পার্বত্য মন্ত্রীর পদত্যাগে পুনর্বিবেচনা চান সাজাইমং মারমা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে কাউখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য এবং বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ, রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি সাজাইমং মারমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন ও তাৎপর্যপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “যে নেতৃত্ব ত্যাগে মহীয়ান, তাকে মূল্যায়ন করা ইতিহাসের দায়।” তিনি উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পথে অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্বের অবদান অনস্বীকার্য। একটি সিদ্ধান্ত কখনও শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং একটি অঞ্চলের আশা-আকাঙ্ক্ষাকেও স্পর্শ করে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সাজাইমং মারমা তাঁর লেখায় দীপেন দেওয়ানকে একজন সৎ, যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, একজন সাবেক বিচারক ও অভিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবে দীপেন দেওয়ান তাঁর মেধা, সততা ও প্রশাসনিক দক্ষতার মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জটিল রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় শান্তি, সম্প্রীতি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে। এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও অনুভূতির প্রতিফলন ঘটিয়ে তিনি বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
সাজাইমং মারমা তাঁর স্ট্যাটাসে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিকূল পরিবেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সহজ ছিল না। একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা কখনোই ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দেন না; বরং জনগণ ও অঞ্চলের কল্যাণকেই সর্বাগ্রে রাখেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের উন্নয়ন, পার্বত্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং জনগণের প্রত্যাশার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি লিখেছেন, দেশের আগে দল নয়, সবার আগে বাংলাদেশ।” তাঁর এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।










