সমন্বিত জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরি করছে সরকার: নৌপরিবহনমন্ত্রী
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

সমন্বিত জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরি করছে সরকার: নৌপরিবহনমন্ত্রী

সমন্বিত জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরি করছে সরকার: নৌপরিবহনমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

দেশের সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর ও স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসারে জাতীয় বন্দর কৌশল (ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজি) প্রণয়ন করছে সরকার। এ কৌশলে কোনো নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয় বা সংস্থার স্বার্থের চেয়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের আমদানি-রপ্তানি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশ বন্দর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত।

তাই বন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, পরিচালন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।
শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের জন্য একটি সমন্বিত বন্দর ব্যবস্থাপনা কৌশল অনেক আগেই প্রণয়ন করা প্রয়োজন ছিল।

অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্দরগুলোর কার্যক্রম আরও দক্ষ ও গতিশীল করার প্রয়োজনীয়তাও বেড়েছে। দীর্ঘদিনের এ প্রয়োজন পূরণে সরকার জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরির ক্ষেত্রে কোনো মন্ত্রণালয়, বন্দর কর্তৃপক্ষ বা সরকারি সংস্থার আইনগত দায়িত্ব ও কর্তৃত্বকে উপেক্ষা করা যাবে না। বরং বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যে থেকেই পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নিয়ে দেশের বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থকে সামনে রেখে এ কৌশল তৈরি করতে হবে।

দেশের সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর ও স্থলবন্দর পৃথক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব বন্দরের কার্যক্রমের সঙ্গে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), কাস্টমস এবং আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জড়িত। ফলে জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নেওয়া জরুরি।

শেখ রবিউল আলম বলেন, কোনো একটি পক্ষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কৌশলপত্র তৈরি করা হলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে। বন্দর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব, প্রয়োজন ও স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা, ভবিষ্যৎ বাণিজ্যের সম্ভাবনা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার আলোকে বিশেষজ্ঞদের কার্যকর সুপারিশ প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর উদ্যোগ
জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সহযোগিতা করছেন বলে জানান মন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা ও মতামত কাজে লাগিয়ে দেশের উপযোগী একটি কার্যকর কৌশলপত্র তৈরি করা সম্ভব হবে।

বন্দর পরিচালনায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশের বিভিন্ন বন্দরের কনটেইনার পরিচালনা ও টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিপি ওয়ার্ল্ড, ডেনমার্কের এপি মোলার এবং সিঙ্গাপুরের পিএসএ-সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের বন্দরগুলোর দক্ষতা বাড়ানো সম্ভব। তবে এ ধরনের উদ্যোগের সুফল পেতে হলে বন্দর পরিচালনা, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করেন তিনি। এজন্য প্রয়োজন সমন্বিত নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, বন্দরের উন্নয়নকে শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। টার্মিনাল পরিচালনা, কনটেইনার হ্যান্ডলিং, পণ্য খালাস, পরিবহন সংযোগ, কাস্টমস কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট সেবাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করে বন্দর ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়লে আমদানি-রপ্তানি সহজ হওয়ার পাশাপাশি পরিবহন, সরবরাহব্যবস্থা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাই জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরির সময় উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও আমদানি-রপ্তানিকারকদের প্রয়োজন এবং স্বার্থ যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

শেখ রবিউল আলম বলেন, জাতীয় বন্দর কৌশল কেবল একটি মন্ত্রণালয় বা নির্দিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের বিষয় নয়। দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে এ কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক কিংবা সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

বন্দর ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের তাগিদ
সেমিনারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, বাংলাদেশের বন্দরগুলোর দীর্ঘ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য রয়েছে। বহু বছর ধরে এসব বন্দরকে কেন্দ্র করে নৌযান চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। সময়ের সঙ্গে দেশের বন্দর অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পরিধি বেড়েছে। এখন সময়ের চাহিদা অনুযায়ী বন্দর ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত ও কার্যকর করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের বন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে হলে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সমাধান বের করতে হবে। শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন যথেষ্ট নয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বৃদ্ধি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

সেমিনারে নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া, বাংলাদেশে জাইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস তাকাহাশি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন বন্দরের চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।




