আমি ঋণখেলাপি নই, ষড়যন্ত্রের শিকার: সরওয়ার আলমগীর
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন

আমি ঋণখেলাপি নই, ষড়যন্ত্রের শিকার: সরওয়ার আলমগীর

আমি ঋণখেলাপি নই, ষড়যন্ত্রের শিকার: সরওয়ার আলমগীর
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর বলেছেন, আসন্ন নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে পরিকল্পিতভাবে ‘ঋণখেলাপি’ হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ফটিকছড়ি সদর বিএনপির কার্যালয়ে এক প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমন উপলক্ষে আয়োজিত এই সভায় সরওয়ার আলমগীর বলেন, “আমি একজন ব্যবসায়ী। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে আমার ব্যবসা ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছে। এর ফলে শ্রমিকদের বেতন ও গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছে। ব্যাংকে আমার ঋণ রয়েছে, কিন্তু আমি কোনোভাবেই ঋণখেলাপি নই।”

আদালতকেন্দ্রিক জটিলতা নিয়ে বিএনপির এই প্রার্থী অভিযোগ করেন, গত ১৫ দিন ধরে তাঁকে ঋণখেলাপি আখ্যা দিয়ে আদালতের বারান্দায় ঘোরানো হচ্ছে। এটি স্পষ্ট রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং নির্বাচন থেকে সরানোর কৌশল। তিনি দাবি করেন, প্রতিপক্ষ ভোটের মাঠে জিততে পারবে না জেনেই উচ্চ আদালতে গিয়ে তাঁকে অযোগ্য ঘোষণার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।

ফটিকছড়ির ধর্মভিত্তিক রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী ও হেফাজত আমিরের এলাকা। এখানকার মানুষ ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্মান্ধ নয়। যারা ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার বানায়, তাদের আগামী ১২ তারিখ গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিহত করা হবে।”

উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে সরওয়ার আলমগীর বলেন, কঠিন সময়ে তৃণমূলের যে সমর্থন তিনি পেয়েছেন, তা অতুলনীয়। এ সময় দলের স্থানীয় ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।




চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তন: ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তন: ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ক্যাম্পাসের মূল ফটকে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করেছেন তাঁরা।

এ কর্মসূচির ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের পাঠদান, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এর আগে সোমবার রাতে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ শেষে তাঁরা উপাচার্য ভবনেও তালা ঝুলিয়ে দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘ সময় পর তাঁরা একজন শিক্ষার্থীবান্ধব উপাচার্য পেয়েছিলেন। কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। দ্রুত অধ্যাপক সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবি জানান তাঁরা।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় সোমবার তাঁকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলম।

উপাচার্য পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবার সদ্য সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিও। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবারের বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাঁরা ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’, ‘ভিসির চেয়ার কারে চায়, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’ এবং ‘ভিসি স্যার, ভিসি স্যার, সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্কতামূলক অবস্থানে আছে।’




চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তন: ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তন: ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ক্যাম্পাসের মূল ফটকে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করেছেন তাঁরা।

এ কর্মসূচির ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের পাঠদান, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এর আগে সোমবার রাতে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ শেষে তাঁরা উপাচার্য ভবনেও তালা ঝুলিয়ে দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘ সময় পর তাঁরা একজন শিক্ষার্থীবান্ধব উপাচার্য পেয়েছিলেন। কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। দ্রুত অধ্যাপক সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবি জানান তাঁরা।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় সোমবার তাঁকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলম।

উপাচার্য পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবার সদ্য সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিও। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবারের বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাঁরা ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’, ‘ভিসির চেয়ার কারে চায়, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’ এবং ‘ভিসি স্যার, ভিসি স্যার, সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্কতামূলক অবস্থানে আছে।’




রাউজানে ৪ রেস্তোরাঁকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

রাউজানে ৪ রেস্তোরাঁকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রধান ফটক এলাকার খাবার দোকানগুলোতে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় ৪টি রেস্তোরাঁকে সর্বমোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে চুয়েট গেট সংলগ্ন বাচা বাবা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এবং আইমিন’স কিচেনকে ৩০ হাজার, জেস্টো রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার এবং চাঁদপুর হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, রেস্তোরাঁ গুলোতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশ, বাসি খাবার পরিবেশন, খাবারে ক্ষতিকর রঙ ও পোড়া তেলের ব্যবহার এবং শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত ইন্ডাস্ট্রিয়াল লবণ বিক্রির প্রমাণ মেলে।

অভিযান পরিচালনাকালে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. ইয়াসিন, রাউজান উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. ইলিয়াস এবং নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনিছুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।