সাপের কামড়ে ৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে চমেক হাসপাতালে রামুর যুবকের অকালমৃত্যু

কক্সবাজারের রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নে সাপের কামড়ে ৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেছেন মুফিদুল আলম (৩০) নামের এক যুবক।
৩ অক্টোবর ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
নিহত মুফিদুল আলম দক্ষিণ মিঠাছড়ি ঘাটপাড়া এলাকার বাসিন্দা গুরা মিয়ার চতুর্থ সন্তান এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী সরওয়ার কামালের ছোট ভাই। তাঁর মরদেহ চট্টগ্রাম থেকে রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ির নিজ বাড়িতে আনা হয়।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুফিদুল আলম দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তিনি বন্ধুদের সাথে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রতিদিনের মতো খাটের নিচে মাটিতে কাঁথা বিছিয়ে ঘুমিয়েছিলেন মুফিদুল। গভীর রাতে একটি বিষাক্ত সাপ তাঁকে দংশন করে পালিয়ে যায়।
আহত অবস্থায় মুফিদুল নিজেই নিজের পায়ে বাঁধন দিলেও তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক ও উন্নত চিকিৎসা না পাওয়ায় দ্রুত বিষক্রিয়া তাঁর সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে ৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুকালে তিনি ফেনী জেলার বাসিন্দা স্ত্রী, ৭ বছর বয়সী এক পুত্রসন্তান, পিতা-মাতা, চার ভাই ও চার বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর এই অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।








