লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬ জনের মাঝে ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক বিতরণ
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন

লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬ জনের মাঝে ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক বিতরণ

লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬ জনের মাঝে ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যক্তিদের মাঝে আর্থিক ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ এবং হাতি সংরক্ষণ বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) লামা বন বিভাগের আয়োজনে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বন বিভাগের পক্ষ থেকে বন্যহাতির আক্রমণে নিহত এক ব্যক্তির পরিবারসহ ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬ জন ব্যক্তির হাতে সর্বমোট ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করা হয়।

সহকারী তথ্য অফিসার মোহাম্মদ রাশেদুল হক রাসেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লামা বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মাসুম আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো এবং লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় বিভিন্ন রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, "যারা হাতির আক্রমণে আপনজন হারিয়েছেন, কেবল তারাই বোঝেন এর ক্ষতি কতখানি। এ ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রদান করা এই আর্থিক সহযোগিতা মূলত সমবেদনা জানানোর একটি প্রয়াস মাত্র।"

তিনি আরও বলেন, "হাতির আবাসস্থল দখল করে জনবসতি, জুমচাষ ও বাগান সৃজনের কারণে খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। পর্যাপ্ত খাবার না পেয়ে হাতিগুলো লোকালয়ে নেমে আসছে এবং মানুষ ও ফসলের ক্ষতি করছে। এতে হাতি ও মানুষের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হচ্ছে। এ জন্য সরকার ইতিমধ্যে হাতি সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া প্রতিটি হাতিপ্রবণ এলাকায় 'ইআরটি' (ERT) নামের একটি দল গঠন করা হয়েছে। এই দলের সদস্যরা হাতি সংরক্ষণে কাজ করছেন। হাতি আমাদের জাতীয় সম্পদ, তাই এর আবাসস্থল নষ্ট না করে উন্মুক্ত রাখা জরুরি। কোনোভাবেই হাতি মারা যাবে না, বরং সবাইকে মিলে হাতি সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে।"

সভায় বক্তারা আরও বলেন, পাহাড়ি এলাকায় মানুষ ও বন্যহাতির দ্বন্দ্ব নিরসনে বন বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় লোকজনের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি লাঘবে সরকার দ্রুততম সময়ে এই ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করছে। পাশাপাশি বন্যহাতি সংরক্ষণ ও বনাঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।




নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকার ইয়াবার বৃহৎ চালান আটক

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকার ইয়াবার বৃহৎ চালান আটক
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা বহনকারী চোরাকারবারিরা রাতের অন্ধকার ও পানির মধ্য দিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

রোববার (৪ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু বিওপির দায়িত্বপূর্ণ পশ্চিমকুল রুহুলের দোকান-কাটাপাহাড় সীমান্তসংলগ্ন নয়াপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, তুমব্রু বিওপির গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হবে। এই তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় তুমব্রু বিওপির বিশেষ টহলদল গত শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে সীমান্ত থেকে প্রায় ১১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়াপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়।

পরে রোববার (৪ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অত্যাধুনিক থার্মাল ইমেজারের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় কয়েকজন চোরাকারবারির গতিবিধি শনাক্ত করে বিজিবি। এ সময় বিজিবি টহলদলের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে চোরাকারবারিরা মালামাল ফেলে রাতের অন্ধকার ও পানির মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে লুঙ্গিতে মোড়ানো তিনটি ব্যাগ উদ্ধার করে বিজিবি। ব্যাগগুলো খুলে পাওয়া যায় বিপুল পরিমাণ বার্মিজ ইয়াবা।

গণনা শেষে ৪ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী এসব ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তুমব্রু সীমান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ইয়াবার চালান ফেলে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। তাদের শনাক্ত ও আটকের জন্য গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে ৩৪ বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত দিয়ে মাদকের প্রবেশ ঠেকাতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

বিজিবি জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের বিভিন্ন চক্র মিয়ানমারের চোরাকারবারিদের সঙ্গে যোগসাজশে সীমান্ত দিয়ে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য জব্দ করে আসছে।

উদ্ধার করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে পলাতক চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। কক্সবাজার রিজিয়ন ও রামু সেক্টরের দিকনির্দেশনায় ৩৪ বিজিবি সীমান্ত অপরাধ দমনে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।




নাইক্ষ্যংছড়ির দুই মাদক কারবারি, বিপুল ইয়াবা ও সিএনজিসহ রামুতে আটক

নাইক্ষ্যংছড়ির দুই মাদক কারবারি, বিপুল ইয়াবা ও সিএনজিসহ রামুতে আটক
ছবি সংগৃহীত।

রামুতে এপিবিএন-এর (সংবাদ মাধ্যমের প্রমিত রীতি অনুযায়ী সংশোধিত) পৃথক দুটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ৫৯ হাজার ৭৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রামুর ফতেখকুল চৌমুহনী সংলগ্ন এলাকায় পৃথক অভিযান দুটি পরিচালনা করে ১৫ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদর কোম্পানি ও সিপিএসসির আভিযানিক দল।

এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, গত ২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ফতেখকুল চৌমুহনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও দুটি মোবাইল ফোনসহ মো. শফি আলমকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চাকঢালা এলাকার মৃত শহর আলী ও মৃত গুলবাহার দম্পতির সন্তান।

একই দিন দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ফতেখকুল চৌমুহনী এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অপর একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ২৯ হাজার ৭৭৫ পিস ইয়াবা, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মোবাইল ফোনসহ মো. ইউনুছকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ির মো. শফি আলম ও আরেফা বেগম দম্পতির সন্তান।

দুটি অভিযানে মোট ৫৯ হাজার ৭৭৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এপিবিএন।

১৫ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আ. ম. ফারুক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও তিনটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাদকদ্রব্য পাচার ও অপরাধ দমনে এপিবিএন-এর নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে তাদের রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে পাচারের প্রস্তুতির সময় সার ও সিমেন্ট জব্দ

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে পাচারের প্রস্তুতির সময় সার ও সিমেন্ট জব্দ
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকা মূল্যের সার, সিমেন্ট ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার হাঁটুভাঙা টিলা, তুলাতলী, তিনছড়ি ও বাকখালী নদীসংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

১১ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, চোরাচালানবিরোধী ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত টহল ও অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় মোট ৭ লাখ ৭২ হাজার ২১৫ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের সার, ৮১ বস্তা সিমেন্ট এবং ১৯৮.২৫ ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়।

জব্দ করা সারের মধ্যে রয়েছে ইউরিয়া ১০০ কেজি, টিএসপি ৩৫০ কেজি, ডিএপি ১৫০ কেজি ও পটাশ ৫০ কেজি—মোট ৬৫০ কেজি সার। এ ছাড়া ডায়মন্ড ব্র্যান্ডের ৮১ বস্তা সিমেন্ট, ১৭৭.৭৭ ঘনফুট লালি গোল কাঠ এবং ২০.৪৮ ঘনফুট আকাশমনি কাঠসহ মোট ১৯৮.২৫ ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পাচার রোধে বিজিবির অভিযান ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সার, জ্বালানি তেল, ভোজ্যতেল ও সিমেন্টসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যাতে অবৈধভাবে দেশের বাইরে পাচার হতে না পারে, সে লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের মূল্যবান বনজ সম্পদ অবৈধভাবে আহরণ ও পাচার প্রতিরোধেও সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।

জব্দ করা মালামাল আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে। উল্লেখ্য, আটক করা বিভিন্ন প্রকার সার ও সিমেন্ট নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা করছিল স্থানীয় চোরাকারবারিরা।