পটিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন

পটিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

পটিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন
ছবি সংগৃহীত।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার অধীনে ৮২ সদস্যবিশিষ্ট পটিয়া উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী ছয় মাসের জন্য অনুমোদিত এ কমিটিতে আলহাজ প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুর রশিদকে আহ্বায়ক এবং এডভোকেট মুহাম্মদ আরমান আজাদকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

১৬ অক্টোবর ২০২৬ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক লায়ন এম এ মুন্না চৌধুরী, সদস্যসচিব জোবাইরুল আলম মানিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন এ কমিটির অনুমোদন দেন।

অনুমোদিত কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে মীর মনছুরুল ইসলামকে। যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন—মোহাম্মদ ইলিয়াস কায়সার, মনির আহামদ, মাওলানা মো. ইদ্রিস হোসাইন, মাইনুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ওয়াসিম।

সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মো. শহিদুল ইসলাম। যুগ্ম সদস্যসচিব—মিজানুর রহমান জুয়েল, মো. আব্দুর রশিদ, মোহাম্মদ আসিফ, অবসরপ্রাপ্ত কমান্ডার মুজিবুর রহমান ও প্রকৌশলী হায়দার আলী।

সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল মোস্তফা মুনিরী, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আলম ও মুহাম্মদ ওমর ফারুক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক—জাহেদুল হক, হারুনুর রশিদ, আব্দুল মান্নান (খরনা), রবিউল হাসান মিশকাত, আব্দুল নূর আরজু, মো. মিজান হোসাইন, দৌলত খান ও মো. আব্দুল্লাহ।

দপ্তর সম্পাদক আরফাতুর রহমান, সহ-দপ্তর সম্পাদক গাজী মোহাম্মদ ইশতিয়াক ও মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আইমন সাদি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন অভি এবং সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সায়েদ ছিদ্দিক সোহাগ।

মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পাদক মুজিবুর রহমান তুষার, কোষাধ্যক্ষ হাফেজ মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, সহ-কোষাধ্যক্ষ মো. আলী ইমাম ও হাবিব উল্লাহ।

সমাজকল্যাণ সম্পাদক প্রকৌশলী রেজাউল হক, সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন তুষার, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোহাম্মদ রাইয়ান, শিক্ষা সম্পাদক আব্দুল মান্নান মাস্টার, সহ-শিক্ষা সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়সাল হোসেন, নারী বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস এবং সহ-নারী বিষয়ক সম্পাদক আফসানা মিমি।

এ ছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন—মো. আবু ইউসুফ, আব্দুল মন্নান, নুরুল হক সওদাগর, মোহাম্মদ কানন, আব্দুল জলিল, মনিরুল আহমেদ, কামরুল ইসলাম, মো. জলিল, মো. সেলিম, আনসারুল হক বাবুল, ফাতেমা বেগম, মামুনুল ইসলাম, মো. নাসির উদ্দিন, মুহাম্মদ বিন নাছির সিকদার, শফিকুজ্জামান, মো. জামাল, এমডি বাবলু চৌধুরী, হাফেজ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম চৌধুরী, মো. নিজাম উদ্দিন, সাখাওয়াত হোসেন, নুরুল আবচার, হাফেজ শাহাদাত হোসেন, তৈয়বুর রহমান, জয়নাল আবেদীন, রাগিব ইবনে আলম (সাদাফ), মোহাম্মদ উল্লাহ চৌধুরী, ইয়াছিন আরাফাত, সিয়াম ইয়াছিন, সামির সাইদ, মো. সাব্বির আহমেদ, মো. জাহেদুল ইসলাম, মো. শরিফুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাইফুদ্দীন, মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান, মোহাম্মদ এমরুল হোসেন, মো. আব্দুল বারেক, মোনতাহিনা হাসনাত নিতু, মুহাম্মদ নাজিবুস সোবহান, মোহাম্মদ ইমরান ও মোহাম্মদ হানিফ।

নবগঠিত এ কমিটির মাধ্যমে পটিয়া উপজেলায় এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।




আনোয়ারায় তর্কাতর্কির জেরে প্রতিমালয়ে হামলা, আহত ১

আনোয়ারায় তর্কাতর্কির জেরে প্রতিমালয়ে হামলা, আহত ১
ছবি সংগৃহীত।

আনোয়ারায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিমা বহনকারী গাড়ির সঙ্গে স্থানীয় এক ভ্যানচালকের গাড়ির ধাক্কা লাগা নিয়ে তর্কাতর্কির জেরে ১০ থেকে ১৫ জন দুষ্কৃতকারী প্রতিমালয়ে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটিয়েছে। এতে প্রতিমা নিতে আসা বারখাইন ইউনিয়নের অপু সরকার আকাশ (২২) নামের এক তরুণ আহত হয়েছেন এবং কার্তিক প্রতিমার হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার জয়কালী বাজার লোকনাথ আশ্রমের পাশে গৌরী শিল্পালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ ও র‍্যাব (বা সংশ্লিষ্ট বাহিনী) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।

