ফটিকছড়িতে ৪৬ প্রতিষ্ঠানের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন

ফটিকছড়িতে ৪৬ প্রতিষ্ঠানের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত

ফটিকছড়িতে ৪৬ প্রতিষ্ঠানের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ৪৬টি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে ২০০ কেজি রুই জাতীয় মাছের পোনা বিতরণ ও অবমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারের রাজস্ব খাতের আওতায় উপজেলার এতিমখানা, মাদ্রাসা, মসজিদ, গুচ্ছগ্রাম ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের পুকুরে এসব পোনা অবমুক্ত করা হয়। পোনার মধ্যে ছিল রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউস।

উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনা অবমুক্ত করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম।

এ সময় ফটিকছড়ি পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মোবারক হোসেন কাঞ্চন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি মনসুর আলম চৌধুরী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বজল আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




ফটিকছড়িতে ৭ ইসলামী দলের বৈঠক, ঐক্যে লিয়াজোঁ কমিটি

ফটিকছড়িতে ৭ ইসলামী দলের বৈঠক, ঐক্যে লিয়াজোঁ কমিটি
ছবি সংগৃহীত।

কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের ঐক্যের খসড়া রূপরেখা নিয়ে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগরে বৈঠক হয়েছে। প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠকে দলগুলোর প্রস্তাব ও সম্ভাব্য ঐক্যকাঠামো নিয়ে আলোচনা হলেও সব বিষয়ে ঐকমত্য হয়নি। এ অবস্থায় পরবর্তী আলোচনা ও সমন্বয়ের জন্য সাত দল থেকে তিনজন করে সদস্য নিয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রোববার(২৭ সেপ্টেম্বর) ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম (বাবুনগর) মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর নেতৃত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাত দলের ৩৫ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। বৈঠকে সাত দলের সম্ভাব্য ঐক্যের কাঠামো, সমন্বিত কর্মপদ্ধতি এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কার্যক্রমের খসড়া রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দলগুলোর দেওয়া পৃথক প্রস্তাব পর্যালোচনা করে একটি সমন্বিত খসড়া তৈরি করা হয়েছে। রোববারের বৈঠকে সেটি সাত দলের প্রতিনিধিদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠক শেষে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মুফতি জসীমউদ্দিন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের আলেমসমাজ ও মুসলিম সমাজের বিভিন্ন পর্যায় থেকে ইসলামপন্থী দলগুলোকে একটি প্ল্যাটফর্মে এনে একসঙ্গে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার একটি ফর্মুলা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মুফতি জসীমউদ্দিন বলেন, প্রত্যেক দল তাদের নিজস্ব প্রস্তাব দিয়েছে। হেফাজতে ইসলামের আমির সেসব প্রস্তাব পর্যালোচনা করছেন। রোববারের বৈঠকে প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। আমিরের পরামর্শে তৈরি করা একটি খসড়া রূপরেখা সাত দলের প্রতিনিধিদের কাছে দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে সাত দলের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ২২ সদস্যের লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাতটি দল থেকে তিনজন করে সদস্য এই কমিটিতে থাকবেন। হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান কমিটির নেতৃত্ব দেবেন বলে জানিয়েছেন মুফতি জসীমউদ্দিন।

তিনি জানান, আগামী ২২ অক্টোবর ঢাকায় লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হবে। সেখানে রোববারের বৈঠকে আলোচিত খসড়া রূপরেখা নিয়ে আরও আলোচনা ও সমন্বয়ের কাজ করা হবে।

বৈঠককে কেন্দ্র করে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রতিনিধিদের গণমাধ্যমে কথা না বলার জন্য হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে বৈঠক শেষে অধিকাংশ নেতা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। পরে মুফতি জসীমউদ্দিন বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

বৈঠকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী সভাপতিত্ব করেন। মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা খলিল আহমদ কাসেমী, নায়েবে আমির মুফতি জসীমউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশির উল্লাহ ও নায়েবে আমির মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজী এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজীসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা অংশ নেন।

ঐক্য প্রক্রিয়ায় থাকা সাতটি দল হলো- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।
কওমি ঘরানার ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য প্রক্রিয়া শুরু হয় গত ১৬ জুলাই। ওই দিন ফটিকছড়ির জামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে বৈঠক হয়। সেখানে সাত দলের শীর্ষ নেতারা ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হন। এরপর প্রতিটি দলকে নিজস্ব প্রস্তাব জমা দেওয়ার জন্য ৩ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের জন্য হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে সাত সদস্যের একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।

