ফটিকছড়িতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন

ফটিকছড়িতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

ফটিকছড়িতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর।

র‌্যালিটি উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পরিষদ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

র‌্যালি শেষে উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “পরিচ্ছন্নতা শুধু সরকারি কর্মসূচি নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব সমাজ গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।”




ফটিকছড়ির তিন ইউনিয়নে হরতাল, ভূজপুরে আনন্দ মিছিল, সুয়াবিলে ক্ষোভ

ফটিকছড়ির তিন ইউনিয়নে হরতাল, ভূজপুরে আনন্দ মিছিল, সুয়াবিলে ক্ষোভ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় বহাল রাখার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ছয় ইউনিয়নে ভিন্নমুখী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সদর দপ্তর পুনর্নির্ধারণের দাবিতে বাগানবাজার, দাঁতমারা ও নারায়নহাট ইউনিয়নের বাসিন্দারা রোববার সকাল থেকে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ভূজপুরে আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে সদর দপ্তরের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসা সুয়াবিল ইউনিয়নের বাসিন্দারাও তাদের ক্ষোভ বজায় রেখেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি গেজেটে সদর দপ্তর পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় নির্ধারণের পর থেকেই তিন ইউনিয়নের বাসিন্দারা সিদ্ধান্তটিকে ‘ভৌগোলিকভাবে অযৌক্তিক’ বলে দাবি করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, বর্তমান অবস্থানে সদর দপ্তর থাকলে উপজেলার একটি বড় অংশের মানুষকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে প্রশাসনিক সেবা নিতে হবে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবিতে এর আগে একাধিক দফা হরতাল, মহাসড়ক অবরোধ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ বা সমাধানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

আন্দোলনকারী ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদ জানিয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। আন্দোলন কোনো ইউনিয়নের বিরুদ্ধে নয়; বরং এমন একটি সদর দপ্তরের দাবিতে, যা ছয় ইউনিয়নের মানুষের জন্য সমানভাবে সহজপ্রাপ্য হবে।

অন্যদিকে, সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল থাকায় ভূজপুর ইউনিয়নে উৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। রোববার বিকেলে ভূজপুর ন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ থেকে আনন্দ মিছিল বের হওয়ার কথা রয়েছে। এতে ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ এইচ এম শাহজাহান চৌধুরী শিপন, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা অংশ নেবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

সুয়াবিল ইউনিয়নের বাসিন্দারা মূল ফটিকছড়ি উপজেলার সঙ্গেই থাকতে চান এবং নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় যেতে নারাজ। ফলে শুরু থেকেই তারা এই উত্তর উপজেলা গঠনের বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের দাবি, প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে সুয়াবিলের মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। এ কারণে তাঁরা ইতিমধ্যে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। তবে তাঁদের দাবির প্রতিও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সাড়া মেলেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল জানিয়েছেন, নতুন উপজেলা গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের দোরগোড়ায় প্রশাসনিক সেবা পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু সদর দপ্তরের অবস্থান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধ সেই উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সব অংশীজনের মতামত ও বাস্তব যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনা করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

উল্লেখ্য, জাতীয় বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও জাতীয় সমন্বয়-সংক্রান্ত কমিটির (নিকার) অনুমোদনের পর গত ৮ জুলাই প্রকাশিত সরকারি গেজেটের মাধ্যমে বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়নহাট, ভূজপুর, হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল ইউনিয়ন নিয়ে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা গঠিত হয়। তবে সদর দপ্তরের অবস্থান নিয়ে স্থানীয়দের বিরোধ এখনো অব্যাহত রয়েছে।




প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে সীতাকুণ্ডে ১৩০টি সংগঠনকে ২০ হাজার গাছের চারা বিতরণ

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে সীতাকুণ্ডে ১৩০টি সংগঠনকে ২০ হাজার গাছের চারা বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক ব্যতিক্রমধর্মী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে উপজেলার সাদেক মস্তান (রহ.) উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সীতাকুণ্ড উপজেলা সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ ও চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের কুমিরা রেঞ্জের সহযোগিতায় উপজেলার ১৩০টি সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে ২০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, এই কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে আরও ৩০ হাজার চারা বিতরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সীতাকুণ্ড উপজেলা সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি লায়ন মো. গিয়াস উদ্দিন এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পলাশ চৌধুরী।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। এই সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত প্রয়োজন।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের পিএইচটি সেন্টারের তত্ত্বাবধায়ক মো. শহীদ উল্ল্যাহ। তিনি বলেন, “বৃক্ষ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, এটি মানুষের জীবন, জীবিকা ও অর্থনীতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সামাজিক সংগঠনগুলোর মাধ্যমে এ ধরনের উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে পরিবেশসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, “সীতাকুণ্ড উপজেলা সমাজকল্যাণ ফেডারেশন শুধু সমাজসেবামূলক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়, পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। আমরা শুধু চারা বিতরণ নয়, প্রতিটি গাছের সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার জন্যও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজকল্যাণ ফেডারেশনের সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ রাজু কামাল, সহসভাপতি আলহাজ খোরশেদ আলম ও আলহাজ এ কে এম মসিউদ্দৌলা, সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন অ্যাডভোকেট মো. সরোয়ার হোসাইন লাভলু, কৃষি, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মাস্টার ইকবাল হুসাইন, অধ্যাপক নুরুল গনি চৌধুরী এবং সাদেক মস্তান (রহ.) উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু জাফর মোহাম্মদ ছাদেক।

বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণকে জাতীয় আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। প্রতিটি মানুষ যদি বছরে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেয়, তাহলে পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব অনেকাংশে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। তারা এই মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সব সামাজিক ও মানবিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ১৩০টি সামাজিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে সনদপত্র ও গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি এবং তিন শতাধিক সমাজকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি পরিবেশ সংরক্ষণে সামাজিক সম্পৃক্ততার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।




ফটিকছড়ি উত্তরের গজারিয়া স্কুলের সভাপতি হলেন এড. ইউচুপ আলম মাসুদ

ফটিকছড়ি উত্তরের গজারিয়া স্কুলের সভাপতি হলেন এড. ইউচুপ আলম মাসুদ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার গজারিয়া জেবুন্নেছা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চার সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে বোর্ড মনোনীত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট ইউচুপ আলম মাসুদ।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মো. আবুল কাসেম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বোর্ডের প্রবিধান অনুযায়ী, আগামী ছয় মাস অথবা নিয়মিত পরিচালনা কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এ কমিটি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

অনুমোদিত কমিটিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন এ জেড এম আলমগীর, অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে খোরশেদ আলম এবং সদস্য সচিব হিসেবে পদাধিকারবলে দায়িত্ব পালন করবেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রবিধান অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি পরিচালনা কমিটির সব ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করতে পারবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী এ কমিটি শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।

নবনিযুক্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউচুপ আলম মাসুদ বলেন, এই দায়িত্ব আমার জন্য সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় আমানত। শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং কমিটির সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, সুশাসন, শৃঙ্খলা, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই। আমার লক্ষ্য হবে একটি নিরাপদ, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী তার মেধা ও সম্ভাবনার সর্বোচ্চ বিকাশের সুযোগ পাবে।