আনোয়ারায় ১১ ইউনিয়নে বিএনপির সমর্থন পেতে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিলেন ৩৬ জন

স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দলের প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই শুরু করেছেন। দক্ষিণ জেলা বিএনপির নির্দেশনায় শুরু হওয়া যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনে গত শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ৩৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। উপজেলার কালাবিবি দিঘী মোরস্থ একটি কনভেনশন হলে সার্চ কমিটির আয়োজনে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা নেতৃবৃন্দের কাছে তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন। এসময় যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য মাস্টার মো. রফিক, সরওয়ার হোসেন মাসুদ, দিল মোহাম্মদ মনজু, জাগির আহমদ ও মনছুর উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
জীবনবৃত্তান্ত জমাকৃতদের মধ্যে বৈরাগ ইউনিয়নে ৪, বারশত ইউনিয়নে ৫, রায়পুর ইউনিয়নে ২, বটতলী ইউনিয়নে ৬, বরুমচড়া ইউনিয়নে ১, বারখাইন ইউনিয়নে ১, আনোয়ারা সদর ইউনিয়নে ১, চাতরী ইউনিয়নে ২, পরৈকোড়া ইউনিয়নে ৫, হাইলধর ইউনিয়নে ৮ ও জুইদন্ডী ইউনিয়নে ১ জনসহ মোট ৩৬ জন প্রার্থী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন। এসময় দলের দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ এবং দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা তুলে ধরে দলীয় মূল্যায়নের প্রত্যাশা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রত্যাশীরা।
তাদরে মধ্যে বৈরাগে মো. মুছা, মামুন খান,মেহেদী হাসান চৌধুরী,সাব্বির আহমদ, বারশতে মঈন উদ্দিন,লেয়াকত আলী,মইয়ুম খান ছোটন, জাহাঙ্গীর আলম, রায়পুরে মাস্টার মোহাম্মদ রফিক ও মোহাম্মদ ইসমাইল বিন মনির, চাতুরী ইউনিয়নে জাগীর আহমদ ও এড. নুরুল কবির রানা, বরুমচড়ায় মো. সালাউদ্দিন সুমন, বারখাইনে গাজী মো. ফোরখান রয়েছেন।
চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. নুরুল কবির রানা বলেন, দুঃসময়ে দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ছিলাম, আমার পারিবারিক ভাবেই চাতরী ইউনিয়নের মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থেকে সেবা দেওয়ার চেষ্ঠা করেছি, আশা রাখি দল আমাকে মূল্যায়ন করবে।
যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য মাস্টার মো. রফিক বলেন, কেন্দ্রের আদেশ ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নির্দেশনায় আমরা দলের সমর্তনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক এমন ৩৬ জন প্রথম দিনে তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছে। পরর্তীতে দলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সময়ে বাকীরা তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে পারবে।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদে দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে একাধিক ব্যক্তি জীবনবৃত্তান্ত জমা দিলেও যাচাই-বাছাই শেষে জনপ্রিয়তা, দলের প্রতি আনুগত্য, দুঃসময়ে দলীয় কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।









