ব্ল্যাকমেইলিং ও চাঁদাবাজির মামলা থেকে বাঁচতেই আইনজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন

ব্ল্যাকমেইলিং ও চাঁদাবাজির মামলা থেকে বাঁচতেই আইনজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা

ব্ল্যাকমেইলিং ও চাঁদাবাজির মামলা থেকে বাঁচতেই আইনজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামে এক আইনজীবীকে ঘিরে পরপর দুইটি মামলার ঘটনায় ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে। আইনজীবী জুয়েল দাশ দাবি করেছেন, তার দায়ের করা চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলিং মামলার জেরেই পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে পরে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি মামলার সূত্রে এক নারীর সঙ্গে জুয়েল দাশের পরিচয় হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথোপকথনের মাধ্যমে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হলে সেই ব্যক্তিগত আলাপচারিতাকে ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছে অর্থ দাবি করা হয়।

জুয়েল দাশের দাবি, মানসম্মানের ভয়ে ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি সংশ্লিষ্ট নারী ও তার সহযোগীদের ৪ লাখ টাকা দেন। পরে আরও ২ লাখ টাকা দাবি করা হলে তিনি অস্বীকৃতি জানান। এরপর তার ব্যক্তিগত কথোপকথনের স্ক্রিনশট পরিচিতজনদের কাছে পাঠানো এবং মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া শুরু হয়।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জুয়েল দাশ ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে সি.আর মামলা নং ২১৬/২৬ (কোতোয়ালী) দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ৩৮৫, ৩৮৮, ৩৮৯ ও ৩৪ ধারায় রুজু হয়। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরবর্তীতে পুলিশ দেলোয়ারা বেগম ও তার সহযোগী রওনক জাহান ইউশাকে গ্রেপ্তার করে।

আদালত সূত্রে আরও জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর আসামিরা আদালতে অঙ্গীকারনামা দিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার আশ্বাস দেন এবং বাদীর সঙ্গে আপোষ করেন। ৩০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে আপোষনামা সম্পাদনের পর ২৬ জানুয়ারি আদালত আপোষের ভিত্তিতে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

জুয়েল দাশের অভিযোগ, ওই মামলায় জামিন লাভের পরই গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট নারী কোতোয়ালি থানায় তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। তিনি বলেন, “আমি আগে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মামলা করেছি। সেই মামলা থেকে বাঁচতেই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো অভিযোগ আনা হয়েছে।”

তার দাবি, অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে গড়ে ওঠা একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে তাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে। একই কৌশলে অতীতে অন্য ব্যক্তিকেও ফাঁসানো হয়েছিল বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, অভিযোগকারী নারীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কোতোয়ালি থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দায়ের হওয়া মামলাটি তদন্তাধীন।

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ঘটনাটি এখন পুরোপুরি তদন্ত ও আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।




চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ : দগ্ধ ৯ জনকে নেয়া হচ্ছে ঢাকায়

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ : দগ্ধ ৯ জনকে নেয়া হচ্ছে ঢাকায়
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দগ্ধদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে নগরীর হালিশহরের এইচ ব্লকের হালিমা মঞ্জিল নামে একটি ভবনের ৩য় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান চিকিৎসক রফিক উদ্দিন আহমেদ বলেন, “দগ্ধদের সবারই শ্বাসতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।”

বিস্ফোরণে দগ্ধদের এক স্বজন জানিয়েছেন, ঢাকা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছে মেডিকেল থেকে। পুড়ে যাওয়া রোগীদের জন্য যেকোনো সময় আইসিইউ প্রয়োজন হতে পারে। এখানে আইসিইউ কম, তাই ঢাকায় নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আমরা অ্যাম্বুলেন্স ম্যানেজ করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছি।

বার্ন ইউনিটের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, বিস্ফোরণে আহতদের ৩ জনের শরীর শতভাগ দগ্ধ হয়েছে। একজনের ৮০ শতাংশ, দুইজন ৪৫ শতাংশ বার্ন হয়েছে। এরা সবাই এডাল্ট পেসেন্ট। এছাড়া দুই শিশু ২৫ শতাংশ ও আরকে শিশু ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। বার্নের ক্ষেত্রে শিশুদের ১০ পার্সেন্ট ও এডাল্টের ১৫ পার্সেন্টের উপরে গেলে অবস্থা খারাপ বলে বিবেচনা করা হয়। তাদের যেকোনো সময় আইসিইউ লাগতে পারে।

বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন—শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪), পাখি আক্তার (৩৫) ও রানী আক্তার (৪০)।

