নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত সুরক্ষায় নতুন দুটি টিওবির উদ্বোধন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত সুরক্ষায় নতুন দুটি টিওবির উদ্বোধন

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত সুরক্ষায় নতুন দুটি টিওবির উদ্বোধন
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অপারেশনাল কার্যক্রম আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নবনির্মিত আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা টিওবি উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সামশের উদ্দীন, বিএসপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নবনির্মিত আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা টিওবির উদ্বোধন করেন।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) কর্তৃক সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধিসহ চোরাচালান দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ, অপারেশনাল কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা এবং জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার সুবিধার্থে বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৩ নম্বর ঘুমধুম ইউনিয়নের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় ‘আরচ্ছতলা টিলা’ ও ‘হাতুরানী টিলা’ নামক স্থানে নতুন দুটি টিওবি স্থাপন করা হয়।

রিজিয়ন সদর দপ্তর, কক্সবাজার ও সেক্টর সদর দপ্তর, রামুর দিকনির্দেশনায় কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) কর্তৃক আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিওবির নির্মাণকাজ দ্রুততা ও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়।

রিজিয়ন কমান্ডার এ সময় উক্ত টিওবির দায়িত্বে থাকা বিজিবির সব সদস্যকে মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কর্নেল মো. আনোয়ার-উল-আলম, এসজিপি, বিজিবিএম, পিবিজিএম, সেক্টর কমান্ডার, সেক্টর সদর দপ্তর, রামু এবং লে. কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি, অধিনায়ক, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিজিবি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এ এলাকায় বিওপিগুলো সীমান্ত থেকে বেশ দূরবর্তী হওয়ায় সীমান্তে আধিপত্য বিস্তার, চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত সুরক্ষাসহ অন্যান্য আভিযানিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় যে চ্যালেঞ্জ ছিল, সীমান্তের নিকটবর্তী টিওবি স্থাপনের মাধ্যমে তা অনেকাংশে দূর হয়েছে।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদকসহ নানা অবৈধ কার্যক্রম দমনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছে।

নবনির্মিত আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা টিওবি উদ্বোধনের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে আস্থা ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিওবির মাধ্যমে সীমান্তে বিজিবির নজরদারি আরও দক্ষ ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হবে এবং বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির কার্যক্রম অধিকতর বেগবান ও সুদৃঢ় হবে।




লামায় দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা সামগ্রী ও প্রকল্পের টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

লামায় দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা সামগ্রী ও প্রকল্পের টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দরিদ্র শিশুদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও প্রকল্পের টাকা নিয়ে নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। নামমাত্র কিছু শিশুকে সামান্য কিছু স্কুল ব্যাগ, জ্যামিতি বক্স, খাতা ও কলম দিয়ে উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা লুটপাট করার অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। এই ইউনিয়নে উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আরো কিছু প্রকল্প গত ৩০শে জুন কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্প গুলো এখনো বাস্তবায়ন না করায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।

জানা যায়,লামা উপজেলা পরিষদের গত ১৭ জুন ২০২৬ তারিখের রেজুলেশন মতে উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের ২য় কিস্তির বরাদ্দের অনুকূলে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের মোট সাতটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। উক্ত কর্মসূচীর আওতায় ‘ইউনিয়নের প্রথম শ্রেণীর দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস, ব্যাগ, মোজা ও জুতা বিতরণে’ ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ৩নং ওয়ার্ড ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ হোসেন মামুন বলেন, আমার ওয়ার্ডে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে ৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে তবে প্রকল্পের তালিকার সাথে কোন মিল নেই।

সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়,২য় কিস্তির অধীনে অবকাঠামো ও সেচ খাতে ১৭,৫২,৯০০/- (সতেরো লাখ বাহান্ন হাজার নয়শত) টাকা অনুমোদন করা হয়েছে, সেখানেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে,​হারগাজা থাঙ্কুই পাড়া মেইন রোড হতে মংবাচিং এর বাড়ি পর্যন্ত ফ্ল্যাট সলিংকরণ বরাদ্দ: ২,৫০,০০০/-, ​রাংগা ঝিরি আর্মি রাসেলের বাড়ি থেকে পূর্ব পাড়া যাতায়াতের রাস্তা এইচবিবি করণ বরাদ্দ: ৩,০০,০০০/-, পশ্চিম হায়দারনাশী রফিকের বাড়ি থেকে সাহাব উদ্দিন মাষ্টারের বাড়ি পর্যন্ত ড্রেনসহ রাস্তা এইচবিবি করণ বরাদ্দ: ৩,০০,০০০/-, ​ইয়াংছা কাঁঠালছড়ায় নুরুচ্ছফা সর্দার পাড়া যাতায়াতের রাস্তা এইচবিবি করণ বরাদ্দ: ৩,০০,০০০/-, ​হিমছড়ি মনুর বাড়ি থেকে মসজিদের যাতায়াতের রাস্তায় ফ্ল্যাট সলিংকরণ বরাদ্দ: ২,৫০,০০০/-, মিরিঞ্জা পর্যটন কমপ্লেক্সে আইপিএসসহ সোলার স্থাপন ও কটেজ রংকরণ বরাদ্দ: ৩,৫২,৯০০/-। 

