রাউজানের উরকিরচরে আগুনে পুড়েছে ৪টি দোকানঘর
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন

রাউজানের উরকিরচরে আগুনে পুড়েছে ৪টি দোকানঘর

রাউজানের উরকিরচরে আগুনে পুড়েছে ৪টি দোকানঘর
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের রাউজানে ভয়াবহ আগুনে পুড়েছে ৪টি দোকান। বুধবার আনুমানিক রাত ১টা ২০ মিনিটে রাউজান উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের মিয়ারঘাটা এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ইসমাইল আজিজের মুদির দোকান , মাহবুব আলমের মুদির দোকান, রতনের ষ্টেশনারী দোকান এবং আবদুল বাসেকের মেক্যানিকের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ৪টি প্রতিষ্ঠানের মুদির দোকান , ষ্টেশনারী ,টিভি ফ্রিজের মেকানিকের দোকান,  নগদ টাকা, স্টেশনারি সামগ্রীসহ আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের ।

স্থানীয় বাসিন্দা, কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সূত্রে জানা যায়,বুধবার রাত ১টার ২০ মিনিটে সময় হারুন ষ্টোর মুদির দোকানের সট সার্কিট থেকে আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে একে একে ৪টি দোকান ঘরের মধ্যে ইসমাঈল স্টোর ও হারুন ষ্টোর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এ ঘটনায় অন্তত ২৫ -৩০লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মুহাম্মদ ইসমাইল আজিজ জানান, আমি রাতে ১১টার দিয়ে দোকান বন্ধ বাড়িতে যায়। আগুন লাগার খবর পেয়ে আমি দোকান আসি ততক্ষণে আমার দোকান প্রায় পুড়ে যায়। আমার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০- ১২ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।  ব্যবসায়ী মাহবুব আলম জানান, আমার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬- ৮ লাখ টাকা, রতন জানান, আমার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪- ৫ লাখ,বাসেক জানান, আমার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪- ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যবসায়ী সুত্রে জানা যায়।

কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের আমিনুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আমাদের ধারণা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। ক্ষয়-ক্ষতির বিষয়ে তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছেনা বলেও জানা যাবে। 




ভিসির পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে চলছে তৃতীয় দিনের মত শাটডাউন ও মানববন্ধন

ভিসির পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে চলছে তৃতীয় দিনের মত শাটডাউন ও মানববন্ধন
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি তৃতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে। একই দাবিতে  বৃহস্পতিবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্যের পদে পুনর্বহাল এবং নতুন উপাচার্যের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত তারা মেনে নেবেন না। চলমান সংকট নিরসনে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দিতে হবে।

এর আগে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

শাটডাউন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ব বিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ রাখা, গণস্বাক্ষর সংগ্রহসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা। এর পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল ইসলামকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ নিয়োগের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল করে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছেন।




ফটিকছড়িতে এবার দুর্ধর্ষ চুরি, স্বর্ণালংকার লুট

ফটিকছড়িতে এবার দুর্ধর্ষ চুরি, স্বর্ণালংকার লুট
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে একের পর এক চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পাইন্দং ইউনিয়নে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি ও সুন্দরপুরে মন্দিরে চুরির পর এবার লেলাং ইউনিয়নের একটি বাড়িতে দুর্র্ধষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর এলাকার দারগ আলী তালুকদার বাড়িতে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সরোয়ার হোসেনের বড় ভাই এবং বিবিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন বাহাদুরের ঘরে চুরির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকার সুযোগে চোরেরা বাড়িতে ঢোকে। পরে ঘরের তালা ভেঙে আলমিরা থেকে প্রায় সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় ঘরের আসবাব ও জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখে যায় তারা।

লেলাং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘গভীর রাতে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সুযোগে চোরেরা ঘরে ঢুকে আলমিরার তালা ভেঙে সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে। ঘরের জিনিসপত্রও এলোমেলো করে রেখে গেছে।’

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান বলেন, ‘চুরির খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এর আগে, ২১ সেপ্টেম্বর(সোমবার) রাতে উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের পাঁচপুকুরিয়া ব্রাহ্মণ সড়কে অবস্থিত শ্রী শ্রী মগধেশ্বরী মায়ের বিগ্রহ মন্দিরের তালা ভেঙে দেবদেবীর গহনা, পূজার সামগ্রী ও দানবাক্সের টাকা চুরির ঘটনা ঘটে।

এ ছাড়া ১৮ সেপ্টেম্বর(শুক্রবার) রাতে পাইন্দং ইউনিয়নের যুগিনীঘাটা এলাকায় নুরুল আলম ফরম্যানের বাড়ির খোরশেদুল আলমের ঘরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে সাড়ে ১১ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায় ডাকাতেরা।




ফটিকছড়িতে মন্দিরের তালা ভেঙে গহনা-প্রণামী চুরি

ফটিকছড়িতে মন্দিরের তালা ভেঙে গহনা-প্রণামী চুরি
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে একটি মন্দিরের তালা ভেঙে দেবদেবীর গহনা, পূজার সামগ্রী ও দানবাক্সের টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের পাঁচপুকুরিয়া ব্রাহ্মণ সড়কে অবস্থিত শ্রী শ্রী মগধেশ্বরী মায়ের বিগ্রহ মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মন্দিরের সভাপতি পরেশ কুমার আচার্য্য ফটিকছড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরের দল মন্দিরের সেবাখোলার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা পূজা-অর্চনায় ব্যবহৃত কাঁসা ও পিতলের বিভিন্ন সামগ্রী, দেবীর স্বর্ণালংকার, রুপার সামগ্রী, নুপুরসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এ ছাড়া মন্দিরে থাকা তিনটি দানবাক্স ভেঙে সেগুলোতে থাকা নগদ টাকাও চুরি করা হয়।

মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক ধারণা, চুরি যাওয়া মালামাল ও নগদ অর্থসহ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৮০ হাজার টাকা বা তার বেশি হতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব খাস্তগীর বলেন, চুরির ঘটনায় মন্দিরের বিভিন্ন স্থানে তছনছ ও ভাঙচুরের চিহ্ন রয়েছে। এতে কয়েকটি প্রতিমারও ক্ষতি হয়েছে।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।