জীবনের শেষ বয়সে স্বাবলম্বী হওয়ার অনন্য দৃষ্টান্ত জাকির হোসেন মিস্ত্রি

য়স বাড়লেও হার মানেননি তিনি। জীবনের শেষ বয়সে অন্যের কাছে হাত না পেতে কিংবা অলস সময় না কাটিয়ে নিজের মেধা ও স্বাবলম্বী হওয়ার অদম্য ইচ্ছাকে কাজে লাগিয়েছেন সাতকানিয়ার জাকির হোসেন মিস্ত্রি। উপজেলার ৮ নম্বর ঢেমশা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পটিয়াখালী এলাকার এই প্রবীণ বাসিন্দা নিজের পৈতৃক জায়গায় স্বল্প পুঁজিতে ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করে এখন বেশ স্বাচ্ছন্দ্য ও সাফল্য অর্জন করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, পটিয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন জাকির মিস্ত্রির ছোট্ট দোকানটিতে দিনভর খুদে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা থাকে। বিদ্যালয় চলাকালে টিফিনের সময় কিংবা ছুটির পর শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের নাশতা কিনতে ভিড় জমায় তার দোকানে। সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত ও শিশুবান্ধব খাবার পেয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরাও বেশ খুশি। তাদের আনন্দময় উপস্থিতি দোকানটিকে যেমন প্রাণবন্ত করে তুলেছে, তেমনি জাকির মিস্ত্রির মুখেও ফুটিয়েছে তৃপ্তির হাসি।
নিজের এই নতুন উদ্যোগ সম্পর্কে জাকির হোসেন মিস্ত্রি আবেগপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "জীবনের শেষ বয়সে এসে বেকার বসে না থেকে কিংবা কারও ওপর বোঝা না হয়ে নিজের পৈতৃক জায়গায় স্বল্প পুঁজি নিয়ে এই দোকানটি দিয়েছি। শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার চেষ্টা করছি মাত্র। এখন বিদ্যালয়ের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা যখন আমার দোকান থেকে নাশতা কিনে হাসিমুখে ফিরে যায়, তখন খুব আনন্দ লাগে।"
একজন প্রবীণ মানুষের এমন উদ্যোগ ও স্বাবলম্বী হওয়ার প্রয়াস স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। জাকির মিস্ত্রির এই প্রচেষ্টা সমাজের অনেকের জন্যই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় গুণীজনেরা।











