বোয়ালখালীতে সুলভ মূল্যে এলপি গ্যাস বিক্রি শুরু
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

বোয়ালখালীতে সুলভ মূল্যে এলপি গ্যাস বিক্রি শুরু

বোয়ালখালীতে সুলভ মূল্যে এলপি গ্যাস বিক্রি শুরু
ছবি সংগৃহীত।

সাধারণ মানুষের নাগালে নিত্যপণ্যের দাম রাখতে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সুলভ মূল্যে ১২ কেজির সিলিন্ডার (এলপি) গ্যাস বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

উদ্বোধনী দিনে ওমেরা, আইগ্যাস, টোটাল এবং সুপার গ্যাস কোম্পানির মোট ৭৭০টি সিলিন্ডার নির্ধারিত সুলভ মূল্যে বিক্রয় করা হয়। প্রতিটি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪০০ টাকা। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সকাল থেকেই উপজেলা চত্বরে সাধারণ ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।

উদ্বোধনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, “বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং জনসাধারণের সুবিধার্থে আমরা সুলভ মূল্যে এলপি গ্যাস বিক্রির এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। ওমেরা, আইগ্যাসসহ চারটি প্রধান কোম্পানির ১২ কেজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।”

উল্লেখ্য, বাজারে এলপি গ্যাসের কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো।




গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ

গুজব ছড়ানোর আগেই ঠেকাতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ
ছবি সংগৃহীত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে আগেই তা শনাক্ত করে প্রতিরোধ করতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। এজন্য সাইবার মনিটরিং টিমকে আরও সক্রিয় করার পাশাপাশি গুজব শনাক্ত, তথ্য যাচাই ও দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচারের একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুরোনো ছবি-ভিডিও বা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার টিম কর্তৃক করণীয়’ শীর্ষক অনলাইন সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের সভাপতিত্বে জুম অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সার্কেলের কর্মকর্তা, অফিসার ইনচার্জ, ডিআইও-১, ওসি ডিবি ও সাইবার মনিটরিং টিমের সদস্যরা অংশ নেন।

সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য ঘটনা হিসেবে নেওয়ার আগে সেটি সত্য কি না যাচাই এবং গুজবের উৎস শনাক্ত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। কোনো ছবি, ভিডিও বা পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর সেটি সত্য ধরে না নিয়ে এর উৎস, সময় ও প্রেক্ষাপট যাচাই করতে বলা হয়েছে। পুরোনো বা অন্য কোনো ঘটনার ছবি-ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দুর্গাপূজা, পূজামণ্ডপ, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্টে। ধর্মীয় উসকানি বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে—এমন কোনো কনটেন্ট নজরে এলে সেটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যাচাই করতে বলা হয়েছে।

সভায় পুলিশ সুপার গুজব শনাক্তকরণ, তথ্য যাচাই, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ, প্রয়োজন হলে দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচার—এই ধারাবাহিকতায় কাজ করার নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্টের লিংক, স্ক্রিনশট, সংশ্লিষ্ট আইডি বা পেজ, সময়সহ অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

জেলা পুলিশ জানায়, শুধু গুজব শনাক্ত করে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; গুজবের বিপরীতে দ্রুত সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াও জরুরি। এ কারণে কোনো ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে সংশ্লিষ্ট থানা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দ্রুত প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করে সংক্ষিপ্ত, নিরপেক্ষ ও সময়োপযোগী তথ্য প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এজন্য থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সংস্থার মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধের উপাদান পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

সভায় জনগণের প্রতিও যাচাই ছাড়া কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর চেয়ে আগেই শনাক্ত করে তা প্রতিরোধ করা এবং দ্রুত সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সাইবার মনিটরিং কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।




জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় আইসিডির চার্জে ৯.৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি

জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় আইসিডির চার্জে ৯.৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি
ছবি সংগৃহীত।

ডিজেলের দাম ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ানোর পর বেসরকারি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) থেকে দেওয়া ডিজেল নির্ভর বিভিন্ন সেবার চার্জ ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইসিডিএ)।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিআইসিডিএর জেনারেল সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত এক সার্কুলারে এ তথ্য জানানো হয়। বর্ধিত চার্জ একই দিন থেকে কার্যকর হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, সরকার ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। এতে ডিজেলের দাম বেড়েছে ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ। ফলে বেসরকারি আইসিডিগুলোর পরিচালনায় জ্বালানি-নির্ভর বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেড়েছে। এ কারণে সর্বশেষ পর্যালোচিত হারের ওপর ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ জ্বালানি সারচার্জ বাড়ানো হয়েছে।

বর্ধিত চার্জের আওতায় রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর ও আইসিডির মধ্যে খালি কনটেইনার পরিবহন বা হলেজ, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) ও আইসিডির মধ্যে খালি কনটেইনার পরিবহন, খালি কনটেইনার ওঠানো-নামানোর (লিফট-অন/লিফট-অফ) চার্জ এবং রপ্তানি পণ্য স্টাফিং ও হ্যান্ডলিং প্যাকেজ।

এ ছাড়া রপ্তানি বোঝাই কনটেইনারের ভেরিফায়েড গ্রস মাস (ভিজিএম) বা ওজন নির্ধারণের চার্জও ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে লোড ইয়ার্ডে কনটেইনার ওঠানো, ওজন মাপার স্থানে নেওয়া, ওজন নির্ধারণ এবং পুনরায় লোড ইয়ার্ডে পরিবহন ও নামানোর মতো সেবা রয়েছে।