আহত অপু সরকার আকাশ বলেন, "আমরা বিকেলে বারখাইন ইউনিয়ন থেকে আনোয়ারা গৌরী শিল্পালয়ে প্রতিমা নিতে আসি। প্রতিমা গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় সাত্তারহাট সড়কের পদ্মপুকুর পাড় এলাকায় আমাদের সঙ্গে এক ভ্যানচালকের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আমরা তর্কে না জড়িয়ে দ্রুত প্রতিমালয়ে চলে আসি। কিছুক্ষণ পর তারা ১০ থেকে ১৫ জন দলবদ্ধ হয়ে প্রতিমালয়ে এসে আমাদের মারধর করে।"

প্রতিমালয়ের কারিগর কাঞ্চন চক্রবর্তীর স্ত্রী মুক্তা চক্রবর্তী বলেন, "হঠাৎ করে ১০ থেকে ১৫ জন লোক আমাদের প্রতিমালয়ে এসে আকাশ নামের ছেলেকে মারধর করে। এ সময় আমরা তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে আমাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এবং গালিগালাজ করে। হামলাকারীরা কার্তিক প্রতিমার হাত ভেঙে দেয়।"

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ধর বলেন, "তর্কাতর্কির জেরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে। প্রতিমালয়ের লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তোলায় দুষ্কৃতকারীরা বড় ধরনের কোনো ক্ষতি করতে পারেনি।"

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, "হামলার ঘটনা শুনে আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। এ ঘটনায় দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।"




সন্তানের বিকাশে পরিবার ও স্কুলের সমন্বয় জরুরি: এডিসি সাঈদুজ্জামান

সন্তানের বিকাশে পরিবার ও স্কুলের সমন্বয় জরুরি: এডিসি সাঈদুজ্জামান
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোহাম্মদ সাঈদুজ্জামান বলেছেন, সন্তানদের সঙ্গে কোনো দূরত্ব না রেখে বন্ধুর মতো মিশে তাঁদের মনোমানসিকতা অনুধাবন করতে হবে। মানুষের জীবন মূলত সময়েরই সমষ্টি। তাই সেই জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় থেকেই বড় একটি অংশ সন্তানের পেছনে ব্যয় করতে হবে। কারণ যেকোনো শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো তার পরিবার, আর প্রথম শিক্ষক মা-বাবা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আমিলাইষ কাঞ্চনা বঙ্গ চন্দ্র ঘোষ ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক সুধী ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “বিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দেয় ঠিকই; কিন্তু তার মূল্যবোধ, নৈতিকতা, শিষ্টাচার, দায়িত্ববোধ ও মানবিক গুণাবলির মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে পরিবারেই। তাই একটি শিশুর পূর্ণাঙ্গ ও প্রকৃত বিকাশে বিদ্যালয় এবং পরিবারের মধ্যে নিবিড় সমন্বয় ও চমৎকার মেলবন্ধন থাকা অত্যন্ত জরুরি।”

শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, “প্রতিটি মা-বাবাই সাধ্যের সবটুকু দিয়ে সন্তানের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেন। তাই অভিভাবকদের কাছে কোনো ধরনের অনৈতিক বা অযৌক্তিক আবদার না করে নিজেকে সুশিক্ষিত, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সুন্দর জীবনের জন্য সুশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।”

বিদ্যালয় পরিচালনাসংক্রান্ত এডহক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার মানোন্নয়নে ত্রিমুখী সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অধ্যাপক মহিউদ্দিন বলেন, “শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক—এই তিনের কার্যকর সমন্বয়েই একজন শিক্ষার্থী সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাতে পারে। কারণ শৈশবে স্কুলে যাওয়ার বয়সে ভালো-মন্দের পূর্ণ পরিপক্বতা থাকে না। তাই সন্তানদের দৈনন্দিন গতিবিধির প্রতি অভিভাবকদের সার্বক্ষণিক নজর রাখা প্রয়োজন।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী, বিদ্যালয়টির প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. আবদুল কাদের, নলুয়া ডি. এল. কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ডা. রানা চৌধুরী এবং দক্ষিণ কাঞ্চনা এন. এ. চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি খোরশেদুল আলম।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জহির হোছাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মাহাফুজুর রহমান। এতে বিপুলসংখ্যক অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।




ভ্যানগাড়ি ঘোরাতেই ট্রাকচাপায় চালক নিহত

ভ্যানগাড়ি ঘোরাতেই ট্রাকচাপায় চালক নিহত
ছবি সংগৃহীত।

ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়ি ঘোরাতেই বেপরোয়া গতির ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে নুরুন্নবী (৩০) নামে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কের হাটহাজারী পৌরসভার কলাবাগান মেঘপাই রেস্টুরেন্টের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ভ্যানচালক নুরুন্নবীর বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাটহাজারী পৌরসভার কলাবাগান বিদ্যুৎ অফিসের সামনে থেকে নুরুন্নবী তাঁর ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়িটি ঘোরাতে গেলে নগরমুখী একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয় এবং চাকা শরীরের ওপর উঠে যায়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে আলিফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

হাটহাজারী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি এবং ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশ গেছে।”

রাউজান হাইওয়ে পুলিশের ওসি আশরাফ জানান, “ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়ির চালক নুরুন্নবী মারা গেছেন। এ ঘটনায় ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম গেছে। নিহত নুরুন্নবীর বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ। তাঁর মরদেহ নিতে পরিবারের লোকজন এসেছেন।”