এবার বন্ধ জেদ্দা বিমানবন্দর, বিপাকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট

এবার বন্ধ জেদ্দা বিমানবন্দর, বিপাকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট
ছবি সংগৃহীত।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একের পর এক হামলার ঘটনার মধ্যে নিরাপত্তাজনিত কারণে জেদ্দা বিমানবন্দর থেকেও ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে জেদ্দা থেকে ঢাকাগামী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট ছাড়তে না পারায় যাত্রীরা আটকা পড়েছেন।

রবিবার (১১ অক্টোবর) জেদ্দা বিমানবন্দরে নিযুক্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সেলস ম্যানেজার এম এ সাত্তার এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে বিমান ছাড়তে পারছি না। এ কারণে ঢাকাগামী ফ্লাইটের যাত্রীরা আটকা পড়েছেন। পরিস্থিতির কারণে এখনও যাত্রীদের বোর্ডিং শুরু করা সম্ভব হয়নি।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কান্ট্রি ম্যানেজার আরও জানান, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে ঢাকাগামী যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে।

এদিকে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানায়, হুথিদের হামলার কারণে শনিবার থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত মোট ৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এগুলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, সৌদিয়া এবং রিয়াদ এয়ারের ফ্লাইট।




সৌদিতে হামলা ও দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় ঢাকার তীব্র নিন্দা

সৌদিতে হামলা ও দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় ঢাকার তীব্র নিন্দা
ছবি সংগৃহীত।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা এবং দুই বাংলাদেশিসহ ১২ জন নিহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দেশটি অবিলম্বে সংঘাত বন্ধ এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১০ অক্টোবরের এই হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বাংলাদেশ নিহত বাংলাদেশিসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহত সকলের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বেসামরিক নাগরিকদের জীবন বিপন্নকারী এবং বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো এ হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।’

বাংলাদেশ হামলার ঘটনায় সৌদি আরবের সরকার ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি দৃঢ় সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে বাংলাদেশ অবিলম্বে সংঘাত বন্ধ, বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।




৪০ মিনিট বন্ধ থাকার পর খুলল শাহজালাল বিমানবন্দরের রানওয়ে

৪০ মিনিট বন্ধ থাকার পর খুলল শাহজালাল বিমানবন্দরের রানওয়ে
ছবি সংগৃহীত।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ ঘোষণার কারণে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৩টা থেকে বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ ছিল। এর মধ্যে ফ্লাইটটি নিরাপদে অবতরণের পর খুলে দেওয়া হয়েছে রানওয়ে। এরপর বিকেল ৩টা ৪০ মিনিট থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।

বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল সূত্র  বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, রানওয়ে বন্ধ থাকার কারণে নেপালের কাঠমান্ডু থেকে আসা হিমালয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট দীর্ঘক্ষণ আকাশে অপেক্ষমাণ অবস্থায় ছিল। রানওয়ে খুলে দেওয়ার পর প্রথম ওই ফ্লাইটটি অবতরণ করে। পরে একে একে ফ্লাইট অবতরণ শুরু হয়।

এর আগে, ড্যাশ ৮-৪০০ মডেলের এয়ারক্রাফট দিয়ে পরিচালিত বিমানের বিজি-৪৯৬ ফ্লাইটটির পেছনের একটি চাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে।

ফ্লাইটটি দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। দুপুর আড়াইটায় ঢাকায় অবতরণ করার কথা থাকলেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এটি অবতরণ করতে পারছিল না। ঢাকার আকাশে প্রায় ৪০ মিনিট চক্কর দিয়ে বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে এটি অবতরণ করে।

এক বার্তায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ অধিদপ্তর জানিয়েছে, কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চলাচলকারী ফ্লাইট বিজি-৪৩৬ আজ বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে নিরাপদে অবতরণ করেছে। অনিবার্য অপারেশনাল ও কারিগরি কারণে ফ্লাইটটি সময়সূচিতে কিছুটা বিলম্বিত হয়েছিল। সব যাত্রী ও ক্রু কোনো সমস্যা ছাড়াই নিরাপদে পৌঁছাতে পেরেছেন।