ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা চলছে- মাহবুবের রহমান শামীম
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা চলছে- মাহবুবের রহমান শামীম

ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা চলছে- মাহবুবের রহমান শামীম
ছবি সংগৃহীত।

একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অপশক্তি যেন উৎসবের আনন্দ নষ্ট করতে না পারে, সে জন্য মন্দির কমিটি, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে বান্দরবান শহরে একটি হোটেলের সভাকক্ষে জেলা বিএনপির আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনের জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে সারা দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। বান্দরবানেও এবার দুর্গাপূজা আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্‌যাপনে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো প্রতিটি পূজামণ্ডপে সহযোগিতা করবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বান্দরবানে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. ওসমান গণি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা, বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি বিপ্লব দাশ রাজেশ্বর, বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক রিটল কান্তি বিশ্বাস, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লুসাইনমং, চনুমং মারমা, উম্যাসিংসহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।




নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম বিওপির অভিযান: নয়াপাড়া থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম বিওপির অভিযান: নয়াপাড়া থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) ঘুমধুম বিওপির একটি টহল দল মালিকবিহীন ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম (পিবিজিএম, পিএসসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধীনস্থ ঘুমধুম বিওপির একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার-৩১ থেকে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়াপাড়া নামক স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় মালিকবিহীন ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, উদ্ধার করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অধিনায়ক বলেন, "বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারাতেই নয়, বরং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"




বাইশারীতে সেনবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ইয়াবা এবং মটরসাইকেল জব্দ

বাইশারীতে সেনবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ইয়াবা এবং মটরসাইকেল জব্দ
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী বাইশারীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ  মাদকবিরোধী অভিযানে  ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ  করা হয়েছে।

সেনা -পুলিশের যৌথ অভিযান চলাকালীন  দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সন্দেহ হলে  থামানোর চেষ্টা করাকালীন  চালক মোটরসাইকেলটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে সেটিতে তল্লাশি চালিয়ে দুই হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাইশারী বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাইশারী সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মো. সিরাজুস সালেহীনের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ও বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা।

বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মনজুরুল আহসান বলেন , বাইশারী বাজার এলাকায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা ও পুলিশ সদস্যরা  মাদকবিরোধী তৎপরতা চালানোর সময় একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল সন্দেহ হলে সেটিকে থামানোর চেষ্টা করা হয়। পরে  যৌথবাহিনীর  উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেল চালক সেটি ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা মোটরসাইকেলটি তল্লাশি করে মোটরসাইকেলের ভিতর বিশেষ কায়দায় লোকানো ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। 

উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।

বাইশারী সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মো. সিরাজুস সালেহীন বলেন, অভিযানে ইয়াবা ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীর এ অভিযানে এলাকায় মাদকবিরোধী তৎপরতায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে বাইশারী এলাকায় মাদক পাচার ও কারবার বন্ধে সেনাবাহিনীর নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন বলেন, সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় ইয়াবা পাচার অনেকাংশে বন্ধ হবে বলে আমরা মনে করি। মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমিটির পার্বত্য বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রশিদ বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব। বাইশারী এলাকায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডারের নেতৃত্বে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ অভিযানের জন্য সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই। সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচার ও সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধে সেনাবাহিনীর এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগতম  অভিযান অব্যাহত রাখার অনুরোধ করছি।

এদিকে ইয়াবা ও মোটরসাইকেল জব্দের ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া মোটরসাইকেল চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী, ঘুমধুমসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক পাচার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা রয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, মাদকের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




বান্দরবানের নতুন জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা

বান্দরবানের নতুন জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবান জেলার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক মিজ নাজনীন সুলতানা।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মু. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানাকে তাঁর বর্তমান পদ থেকে বদলি করে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য, বান্দরবানের ২৩তম জেলা প্রশাসক হিসেবে মো. সানিউল ফেরদৌস গত ২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগের মধ্য দিয়ে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ছয় মাস ছয় দিন দায়িত্ব পালন শেষে তাঁর কার্যকালের সমাপ্তি ঘটল।