পিত ভাবে অনুপযোগী এই জমি টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এই এই বির্তকিত জমির প্রস্তাব করেন। এই জমির মালিক ফ্যসিস্ট সরকারে মন্ত্রীর এপিএস সাদেক হোসেন চৌধুরীর ভাই জাহেদ হোসেন চৌধুরী সহ ১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রকাশ্য ভোট ডাকাতির সাথে জড়িত কয়েকজন স্কুল শিক্ষক। এই চক্রটি আ'লীগ সরকারের আমলে সস্তায় পাহাড়ী জমি ক্রয় করে এবং সকারের প্রভাব বিস্তার করে উক্ত ভুমি অধিগ্রহণে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এছাড়াও এলাকাবাসীর দাবী, এই জমিতে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন হলে, স্থানীয় উপজাতীদের সাথে সার্বক্ষণিক ছাত্র/ ছাত্রীদের সংর্ঘষ সহ নানান সমস্যা হতে পারে। যা জেলায় আইন শৃঙ্খলার মারাত্নক অবনতি ঘটবে। এলাকার বাসিন্দারা আরো বলেন, অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত জমি মহাসড়কের একেবারে সন্নিকটে। যা জেলার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এই সড়কের পাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলে, সড়কটি সবদিক থেকে ঝুকিপূর্ণ হয়ে যাবে।
মাঝের পাড়ার বাসিন্দা ঘন্জ মেম্বার বলেন, যে জায়গাটি অধিগ্রহনের প্রস্তাব করা হয়েছে অধিকাংশ পাহাড়। অবশিষ্ট ভুমি পাহাড়ী ছরা। এই এলাকায় যদি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করতে একদিকে পাহাড় কাটতে হবে অন্যদিকে পাহাড়ী ছরা বন্ধ করতে হবে। এতে পরিবেশের মারাত্নক ক্ষতি হবে।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সুত্র জানিয়েছে,এই বির্তকিত জমি দ্রুত ভুমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন,উপজেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
এলাকার সচেতন মহল এই জমি অধিগ্রহন প্রক্রিয়া বন্ধ করে নতুন কোন জমি নির্বাচনের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।











