আনোয়ারায় ছেলের হাতে বাবা-মা খুন
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন

আনোয়ারায় ছেলের হাতে বাবা-মা খুন

আনোয়ারায় ছেলের হাতে বাবা-মা খুন
এই বসতঘরেই বাবা-মাকে নির্মমভাবে হত্যা করে ছেলে

মাদকাসক্ত ছেলেকে দুই দফা মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করেও শেষ রক্ষা হলো না বাবা-মার। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে নিজ বসতঘরে ছুরিকাঘাতে প্রথমে মাকে ও পরে বাবাকে খুন করে ছেলে। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের কুনিরবিল এলাকার মহাজন বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন স্থানীয় মৃত রেবতি দাশ গুপ্তের ছেলে স্বপন দাশ গুপ্ত (৭০) এবং তাঁর স্ত্রী কল্পনা দাশ গুপ্ত (৫৫)। ঘাতক হলেন তাঁদের একমাত্র ছেলে রুমি রাজ দাশ গুপ্ত (৩০)। পুলিশ ঘাতক রুমি রাজকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার পর আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত স্বপন দাশের ভাইয়ের স্ত্রী মেরি বিশ্বাস বলেন, “দুপুরে তাঁদের ঘরে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আমি ঘর থেকে দৌড়ে বের হই। এ সময় দেখি রুমি রাজ দাশ তার মায়ের গলা কাঁচি দিয়ে কেটে দিচ্ছে। আমার চিৎকারে রুমি রাজের বাবা স্বপন দাশ দৌড়ে এসে তাঁর স্ত্রী কল্পনা দাশকে বাঁচাতে গেলে ছেলে রুমি রাজ তাঁর বাবা স্বপন দাশকেও কাঁচি দিয়ে আঘাত করে। কল্পনা দাশ গুপ্ত ঘটনাস্থলেই মারা যান আর স্বপন দাশ গুপ্তকে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি মারা যান।”

তিনি আরও বলেন, “ছেলেটি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিল, দুই বার মাদক নিরাময় কেন্দ্রেও ভর্তি করানো হয়েছিল। মাদকের নেশা হলে সে কখন কী করবে বুঝে উঠতে পারত না। আগেও একাধিকবার ওই ছেলে তার বাবা-মাকে মারধর করেছিল।”

আনোয়ারার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “গুরুতর আহত অবস্থায় স্বপন দাশ গুপ্তকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চমেকে (চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) প্রেরণের সময় তাঁর মৃত্যু হয়।”

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক ছেলেটিকে আটক করেছি। ঘটনাস্থল থেকে নিহত কল্পনা দাশের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং স্বপন দাশের মরদেহ রয়েছে হাসপাতালে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। পরবর্তী সময়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”




বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নে মাওলানা হাবীব উল্লাহ (রহ.) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঢেউটিন বিতরণ

বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নে মাওলানা হাবীব উল্লাহ (রহ.) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঢেউটিন বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে গৃহনির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ঢেউটিন বিতরণ করেছে মাওলানা হাবীব উল্লাহ (রহ.) ফাউন্ডেশন।

গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৩টায় বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত সরল আনোয়ারুল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম পর্যায়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫টি পরিবারের প্রত্যেককে ১ বান করে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়। ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি তাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের প্রথম ধাপ। পর্যায়ক্রমে আরও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এবং পুনর্বাসন সহায়তা অব্যাহত রাখতে ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতে আরও উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা এবং মরহুম আলেমে দ্বীন মাওলানা হাবীব উল্লাহ (রহ.)-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র মাওলানা মাহমুদ উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফরহাদ আমিন ফয়সল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন আল্লামা খাইরুদ্দীন (রহ.)-এর কনিষ্ঠ পুত্র মুফতি মাওলানা নছিমুর রহমান, মাওলানা আব্দুল মাজেদ (পরিচালক, সরল আনোয়ারুল উলুম মাদ্রাসা), মাওলানা আব্দুল মালেক (নির্বাহী পরিচালক, সরল আনোয়ারুল উলুম মাদ্রাসা), মাওলানা আহমদ ছৈয়দ, মাওলানা হাফেজ আহমেদ, মাওলানা রফিক উল ইসলাম, মাওলানা রাশেদুল আলম নোমান, মাস্টার জামাল উদ্দিন, ডাক্তার ইউসুফসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ ছাড়া মরহুম মাওলানা হাবীব উল্লাহ (রহ.)-এর উত্তরসূরি ও ফাউন্ডেশনের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ফরিদুল আলম, মাওলানা শওকত আমিন বেলাল, মাওলানা সোহাইল মাহমুদ, ফরহাদ আমিন ফয়সল, তোয়াহা আমিন, শোয়াইব মাহমুদ, আহমদুর রহমান ও মোবারক উল্লাহসহ অনেকে।

ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন মাওলানা হাবীবুল করিম হেলাল, মাওলানা সাইফুল্লাহ ও হাফেজ ওবাইদুল্লাহ।

বক্তারা বলেন, মরহুম মাওলানা হাবীব উল্লাহ (রহ.) ছিলেন দেশের একজন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন। ইসলামী শিক্ষা, দ্বীনি দাওয়াত এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাঁর আদর্শ ও মানবসেবার ধারাবাহিকতা রক্ষার লক্ষ্যে তাঁর সন্তান ও নাতিদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত মাওলানা হাবীব উল্লাহ (রহ.) ফাউন্ডেশন বিভিন্ন মানবিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে পরিচালিত হবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা মাহমুদ উল্লাহ সকলের কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, “আল্লাহ তাআলা যেন এই ফাউন্ডেশনকে সমাজ ও মানবকল্যাণে দীর্ঘদিন কাজ করার তৌফিক দান করেন।” তিনি সমাজের বিত্তবান ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মাওলানা আব্দুল মাজেদ (হাফি.)-এর পরিচালনায় বন্যাদুর্গত পরিবার, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।




জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে পটিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে দুই আসামি গ্রেপ্তার

জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে পটিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে দুই আসামি গ্রেপ্তার
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়া উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র এবং ২টি মোবাইল ফোন।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএম-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ২৪ জুলাই (শুক্রবার) বিকেলে পটিয়া থানাধীন কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে দুর্গম পাহাড়ি পথ, প্রতিকূল পরিবেশ এবং সম্ভাব্য সশস্ত্র প্রতিরোধের ঝুঁকি উপেক্ষা করে ডিবি পুলিশের সদস্যরা অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কেলিশহর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইন্নারপাড়া এলাকার মৃত দুলা মিয়ার ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (৫৪) এবং একই এলাকার নুরে আলম পুচুমের ছেলে মো. মহসিন (৩৩)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেলোয়ার হোসেনের বসতঘরের খাটের নিচে তল্লাশি চালিয়ে ৬টি কিরিচ, ৫টি রামদা, ১টি দা, ১টি লোহা কাটার এবং ২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে একই ইউনিয়নের ছাতিভাঙ্গা এলাকার আফছারের গাছবাগানে অভিযান চালিয়ে লুকিয়ে রাখা ২টি একনলা বন্দুক ও ২টি দেশীয় তৈরি এলজি উদ্ধার করা হয়।

753857125_2217535069080998_6177164839940551670_n
 

উদ্ধারকৃত আলামতের সামগ্রিক তালিকায় রয়েছে—২টি একনলা বন্দুক, ২টি দেশীয় তৈরি এলজি, ৬টি কিরিচ, ৫টি রামদা, ১টি দা, ১টি লোহা কাটার এবং ২টি মোবাইল ফোন।

প্রাথমিক তদন্তে ডিবি পুলিশের ধারণা, উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রগুলো বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা হয়েছিল।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল জানিয়েছেন, অপরাধ, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

এ ঘটনায় জড়িত অন্য সহযোগী, অস্ত্রের উৎস এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছে পুলিশ।




পটিয়ায় আশিয়ায় যুবদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

পটিয়ায় আশিয়ায় যুবদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এনামুল হক এনামের নির্দেশনায় পটিয়ার আশিয়া ইউনিয়নের বাংলা বাজার এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন পটিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ওয়াহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভা ছাত্রদলের নেতা মিসবাহুল ইসলাম, বিএনপি নেতা নাছির, আব্দুল মান্নান খান, শহিদ চৌধুরী, সাইফুদ্দিন চৌধুরী, মো. রহমান ও শাহ আলমসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ছায়াদানকারী গাছের চারা রোপণ করা হয়। নেতাকর্মীরা পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

এ সময় পটিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ওয়াহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু বলেন, “বৃক্ষ আমাদের জীবন ও পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সময়ে পরিবেশ রক্ষায় বেশি বেশি বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।”

তিনি আরও বলেন, “সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যুবদলের এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আমরা সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানো এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা আশিয়া বাংলা বাজার এলাকার বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।