নাইক্ষ্যংছড়িতে হাম ও রামুতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব

নাইক্ষ্যংছড়িতে হাম এবং সীমান্তসংলগ্ন রামুতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কঠোর সতর্কাবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে। ফলে এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সীমান্ত জনপদ নাইক্ষ্যংছড়ির ৫টি ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া-গাঁয়ে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দোছড়ি, ঘুমধুম ও সদরসহ আশপাশ এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। পাশাপাশি কিছু ডেঙ্গু রোগীও শনাক্ত হয়েছে, তবে সে সংখ্যা তুলনামূলক কম।
সূত্র জানায়, বাইশারী, ঘুমধুম ও সোনাইছড়ির অধিকাংশ রোগী ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে কক্সবাজার কেন্দ্রিক চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। অন্যদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর, দোছড়ি, কচ্ছপিয়া ও গর্জনিয়ার একাংশের রোগীরা নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
হাসপাতালের দেওয়া তথ্য মতে, গত ৩০ মার্চ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৪৫০ জন হাম আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কেবল ১৯ অক্টোবর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে ৪ জনকে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আবুল মনজুর জানান, এলাকায় হাম ও ডেঙ্গুর উপদ্রব থাকলেও অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবুও দুটি বিষয়ের ওপরই বিশেষ নজরদারি ও সতর্কাবস্থা বজায় রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভৌগোলিক সীমানা সংলগ্ন রামু উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ জেড এম সলিম জানান, এলাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ক্রমশ বাড়ছে। বর্তমানে রামু উপজেলায় প্রায় ১০০ জনের কাছাকাছি ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।










