মাদ্রাসা নিয়ে কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে শিক্ষকদের সজাগ থাকতে হবে : মুফতি মহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন

মাদ্রাসা নিয়ে কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে শিক্ষকদের সজাগ থাকতে হবে : মুফতি মহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী

মাদ্রাসা নিয়ে কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে শিক্ষকদের সজাগ থাকতে হবে : মুফতি মহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী
ছবি সংগৃহীত।

মাদ্রাসা নিয়ে কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে শিক্ষকদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আল্লামা মুফতি মহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী।

তিনি বলেন, "মাদ্রাসা নিয়ে কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। এতে বিচলিত হওয়া যাবে না। নিজেদের কর্মে অবিচল থাকতে হবে।"

৭ অক্টোবর দুপুরে কক্সবাজার ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মাদক, নারী নির্যাতনসহ সামাজিক সমস্যা সমাধানে ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসা সুসংহতকরণ প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহায়ক কর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় দারুল আরকাম শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা প্রচারণার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান মহাপরিচালক।

দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতি কক্সবাজার জেলার সভাপতি মুফতি ইউসুফ মক্কীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মুহাম্মদ সরওয়ার আকবর, মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা সোলাইমান কাসেমী ও জেলা ওলামা দলের সদস্যসচিব কাজী মাওলানা মনজুর আলম।

শুরুতে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান দারুল আরকাম শিক্ষকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাসনিম হাসনাত, অর্থ সম্পাদক নুরুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আজিজ, আইসিটি সম্পাদক মহিউদ্দিন, উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, খাইরুজ্জামান, মাশুকুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও ইলিয়াছ কুতুবীসহ সমিতির অন্তর্ভুক্ত শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষকবৃন্দ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের নিকট তাঁদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

এর আগে শহর অভ্যন্তরে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত দারুল আরকাম মাদরাসাসমূহ পরিদর্শন করেন আল্লামা মুফতি মহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী। এরপর ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভায় যোগ দেন।




কক্সবাজারে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু: জেলায় ৬ লাখ ৫১ হাজার পরিবারের তথ্য সংগ্রহে ৮৫৩ কর্মী

কক্সবাজারে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু: জেলায় ৬ লাখ ৫১ হাজার পরিবারের তথ্য সংগ্রহে ৮৫৩ কর্মী
ছবি সংগৃহীত।

নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে কক্সবাজারে ৬ লাখ ৫১ হাজার ১৭৭টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কার্যক্রম পরিচালনায় জেলায় ৮৫৩ জন তথ্যসংগ্রহকারী ও ১১১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত রয়েছেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে দেশব্যাপী একযোগে এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সরকারের এ কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র, অতিদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার মাধ্যমে নারীর মর্যাদা, অধিকার ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবারকেন্দ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

সোমবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) শাহেদুল আলম, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কেন্দ্রীয় সংবাদ সম্মেলনের সঙ্গে জুম প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত হয়ে কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার জেলার ১১টি উপজেলা ও শহর সমাজসেবা ইউনিটের আওতায় মোট ৩১ লাখ ৩১ হাজার ৯৪ জন মানুষ এবং ৬ লাখ ৫১ হাজার ১৭৭টি পরিবার রয়েছে। এসব পরিবারের তথ্য সংগ্রহে ৮৫৩ জন তথ্যসংগ্রহকারী ও ১১১ জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করবেন। তথ্য সংগ্রহের জন্য কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে জেলায় ১৭০টি ট্যাব সরবরাহ করা হয়েছে।

কর্মসূচির আওতায় নিয়োজিত কর্মীরা বিশেষায়িত ট্যাব ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

জেলা পর্যায়ে ৪ ও ৫ অক্টোবর প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ (টিওটি) অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১০ ও ১১ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে উপজেলা পর্যায়ে ১৭০ জন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

জেলার ১১টি উপজেলা ও শহর সমাজসেবা ইউনিটের নির্দিষ্ট ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রথম পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী, ভারুয়াখালী ও চৌফলদণ্ডী; রামু উপজেলার গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া ও ঈদগড়; উখিয়ার রাজাপালং, জালিয়াপালং ও হলদিয়াপালং; টেকনাফ পৌরসভা, হ্নীলা ও বাহারছড়া; চকরিয়ার সুরাজপুর-মানিকপুর, ডুলাহাজারা ও লক্ষ্যারচর; মাতামুহুরীর কোনাখালী, পশ্চিম বড় ভেওলা ও ঢেমুশিয়া; পেকুয়ার রাজাখালী, উজানটিয়া ও মগনামা; কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইল, বড়ঘোপ ও উত্তর ধুরুং; মহেশখালীর ছোট মহেশখালী, বড় মহেশখালী ও কুতুবজোম; ঈদগাঁওয়ের ইসলামপুর, পোকখালী ও জালালাবাদ এবং শহর সমাজসেবা ইউনিটের ১, ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড রয়েছে।

কক্সবাজারে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট কার্যক্রম শুরু হয় গত ১৬ মে। চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পরিচালিত এ কার্যক্রমে ৩০৪ জন উপকারভোগী নির্বাচিত হন। পাইলট কর্মসূচির জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় ২৯ জুলাই।

দেশব্যাপী পাইলট কার্যক্রমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত আট বিভাগের ৪৪ জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোরের ভিত্তিতে নির্বাচিত ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করে উপকারভোগী নির্বাচনের জন্য স্কোরিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) খানা আয়-ব্যয় জরিপের ভিত্তিতে শহর ও গ্রামীণ এলাকার জন্য পৃথক ডোমেইনে স্কোর নির্ধারণের কথা জানানো হয়েছে। সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিটি পরিবারের স্কোর নির্ধারণ করা হবে এবং সেই স্কোরের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্মসূচির মূল দর্শন হলো—‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। এর মাধ্যমে পরিবারকেন্দ্রিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদে নাগরিকের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক প্রয়োজন পূরণের ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ রয়েছে। এ সাংবিধানিক দায়িত্বের আলোকে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর খাদ্যনিরাপত্তা এবং জীবনধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে সহায়তা দেওয়াই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।

কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেছে জেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন।




দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটনে অবদানের তিন পুরস্কার সায়মান হোটেল পরিবারের

দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটনে অবদানের তিন পুরস্কার সায়মান হোটেল পরিবারের
ছবি সংগৃহীত।

দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটন পুরস্কারের দশম আসর ২০২৬-এ তিনটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করে এক গৌরবময় মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী আতিথেয়তা প্রতিষ্ঠান সায়মান হোটেল ব্র্যান্ড । এর মধ্য দিয়ে টানা অষ্টম বছরের মতো এই আয়োজনে পুরস্কার অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়াও ২০২৬-এ তিনটি মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা অর্জনের মধ্য দিয়ে ছয় দশকের ঐতিহ্য উদযাপন করল সায়মান হোটেল পরিবার।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে সায়মন বিচ রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, গেল ৮ অক্টোবর মালদ্বীপের মালে শহরে আয়োজিত সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সায়মানের পক্ষে পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন সায়মানের ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার মি. পূবূদূ ফার্নান্দো।

সায়মানের অর্জিত তিনটি পুরস্কার হলো- ১. বাংলাদেশের শীর্ষ রিসোর্ট ও হোটেল ব্র্যান্ড, ২. সায়মান বিচ রিসোর্ট বাংলাদেশের শীর্ষ সমুদ্রসৈকত হোটেল ও ৩. সায়মান হেরিটেজ বাংলাদেশের শীর্ষ ঐতিহ্যবাহী হোটেল ও রিসোর্ট। টানা আট বছর এই পুরস্কার অর্জন বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে সায়মানের সুদীর্ঘ উপস্থিতি, সেবার ধারাবাহিকতা এবং অতিথিদের স্মরণীয় আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা প্রদানের প্রতি প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

কক্সবাজারে অবস্থিত সায়মান বিচ রিসোর্ট অতিথিদের আধুনিক সমুদ্রসৈকত কেন্দ্রিক অবকাশযাপনের অভিজ্ঞতা প্রদান করে। অন্যদিকে, সায়মান হেরিটেজ ঐতিহাসিক সায়মান নামের ঐতিহ্য ও গৌরবময় উত্তরাধিকারকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ছয় দশকেরও বেশি সময়ের ঐতিহ্য ধারণ করে প্রতিষ্ঠান দুটি ঐতিহ্য ও আধুনিক আতিথেয়তার এক অনন্য সমন্বয় তুলে ধরছে।

সায়মান বিচ রিসোর্ট ও সাইমান হেরিটেজ—উভয় প্রতিষ্ঠানের ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে মি. পূবূদূ ফার্নান্দো বলেন,“আমি বিশ্বাস করি, এই অর্জন আমাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত সাফল্য। আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রতিদিন নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সহকর্মীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার ফলেই এই স্বীকৃতি অর্জন সম্ভব হয়েছে। দলগত কাজই আমাদের সাফল্যের মূল ভিত্তি। আমরা সবাই মিলে এমন আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও অতিথিবৎসল আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা তৈরি করে চলেছি, যা বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্পের সর্বোত্তম বৈশিষ্ট্যগুলোকে তুলে ধরে। আমাদের নিবেদিত প্রাণ সহকর্মী, সম্মানিত অতিথি, বিশ্বস্ত ব্যবসায়িক অংশীদার এবং শুভাখাঙকীদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এই পুরস্কারগুলো আমাদের আরও বড় স্বপ্ন দেখতে, আরও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সাইমানের ঐতিহ্য সংরক্ষণ করতে উৎসাহিত করে। আমরা একসঙ্গে বাংলাদেশের আতিথেয়তার উষ্ণতা নিয়ে বিশ্বকে স্বাগত জানাতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গর্বের সঙ্গে কক্সবাজারের এবং সায়মানের পরিচিতি ও সুনাম আরও সুদৃঢ় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করা সায়মান বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের একটি সুপরিচিত নাম কক্সবাজারে অবস্থিত সায়মান বিচ রিসোর্ট ও সায়মান হেরিটেজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক রিসোর্ট অভিজ্ঞতার সঙ্গে ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও স্বতন্ত্র আতিথেয়তার সমন্বয় ঘটিয়ে আসছে।




কক্সবাজারে অটোরিকশায় তল্লাশি, মালিকবিহীন ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করলো এসআরবি

কক্সবাজারে অটোরিকশায় তল্লাশি, মালিকবিহীন ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করলো এসআরবি
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫। এ সময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে।  তবে অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারি ছলিম উল্লাহ ও তাঁর এক সহযোগী পালিয়ে যান।

সোমবার (১২ অক্টোবর) এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার সদর থানার দক্ষিণ খুরুলিয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসআরবি-১৫ সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল। এ সময় আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারি ছলিম উল্লাহ ও তাঁর এক অজ্ঞাতনামা সহযোগী মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটি ফেলে পালিয়ে যান।

পরে পরিত্যক্ত সিএনজি অটোরিকশাটিতে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা তিন লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় পলাতক ছলিম উল্লাহ ও তাঁর অজ্ঞাতনামা সহযোগীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কক্সবাজার সদর থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ইয়াবা ও জব্দ করা যানবাহন সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।