জানা গেছে, সোমবার ভোরে হালিশহরের এইচ ব্লকের হালিমা মঞ্জিল নামে ৬ তলা ভবনটির তৃতীয় তলার একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণ হয়। এতে পুরো বাসায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বাসায় থাকা শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হয়। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগে স্থানীয়রা আগুনে দগ্ধদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল নিয়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট গিয়ে আগুন নেভায়।

বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুরো ভবন। দ্বিতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম তলা পর্যন্ত প্রতি ইউনিটের দরজা ভেঙে গেছে এবং ছিঁড়ে গেছে ভবনের লিফট।

বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী আলমগীর হোসেন জানান, ‘ওই বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয় না। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির গ্যাসের সংযোগ রয়েছে। কোনো কারণে চুলা থেকে হয়তো গ্যাস লিক হয়েছিল, যে কারণে রান্নাঘরে গ্যাস জমে যায়। সেই জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে সবাই দগ্ধ হয়েছেন।’




বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে এখন: অর্থমন্ত্রী

বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে এখন: অর্থমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে উল্লেখ করে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় ব্যাপার আছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। পোর্টের কার্যক্রম আরও উন্নততর করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে।

বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে। 
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অনেক পরিকল্পনা আছে। এগুলোতো এক কথায় বলা যাবে না।

সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কর্মসংস্থান। 
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) প্রথমবারের মতো নিজ জেলা চট্টগ্রাম সফরে আসেন।  

সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করবেন তিনি।

এরপর জুমার নামাজ আদায় করবেন নগরের কদমতলী মাদারবাড়ী জামে মসজিদে।

নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে বেলা আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন অর্থমন্ত্রী। একই স্থানে বিকেলে তিনটায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে। পরে রাত আটটা ২৫ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন অর্থমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রামে আসার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি।

একটি নির্বাচিত সংসদ, সরকার হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের আশা, আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা পূরণে আমাদের সকলে মিলে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।




৩৮ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি, ১০ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

৩৮ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি, ১০ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
ছবি সংগৃহীত।

বন্ড সুবিধার আওতায় টাইলস আমদানির পর তা রপ্তানি না করে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে ৩৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করেন প্রতিষ্ঠানটির ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক ধীরাজ চন্দ্র বর্মন।

মামলার আসামিরা হলেন, হাসান শরিফ (৬২),মো. জিয়া উদ্দিন (৪৫), খাজা শাহাদতউল্লাহ (৫৪), মো. জিয়াউর রহমান (৪৮),আদিল রিজওয়ান (৪১),মো. খায়রুজ্জামান (৪৬),মো. শহিদুল হক (৫৭), হাসান শাহীন (৫০), দীপান্বিতা বড়ুয়া (৬৯) ও সুরীত বড়ুয়া (৭০)।

দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে আসামিরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে রপ্তানির ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বন্ড সুবিধায় চীন থেকে টাইলস আমদানি করে ৩৮ কোটি ৮৬ লাখ ৪৮ হাজার ১০০ টাকা ৪৭ পয়সা শুল্ক ফাঁকি অভিযোগে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪২০ ও ১০৯ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।  তদন্তে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানা এলাকায় বাংলাদেশ-তাইওয়ান সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২০১৩ সালে শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বন্ড লাইসেন্স গ্রহণ করে। ২০১৩ সাল থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৬২টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ‘আনফিনিশড টাইলস’ ঘোষণা দিয়ে ২২ হাজার ৯৪৩ দশমিক ৬৫ মেট্রিক টন টাইলস আমদানি করে।

তবে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থার অনুসন্ধানে দেখা যায়, আমদানি করা পণ্যগুলো প্রকৃতপক্ষে সম্পূর্ণ প্রস্তুতকৃত (ফিনিশড) টাইলস। এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আমদানিকৃত টাইলস প্রসেসিং করে শতভাগ রপ্তানির বাধ্যবাধকতা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি ৮০টি বিল অব এক্সপোর্ট দেখিয়ে রপ্তানির কাগজপত্র দাখিল করে। ব্যাংকের মাধ্যমে রপ্তানি মূল্য আসার তথ্যও উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অফ-ডক কর্তৃপক্ষ ও শিপিং এজেন্টরা লিখিতভাবে জানায়, তাদের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি এবং দাখিল করা বিল অব লেডিং তাদের ইস্যুকৃত নয়।
এছাড়া চালান পরীক্ষণের দায়িত্বে থাকা দুই রাজস্ব কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তাদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে এবং তারা সংশ্লিষ্ট চালান পরীক্ষা করেননি।