​অভিযোগ উঠেছে, এসব প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন না করেই বিল উত্তোলন ও সরকারি নির্দেশিকা উপেক্ষা করে অর্থ ভাগবাটোয়ারা করার চেষ্টা চলছে। অনেক ক্ষেত্রে লোকদেখানো সামান্য কাজ করে পুরো টাকা আত্নসাতের পায়তারা করা হচ্ছে।
​এ বিষয়ে স্থানীয় অধিবাসীরা ও সচেতন নাগরিক সমাজ ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের প্রকৃত সুবিধা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য জনান আমরা প্রকল্পের বিষয়ে কিছুই জানিনা সাংবাদিকদের লিখনির মাধ্যমে জানতে পারলাম অন্যথায় প্রকল্পের টাকা লোপাট হয়ে যেত।তিনি আরো জানান,ইউপি সচিব আমাকে পরিষদের উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রকল্পের তিন লক্ষ টাকার কাজ দুই লক্ষ দশ হাজার টাকায় দ্রুত শেষ করতে নির্দেশ দেন।তাহলে এখন প্রশ্ন হলো বাকী ৯০ হাজার টাকা কার পকেটে!

ইউপি সচিব মোঃ রুহুল আমিন খন্দকার বলেন,দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা সামগ্রী এখনো বিতরণ করা হয়নি,বর্ষায় যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এখনো তালিকার কাজ শেষ করতে পারিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মঈন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন,বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের শিক্ষা উপকরণ বিতরণের প্রকল্প এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি। ১৭ জুন ২০২৬ তারিখে আমরা সভা করেছি। শীঘ্রই বিতরণ করা হবে এবং প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।




ম্রো মিনি বিশ্বকাপের প্রথম ফাইনালিস্ট থানচি

ম্রো মিনি বিশ্বকাপের প্রথম ফাইনালিস্ট থানচি
ছবি সংগৃহীত।

উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ-২০২৬’-এর প্রথম সেমিফাইনাল। 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বান্দরবান সদর উপজেলার ওয়াই জংশন (১২ মাইল) মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৯ মাইল সিনিয়র ফুটবল একাদশকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে থানচি ইয়াং ম্রো এফসি।

ওয়াই জংশন যুব সমাজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ম্যাচকে ঘিরে সকাল থেকেই মাঠে দর্শকদের ভিড় বাড়তে থাকে। খেলা শুরুর পর থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমিয়ে তোলে ম্যাচ। খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে মুহূর্তে মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মাঠজুড়ে। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে থানচি ইয়াং ম্রো এফসি।

সেমিফাইনাল ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য চনুমং মার্মা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেংপর ম্রো (কারবারি)।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চনুমং মার্মা বলেন, “যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলাবোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলি তৈরি হয়। পাহাড়ের তরুণদের মধ্যে অনেক প্রতিভা রয়েছে। এ ধরনের আয়োজন তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করে।”

তিনি আরও বলেন, “তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে রাখতে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন প্রয়োজন। সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।”

আয়োজকরা জানান, তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই ‘ম্রো মিনি ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ-২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে।

ম্যাচ দেখতে মাঠে শত শত দর্শকের সমাগম ঘটে। খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য ও দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।




মধ্যরাতে বলিবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; আগুন নিয়ন্ত্রণে ৩৮ বিজিবির তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ

মধ্যরাতে বলিবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; আগুন নিয়ন্ত্রণে ৩৮ বিজিবির তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের থানচির বলিপাড়া বাজার এলাকায় মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৩টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) সদর দপ্তরের ২ নম্বর গেট থেকে আনুমানিক ৫০-৬০ গজ উত্তরে আলমগীর হোসেনের হোটেল থেকে গ্যাসের লিক হয়ে এই আগুনের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধ্যরাতের প্রতিকূল পরিস্থিতি ও আগুনের তীব্রতা উপেক্ষা করে বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ, উদ্ধারকাজ এবং অগ্নিকাণ্ডের বিস্তার রোধে তৎপর হন। ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ ইমামুল আজিম (আর্টিলারি) এবং সহকারী পরিচালক মোঃ জাকির হোসেনের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় জনগণ ও ক্ষতিগ্রস্ত দোকানমালিকদের সাথে সমন্বিতভাবে আগুন নেভানো ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

আগুনের তীব্রতা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বলিবাজারের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত টিনশেডের প্রায় ১০টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং ৩ জন ব্যবসায়ী আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হন। বিজিবি সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সাথে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। পাশাপাশি আগুন যাতে পার্শ্ববর্তী দোকান ও স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়ে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান।

বিজিবি সদস্যদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আনুমানিক দুই ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এর ফলে আগুনের বিস্তার রোধ করা গেছে এবং সম্ভাব্য বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৪০-৫০ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংকটময় মুহূর্তে বিজিবির এই দ্রুত সাড়া ও সহযোগিতা অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা এবং স্থানীয় জনগণের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো দুর্যোগ বা দুর্ঘটনায় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অঙ্গিকার। বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) সদস্যরা মধ্যরাতের এই অগ্নিকাণ্ডেও দায়িত্বশীলতার সাথে তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছেন।