আনোয়ারা অণ্ডকোষ কেটে কৃষকের দুটি মহিষ হত্যা
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

আনোয়ারা অণ্ডকোষ কেটে কৃষকের দুটি মহিষ হত্যা

আনোয়ারা অণ্ডকোষ কেটে কৃষকের দুটি মহিষ হত্যা
ক্ষতিগ্রস্ত শফিউল আজম ও তাঁর মহিষ

সারাদিন সাঙ্গু নদীর চরে ঘাস খেয়ে রাতে ওই চরালো এলাকাতেই থাকত শফিউল আজমের মহিষসহ স্থানীয় অন্য কৃষকদের গবাদিপশু। শনিবার সন্ধ্যায়ও শফিউল আজম তাঁর মহিষগুলো দেখে আসেন। কিন্তু রবিবার সকালে চরে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তাঁর দুটি মহিষের অণ্ডকোষ কেটে হত্যা করা হয়েছে। তবে বাকি মহিষগুলোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের ভরারচর সাঙ্গু নদীর পংগির চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত শফিউল আজম স্থানীয় বরুমচড়া ইউনিয়নের ভরাচর এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় শফিউল আজমের ছেলে মো. নাজিম (২৭) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পংগির চরে স্থানীয় লোকজন গরু-মহিষ লালন-পালন করেন। তাঁদের মধ্যে শফিউল আজমের ২০টি মহিষ ছিল। প্রতিদিনের মতো শনিবার সন্ধ্যায় পংগির চর এলাকায় মহিষগুলোকে রেখে শফিউল আজম বাড়িতে চলে আসেন। পরদিন রবিবার সকাল ১০টার দিকে সেখানে গিয়ে দুটি মহিষকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় মহিষ দুটির অণ্ডকোষ কেটে ফেলার চিহ্ন দেখা যায়।

শফিউল আজমের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে মহিষ দুটিকে হত্যা করা হয়েছে। এতে তাঁর প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েদ চৌধুরী বলেন, মহিষ হত্যার বিষয়টি শুনেছি; তবে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




সাতকানিয়ায় যুবককে মাদকসেবী সাজিয়ে সাজা দেওয়ার অভিযোগ

সাতকানিয়ায় যুবককে মাদকসেবী সাজিয়ে সাজা দেওয়ার অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মো. আলাউদ্দিন নামে এক যুবককে মাদক সেবন ও মাতলামির অভিযোগে সাত দিনের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ পুরকায়স্থের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে আলাউদ্দিন দাবি করেছেন, তল্লাশির সময় তার কাছে কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে পুলিশ সদস্যরা নিজেদের পকেট থেকে ইয়াবা ও গাঁজা বের করে তার কাছ থেকে উদ্ধার দেখানো হয়েছে বলে তিনি ইউএনওর কাছে উপস্থাপনকালে প্রতিবাদ জানান।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতের ওই ঘটনার পর কারাভোগ শেষে আলাউদ্দিন ডোপ টেস্ট করিয়েছেন। তার দাবি, ওই পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। ডোপ টেস্টের প্রতিবেদনসহ জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অভিযোগে তিনি ইউএনওর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন।

সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে আলাউদ্দিন উল্লেখ করেন, গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে তিনি তার ভাই নাইম উদ্দিন ও প্রতিবেশী নাজিম উদ্দিনকে নিয়ে সাতকানিয়ার মৌলভীর দোকান এলাকার ‘আল মক্কা’ হোটেলে নাস্তা করছিলেন। এ সময় ডিএসবি সাতকানিয়া জোনের কনস্টেবল মোজাম্মেল হোসেন তাকে তল্লাশির কথা জানান। তল্লাশির কারণ জানতে চাইলে কোনো সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিক ওই তল্লাশিতে তার কাছ থেকে কিছু পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তাকে এএসআই মতিন ও এএসআই নুর উদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তারাও তাকে তল্লাশি করেন এবং সেখানেও কিছু পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগকারীর দাবি।

অভিযোগে আলাউদ্দিন আরও দাবি করেন, তল্লাশির একপর্যায়ে কনস্টেবল মোজাম্মেল হোসেন নিজের পকেট থেকে দুটি ইয়াবা ও দুই পুটলি গাঁজা বের করে ‘পাওয়া গেছে’ বলে চিৎকার করেন। এ সময় তার ভাই নাইম উদ্দিনসহ উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী এর প্রতিবাদ জানান।

অভিযোগকারীর দাবি, তারা পুলিশ সদস্যকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তুমি তোমার পকেট থেকে এগুলো বের করেছ, আমরা তা দেখেছি।’ এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তার ভাই ও স্থানীয় লোকজনকে মারধর করা হয়। জনগণের বাধা সত্ত্বেও তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

অভিযোগকারী জানান, তাকে ইউএনওর সামনে উপস্থাপন করা হলে তিনি তার বক্তব্য শোনেননি এবং কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বক্তব্যের ভিত্তিতে তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানাও আদায় করা হয়।

আলাউদ্দিনের দাবি, তিনি ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং তাকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। কারাভোগ শেষে ঘটনার সত্যতা প্রমাণের উদ্দেশ্যে তিনি ডোপ টেস্ট করিয়েছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন। জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া নথির তালিকায় ডোপ টেস্টের প্রতিবেদনও রয়েছে।

