ধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতের প্রত্যাশা: শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ক্রয়ক্ষমতা নিশ্চিত করা

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও প্রবীণ আলেম আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে স্বাগত জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা। এই সাক্ষাৎকে দেশের শীর্ষ আলেম ও মুরুব্বির সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন তারা।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, “হেফাজতে ইসলামের আমির ও আমাদের শ্রদ্ধেয় মুরুব্বি আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া নিতে আসছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের একজন প্রধান দেশের শীর্ষ আলেম ও মুরুব্বির সান্নিধ্যে আসছেন—এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাব।”
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা, দেশের মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করতে পারেন। সামাজিক হানাহানি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে যেন দেশ মুক্ত থাকে। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী যেন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে।”
দেশে ইসলামবিদ্বেষী কোনো শক্তি যাতে মানুষের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়েও সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন হেফাজতের এই মুখপাত্র।
মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী আরও বলেন, “আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাব ও দাবি আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব।” তবে এই সাক্ষাৎকে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট করেন তিনি। তিনি বলেন, “আজকের এই অনুষ্ঠানটি কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়। এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হুজুরের ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ ও দোয়ার অনুষ্ঠান।”
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের শীর্ষ আলেমদের এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।