আমদানি পণ্য ডেলিভারি প্যাকেজ চার্জও এই বৃদ্ধির আওতায় এসেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর বা পিসিটি থেকে আইসিডিতে আমদানি বোঝাই কনটেইনার পরিবহন, আইসিডিতে কনটেইনার নামানো, ডেলিভারি ইয়ার্ডে স্থাপন এবং শ্রমিকসহ কনটেইনার থেকে ট্রাকে আমদানি পণ্য সরবরাহের সেবা অন্তর্ভুক্ত।

সার্কুলারে সংশ্লিষ্ট আইসিডিগুলোকে নিজ নিজ গ্রাহকদের সর্বশেষ পর্যালোচিত হারের ওপর ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ চার্জ বৃদ্ধির বিষয়টি অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার  বলেন, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আইসিডিগুলোর অপারেশনাল ব্যয় সরাসরি বেড়েছে। এ কারণে ডিজেলনির্ভর সেবাগুলোর বিপরীতে বর্ধিত চার্জ কার্যকর করা হয়েছে।




নতুন কুঁড়িতে নিবন্ধনে দেশসেরা চট্টগ্রাম

নতুন কুঁড়িতে নিবন্ধনে দেশসেরা চট্টগ্রাম
ছবি সংগৃহীত।

দেশব্যাপী নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নিবন্ধনে বড় ব্যবধানে শীর্ষে রয়েছে চট্টগ্রাম। এ জেলায় নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ঢাকায় নিবন্ধন করেছে ৫৯ হাজার ৫৮০ জন। অর্থাৎ ঢাকার চেয়ে চট্টগ্রামে ১ লাখ ২১ হাজার ৫৬০ জন বেশি নিবন্ধন করেছে।

প্রতিযোগিতাটি নিয়ে বড় প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা ইতিহাস গড়ব।

চট্টগ্রামে বিপুলসংখ্যক নিবন্ধনের পেছনে খেলাধুলার প্রতি স্থানীয়দের আগ্রহের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রচার-প্রচারণা এবং উদ্যোগের প্রভাব রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তাদের প্রচার-প্রচারণা এবং প্রচেষ্টার কারণেও নিবন্ধনে প্রভাব পড়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার উদ্যোগের ভূমিকা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা ছিল—কে কত বেশি নিবন্ধন করাতে পারে।

চট্টগ্রামে খেলাধুলার প্রতি মানুষের আগ্রহের কথাও তুলে ধরেন ক্রীড়া সচিব। তার ভাষ্য, চট্টগ্রামে খেলাধুলার অনেক আয়োজন রয়েছে। জাতীয় পর্যায়েও এ জেলা থেকে অনেক ভালো খেলোয়াড় উঠে আসেন।

জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবদুল বারী বলেন, শুরু থেকেই জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে পরিকল্পিত প্রচারণার পাশাপাশি উপজেলা, ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ধারাবাহিক সমন্বয় করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একাধিক সভা করার পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে সভা করা হয়।

ইউনিয়ন পর্যায়েও নিবন্ধন কার্যক্রম বিস্তৃত করা হয়। নির্ধারিত রূপরেখা অনুযায়ী ইউনিয়ন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এসব কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন। জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তারাও এ কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।

আবদুল বারী বলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সময়ে সময়ে দেওয়া নির্দেশনা নিবন্ধন বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। নিবন্ধন বাড়ানোর কার্যক্রম প্রতিদিন চালানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মাঠপর্যায়ের প্রচারণার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার চালানো হয়। স্থানীয় সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের পাশাপাশি ফেসবুকে প্রতিযোগিতার তথ্য প্রচার করা হয়। স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকেরাও এতে যুক্ত হন। ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যন্ত তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য অফিসও প্রচারণায় সহযোগিতা করে।

এ কার্যক্রমে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিনের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা।

জেলাভিত্তিক নিবন্ধনে চট্টগ্রামের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা। তৃতীয় স্থানে কুমিল্লা—সেখানে নিবন্ধন করেছে ৫১ হাজার ৮৪৮ জন। চতুর্থ স্থানে বরিশালে ৫১ হাজার ৫৮০ এবং পঞ্চম স্থানে পটুয়াখালীতে ৪৯ হাজার ৫৬৫ জন নিবন্ধন করেছে।

শীর্ষ ২০ জেলার তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে দিনাজপুরে ৪১ হাজার ৬৯৯, সপ্তম স্থানে সিলেটে ৪০ হাজার ৫৩৬, অষ্টম স্থানে ময়মনসিংহে ৪০ হাজার ৫৪, নবম স্থানে কক্সবাজারে ৩৬ হাজার ৫৪৬ এবং দশম স্থানে বগুড়ায় ৩৪ হাজার ৯৬৮ জন নিবন্ধন করেছে।

গত আসরে আটটি ইভেন্ট থাকলেও এবার আরও দুটি যুক্ত করে মোট ১০টি ইভেন্ট রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে দল গঠনের পর উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বালক ও বালিকা উভয় বিভাগে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, মার্শাল আর্ট ও টেবিল টেনিসে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।