পরীক্ষার প্রতিবেদনে মাদক গ্রহণের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি এবং রিপোর্টটি নেগেটিভ এসেছে বলে জানান তিনি। লিখিত অভিযোগে আলাউদ্দিন বলেন, পুলিশ সদস্যদের এই কর্মকাণ্ডের কারণে তার ও তার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এলাকায় তাকে নিয়ে নানা বিরূপ মন্তব্য করা হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তিনি একজন সাধারণ মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী মহლის বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার মতো সামর্থ্য তার নেই। বর্তমানে নিজের নিরাপত্তা নিয়েও তিনি চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

এ বিষয়ে আলাউদ্দিন জানান, মাদক সেবনের অভিযোগে তাকে সাজা দেওয়া হলেও সাজার আগে তার কোনো ডোপ টেস্ট করানো হয়নি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের নথিপত্রেও ডোপ টেস্টের কোনো প্রতিবেদন সংযুক্ত ছিল না। এ অবস্থায় কেবল পুলিশ সদস্যদের দেওয়া তথ্য ও উপস্থাপিত আলামতের ভিত্তিতে তাকে সাজা দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আলাউদ্দিন। একই সঙ্গে ইউএনও রাজীব দাশ পুরকায়স্থের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার এখতিয়ার ও ওই দিনের বিচারিক কার্যক্রমের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে প্রয়োজনীয় আইনি প্রতিকার চাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান আলাউদ্দিন। তার ভাষ্য, একজন নিরপরাধ মানুষকে মাদক মামলার সাজা দেওয়ার এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।




পটিয়া হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ, জনবল ও ওষুধ সংকট নিরসনের আশ্বাস

পটিয়া হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ, জনবল ও ওষুধ সংকট নিরসনের আশ্বাস
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে তিনি হাসপাতালে গিয়ে বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের ওয়ার্ড, চিকিৎসকদের উপস্থিতি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান সম্পর্কে খোঁজ নেন।

এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর অতিরিক্ত চাপ, জনবল, ওষুধ, ভ্যাকসিন ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন সংকটের কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পটিয়ার প্রায় সাত লাখ মানুষের পাশাপাশি বাঁশখালী, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও কর্ণফুলীসহ আশপাশের এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ এ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নেন।

প্রতিদিন বহির্বিভাগে এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নেন এবং ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। ফলে সীমিত অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের জনবল সংকট মোকাবিলায় চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, পাঁচজন মেডিকেল অফিসার, চারজন নার্স, একজন মিডওয়াইফ, একজন ল্যাব টেকনোলজিস্ট, একজন রেডিওগ্রাফার, একজন বাবুর্চি ও একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ভ্যাকসিন সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বর্তমান ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দরপত্র (টেন্ডার) কার্যক্রম শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে পাঁচুরিয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র পুনর্নির্মাণের জন্য স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিক ও মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। ভর্তি রোগীদের রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল থেকেই করার ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং খাবারের মান উন্নত করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম হাসপাতালের উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় রসদগত (লজিস্টিক সাপোর্ট) সহায়তার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, পটিয়া হাসপাতালের ওপর আশপাশের কয়েকটি উপজেলার মানুষেরও চিকিৎসার চাপ রয়েছে। তাই বর্তমান অবকাঠামো ও জনবল দিয়ে বিপুলসংখ্যক রোগীর সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়বসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




গাউছিয়া কমিটি কুয়েত শাখার উদ্যোগে ফাতেহা-ই ইয়াজদাহুম উদযাপন

গাউছিয়া কমিটি কুয়েত শাখার উদ্যোগে ফাতেহা-ই ইয়াজদাহুম উদযাপন
কুয়েতে ফাতেহা-ই ইয়াজদাহুম ও অভিষেক অনুষ্ঠানে গাউছিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ

অলিফুল সম্রাট হযরত আবদুল কাদের জিলানীর ওফাত দিবস উপলক্ষে পবিত্র ফাতেহা-ই ইয়াজদাহুম উদযাপন এবং গাউছিয়া কমিটি কুয়েত হিজিল শাখার অভিষেক অনুষ্ঠান গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে কুয়েতের হিজিল শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। গাউছিয়া কমিটি হিজল শাখার সভাপতি হাফেজ মোহাম্মদ দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সালাউদ্দিন ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুর রহিমের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ্ব লোকমান আলী ওসমান। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন আলহাজ্ব মাওলানা কামরুল হাসান আল কাদেরি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এস এম মহসিন কবির চৌধুরী ও মাওলানা আব্দুল মোস্তফা আবেদী। আলোচনা শেষে মিলাদ ও কিয়াম পরিচালনা করেন মাওলানা মহিউদ্দিন সোহাগ। এ সময় গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুয়েত শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, দিদার, আনোয়ার, আরাফাত, মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, বাবর উদ্দিন, দিদার, ইউসুফ পারভেজ, আসিফ নজরুল, নেজাম, বজল, মিশর জামাল, শহীদ, সোহানসহ গাউছিয়া কমিটি কুয়েতের ফাহাহিল শাখা এবং আঞ্জুমান খোদ্দামুল মুসলেমিন কুয়েত শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মাহফিলে বক্তারা গাউসে পাক আবদুল কাদের জিলানীর জীবনাদর্শ ও রেখে যাওয়া তরিকা-এ কাদেরিয়া অনুসরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। পরে দোয়া, মোনাজাত এবং তাবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে মাহফিলের সমাপ্তি হয়।