হেফাজতে ইসলাম সূত্রে জানা গেছে, ১৬ জুলাইয়ের পর উপকমিটি অন্তত তিনটি বৈঠক করেছে। এর মধ্যে দুটি বৈঠক ঢাকায় এবং একটি চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ১ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে দলগুলোর পৃথক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করে একটি সমন্বিত খসড়া রূপরেখা তৈরির কাজ শেষ করা হয়। রোববার ফটিকছড়িতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সেই খসড়া রূপরেখা সাত দলের প্রতিনিধিদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। তবে রূপরেখার সব বিষয়ে একমত হতে পারেনি দলগুলো। ফলে বিষয়গুলো নিয়ে আরও আলোচনা ও সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত হয়। এরই অংশ হিসেবে ২২ সদস্যের লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগামী ২২ অক্টোবর ঢাকায় কমিটির বৈঠকের পর ঐক্য প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই এখন নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর।




চুয়েটের নতুন উপাচার্যকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাখ্যান

চুয়েটের নতুন উপাচার্যকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাখ্যান
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে প্রত্যাখ্যান করে লাল কার্ড প্রদর্শন ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে সকালে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী গ্রাফিতি আঁকেন তারা। এছাড়া নতুন উপাচার্যের প্রবেশ ঠেকাতে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে পালাক্রমে পাহারাও দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, তাদের গ্রাফিতি কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের একমাত্র দাবি, অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়া। দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন চললেও দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা হতাশ।

তারা বলেন, ‘আমরাও দ্রুত ক্লাসে ফিরতে চাই। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবন ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত ক্যাম্পাসে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হোক।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই ক্যাম্পাসে গ্রাফিতি আঁকা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অধ্যাপক সায়েমকে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি ভালোভাবে কাজ করছিলেন উল্লেখ করে ওই শিক্ষার্থী বলেন, তাঁকে কাজ করার জন্য আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন ছিল।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। রাতে নতুন উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ঠেকাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক ভেতর থেকে তালাবদ্ধ করে সেখানে পাহারায় বসেন তাঁরা।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোববার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করেছে চুয়েট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনও।

গত ২১ সেপ্টেম্বর নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া শাটডাউন কর্মসূচির কারণে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। বন্ধ রয়েছে ক্লাস ও পরীক্ষা।

এর মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে অনলাইনে উপাচার্য পদে যোগ দেন অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। ওই দিন রাতে ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে নতুন উপাচার্যকে চুয়েটে না চাওয়ার কথা জানান শিক্ষক সমিতির সভাপতি।

চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম গত ২৭ জুলাই উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে ২১ সেপ্টেম্বর তাঁকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে মূল ফটকে তালা দিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ, যার প্রভাবে এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।




দেশ সেরা রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন হাটহাজারী থানার রুপন নাথ

দেশ সেরা রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন হাটহাজারী থানার রুপন নাথ
ছবি সংগৃহীত।

দেশ সেরা  রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক  “পিপিএম”(সাহসিকতা) পদক পেয়েছেন হাটহাজারী মডের থানার সাবেক পুলিশ উপ-পরিদর্শক রুপন নাথ।হাটহাজারী মডেল থানায় কর্মরত থেকে সাহসিকতা,পুলিশিং সেবায় অনন্য নজির, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)পেয়েছেন। তিনি হাটহাজারী মডেল থানায় দায়িত্ব পালনকালে তার কর্মদক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এ পদকের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।

গত ২১ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সপ্তাহ/২০২৬ ইং এর(২৬ সেপ্টেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটরিয়ামে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয়  আনুষ্ঠানিকভাবে পদক পরিয়ে দেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন,পুলিশিং সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে এসব পদক দেওয়া হয়।
হাটহাজারী মডেল থানায় দায়িত্ব  পালনকালে অপরাধী শনাক্ত ও গ্রেপ্তার,চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্যে উদঘাটন,ডাকাতি মামলার রহস্যে উদঘাটন সহ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এসআই(নিরস্ত্র)রুপন নাথ। তার সক্রিয় নেতৃত্বে থানাটিতে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের জন্য চার ক্যাটাগরিতে মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক দেওয়া হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো- বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা, রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতির পুলি পদক (পিপিএম)-সেবা।

তিনি ২০০৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করিয়া সুনামের সাথে চাকরি করেন।তিনি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানা-গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্র-ডিবি-ডিএসবি। নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানা-ডিবি কোম্পানীগঞ্জ থানা। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার বাকলিয়া থানা-চাক্তাই পুলিশ ফাঁড়ি-চকবাজার থানা।ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানা-আখাউড়া থানা,চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী মডেল থানায় ১ বছর ১১মাস কর্মতর ছিলেন।