লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ৩৮ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি সাফল্য
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ৩৮ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি সাফল্য

লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ৩৮ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি সাফল্য
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামার দুর্গম পাহাড়ে অবস্থিত কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে। ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩৮ জন শিক্ষার্থী মেধার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এ বছর চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩ জন সরকারি মেডিকেল কলেজ ২ জন চুয়েট (চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), ১ জন রুয়েট (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), ৭ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১১ জন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ১ জন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ১ জন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ১ জন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ১ জন সরকারি নার্সিং কলেজ এবং সম্প্রতি সফল শিক্ষার্থীদের এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে আরও ১০ জন। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অপেক্ষমা ন তালিকায় আছে অন্তত ৬ জন শিক্ষার্থী। উল্লেখ্য, গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা এখনও অনুষ্ঠিত হয়নি এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।

সরকারি মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে ধনলাল ত্রিপুরা (শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, কিশোরগঞ্জ), উছাইহ্লা মারমা (সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ), অংক্যসিং মারমা (মাগুরা মেডিকেল কলেজ)। ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে মংথুইনু মারমা (চুয়েট), জিসান তঞ্চগ্যা (চুয়েট) এবং শফিকুল ইসলাম (রুয়েট)।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলো: লাল নেই সাং বম (একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস), ওয়াইংজ্য মার্মা (ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স), ইয়াসিনুর রহমান পরান (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা), ওয়ারেছুল হক রিয়াদ (ফারসি ভাষা ও সাহিত্য), শৈমংসাই মারমা (ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স), সৈকত উদ্দিন আহমেদ
(একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস), জুলিনময় ত্রিপুরা (অ্যানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি এন্ড লিডারশীপ)।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগে চান্স পেয়েছে ৬ জন শিক্ষার্থী। তারা হলো: নেওয়ান চাক, অনিল তংচংগ্যা, মো. সজীব, সজীব কিসকো, মোছা: আয়েশা খাতুন ও মোছা: শাহনাজ খাতুন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে সুযোগ পেয়েছে আরও ৪ জন রেশমি সাঁওতাল (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি), সারজিনা আক্তার (বাংলাদেশ স্টাডিজ), মোছা: লাবিবা তাজরিন (চারুকলা), সজীব খিয়াং (সংগীত)।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগে চান্স পেয়েছে মো. জাহিদ হাসান। এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগে ফুংপ্রে মুরুং এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টমেকিং বিভাগে মংনুসিং মারমা ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। পটুয়াখালী নার্সিং ইনস্টিটিউটে চান্স পেয়েছে কাজল চাকমা (ডিপ্লোমা-ইন-নার্সিং), এর আগের বছর ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে ২৫ জন সুযোগ পেয়েছিলো দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বর্তমানে আড়াই হাজারের বেশি শিশু-কিশোর লেখাপড়া করছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সুবিধাবঞ্চিত ছেলেমেয়েরা এখানে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠছে সুশৃঙ্খল পরিবেশ, লেখাপড়া, মেডিটেশন, কোয়ান্টাম ব্যায়াম, খেলাধুলা, শুদ্ধাচার চর্চা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে।




বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ

বান্দরবানে নিজেদের অর্থায়নে মানুষের পাশে একদল তরুণ, ৯০টির বেশি পরিবারে শুকনা খাবার বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বান্দরবান। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে যখন অনেকেই নীরব, তখন কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে নয়; বরং নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্দরবানের একদল তরুণ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ক্যাচিংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ৯০টিরও বেশি দুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরিবারের হাতে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, তারা কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বান্দরবানের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগ দেখে কয়েকজন বন্ধু ও শিক্ষার্থী নিজেদের মধ্যে অর্থ সংগ্রহ করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তারা ত্রাণসামগ্রী কিনে দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।
তাদের ভাষ্য, “এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আমরা জানি, এই সহায়তা সব মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবুও যারা অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন, তাদের মুখে সামান্য হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগের সময় মানবতার কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসে, তাহলে বান্দরবানের এই সংকট মোকাবিলা অনেক সহজ হবে।”
তারা আরও বলেন, “আমরা কোনো সংগঠন নই এবং কারও সহযোগিতার অপেক্ষায়ও ছিলাম না। নিজেদের সাধ্যমতো অর্থ সংগ্রহ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। এটি আমাদের কার্যক্রমের শুরু মাত্র। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের সময় সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। তরুণদের এই উদ্যোগ অন্যদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
উদ্যোক্তারা বান্দরবানের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং সামর্থ্যবান সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে হলেও সবাই এগিয়ে এলে আরও বেশি মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।




কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত
ছবি সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (২১ জুন) সকালে দেশটির আল শাহানিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ভারতীয় এক নাগরিকও নিহত হন।

নিহত পাঁচ বাংলাদেশি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন- জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে প্রবাসীরা একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে আল শাহানিয়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ উদ্ধার করে কাতারের একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক।

তিনি বলেন, কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সহসভাপতি তাওহীদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের এলাকার পাঁচজন প্রবাসীর মৃত্যুতে পুরো কানাইঘাটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রবাসী সংগঠন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যাতে স্বজনরা শেষবারের মতো তাদের দেখতে পারেন এবং যথাযথ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করা যায়।

এদিকে, বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা আমাদের এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমি নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে কাতার দূতাবাসের শ্রম উইংকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই সংকটাপন্ন মুহূর্তে সরকার নিহতের পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে।




লামায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

লামায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা থানা পুলিশের অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারভুক্ত প্রধান পলাতক আসামি নাছির মাঝি (৫০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

​ সহকারী পুলিশ সুপার (লামা সার্কেল)মাসুম সরদার এবং লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামালের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থানা এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার(১২ জুন)রাতে এসআই জামিল আহমদ ও সঙ্গী ফোর্সের তৎপরতায় ০৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ০৯নং ওয়ার্ডের বনফুর বড় পাড়া বাইশখাইল্লা ঝিরি মুসলিম পাড়াস্থিত নিজ বসতঘর থেকে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

​গ্রেফতারকৃত আসামি নাছির মাঝি (৫০)ফাঁসিয়াখালী ইউপির ২৮৪নং ইয়াংছা মৌজার ০৯নং ওয়ার্ডের বাইশখাইল্ল্যা ঝিরি মুসলিম পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা ও মৃত মজু মাঝি​র ছেলে।থানা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,  আসামির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে  ১১ জুন লামা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(৪)(খ) ধারা এবং পেনাল কোডের ৫০৬(২) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয় (মামলা নং-০৫)। মামলার পর থেকেই সে পলাতক ছিল।

​লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে ইতিমধ্যেই বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা,নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে পুলিশের এমন কঠোর ও বিশেষ অভিযান সর্বদা অব্যাহত থাকবে।